kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বছর না ঘুরতেই দুয়ারে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ ফুটবল। গত বছর অক্টোবরে হয়েছিল এই আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের চতুর্থ আসর, এবার পঞ্চম আসর আগামী নভেম্বরে আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।

আগামী সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে এর দিন-তারিখ। গতকাল বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ জানিয়েছেন, ‘আমরা নভেম্বরের শেষ ১০ দিন রেখেছি বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের জন্য। নির্বাহী কমিটির সামনের সভায় এর সূচি চূড়ান্ত হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’ তার আগে ১৬ নভেম্বর হবে বাফুফের বার্ষিক সাধারণ সভা, যেখানে বাফুফের গত সাড়ে তিন বছরের কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা হবে। এখন থেকেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে এই বার্ষিক সাধারণ সভা। অডিট রিপোর্টের অসংগতি নিয়ে এরই মধ্যে সোচ্চার হয়েছেন বাফুফের দুই সহসভাপতি বাদল রায় ও মহিউদ্দিন আহমেদ মহি। আর এই সভা খুলে দেবে আগামী এপ্রিলে বাফুফে নির্বাচনের পথও। তার আগে ১৪ নভেম্বর ওমানের সঙ্গে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ আছে বাংলাদেশের। সুতরাং আগামী মাসটি বাংলাদেশ ফুটবলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান হলো বাংলাদেশ ফুটবলদলের ছন্দটা ধরে রাখা। ১৫ অক্টোবর কলকাতায় যুবভারতীতে ভারতের সঙ্গে দুর্দান্ত খেলার সুবাদে ইতিবাচক হাওয়া বইছে দেশের ফুটবলে। জিততে জিততেও ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি। তাই বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পরের ম্যাচে শক্তিশালী ওমানের বিপক্ষেও বাংলাদেশ মাঠে নামতে চায় ভালো প্রস্তুতি নিয়ে। আগামী ১৪ নভেম্বরের ম্যাচের জন্য ৩ নভেম্বর দল গুছিয়ে পরদিনই ওমান পাঠিয়ে দিতে চাইছে বাফুফে। ওখানেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন ইংলিশ কোচ জেমি ডে। ম্যাচের আগ পর্যন্ত ওখানেই তাদের প্র্যাকটিস এবং প্র্যাকটিস ম্যাচ। স্থানীয় ক্লাবের সঙ্গে একটি প্র্যাকটিস ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা করছে বাফুফে।

সেখান থেকে বাংলাদেশ দল ফেরার পরই দেশে শুরু হবে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের পঞ্চম আসর। তার প্রস্তুতি নিয়ে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘এখনো নির্দিষ্ট করে কিছু বলার মতো অবস্থা হয়নি। সম্ভাব্য দলগুলোর সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করছি। তবে কয়টি দলের টুর্নামেন্ট হবে, সেটি এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। দক্ষিণ এশিয়া থেকে একটি দল থাকতে পারে।’ তবে এটা নিশ্চিত যে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ড এবং এশিয়া কাপ বাছাইয়ে খেলায় কোনো দলকে পাচ্ছে না বাফুফে। অর্থাৎ গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ফিলিস্তিন ও রানার্স-আপ তাজিকিস্তান আসছে না, তেমনি ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়ন নেপালেরও এ টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ নেই। প্রাক-বাছাইয়ে ছিটকে যাওয়াদের মধ্য থেকেই দল পছন্দ করতে হবে। এ রকম ছয়টি সম্ভাব্য দলের তালিকা করেছে বাফুফে এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তাই টুর্নামেন্টে দল সংখ্যা কতটি হবে, সেটাও বলা যাচ্ছে না। গতবারের মতো ছয় দলের টুর্নামেন্ট হলে খেলবে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে। চার দলের হলে খেলা হবে রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে। 

তবে ওই তালিকার দলগুলো অংশ নিলে বাংলাদেশের শিরোপার সম্ভাবনা বাড়বে বৈকি। এখনো পর্যন্ত চারটি আসর হলেও কোনোবার শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসতে পারেনি লাল-সবুজের দল, ২০১৫ সালে দ্বিতীয় আসরে সর্বোচ্চ সাফল্য রানার্স-আপ। টুর্নামেন্টের স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান কে-স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী ফাহাদ করিম এবার সুযোগ দেখছেন স্বাগতিকদের, ‘এখন বাংলাদেশ দল দারুণ খেলছে। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে খেলে তাদের অভিজ্ঞতা এবং সাহস দুটিই হয়েছে, তাই এবার স্বাগতিকদের ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়ার একটা ভালো সুযোগ আছে। তা ছাড়া খুব শক্তিশালী দলগুলোর আসারও সম্ভাবনা নেই। আশা করি, আগামী সপ্তাহে বাফুফের সঙ্গে বসে সব চূড়ান্ত করে ফেলতে পারব।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা