kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

শাস্তি ও নির্যাতনের কথা ভাবাই যায় না এখানে

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শাস্তি ও নির্যাতনের কথা ভাবাই যায় না এখানে

মিম নামের এক সাঁতারুকে শাস্তি দেওয়ার প্রতিবাদে দুই দিন আগে জাতীয় সাঁতার দলের কোচ তাকিও ইনোকি চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন। দূর দেশে থাকলেও আরিফুল ইসলামকে নাড়া দিয়েছে এই দুঃসংবাদ। ফ্রান্সে ট্রেনিং ক্যাম্পে থাকা এই বাংলাদেশি সাঁতারু কথা বলেছেন জাপানি কোচের ফিরে যাওয়া নিয়ে।

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : বাংলাদেশ দলের কোচ চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন। খবরটা কি দেখেছেন?

আরিফুল ইসলাম : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাপানি কোচের দেওয়া স্ট্যাটাসটা দেখেছি। ঘটনাটা খুব দুঃখজনক। আমাদের সঙ্গে জাপানিদের মানসিকতার ফারাক আকাশ-পাতাল। মানুষ তো দূরের কথা, কোনো প্রাণীকে মারবে, এটা তারা চিন্তাই করতে পারে না। সেখানে একজন মেয়ে সাঁতারু অজ্ঞান হয়ে গেছে, তাকে পুলে ফেলে দিতে চেয়েছিল অন্যরা (যেভাবে তিনি লিখেছেন)। এ ঘটনা তাঁর পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন ছিল।

প্রশ্ন : কোনো আলাপ-আলোচনা ছাড়া ফেডারেশনকে কোনো সুযোগ না দিয়েই তিনি ফিরে গেছেন!

আরিফুল : তিনি বোধ হয় নিজের দেশে ফেরেননি। তাঁর এক সহকারীর কাছ থেকে শুনেছি, তিনি তাইওয়ানে আছেন এখন। আমার মনে হচ্ছে, চাকরি ছাড়ার পেছনে শুধু এই একটি ঘটনা নয়; আমাদের দেশের পরিবেশ-পরিস্থিতির সঙ্গে তিনি হয়তো মানিয়ে নিতে পারছিলেন না।

প্রশ্ন : আপনি তো ফ্রান্সে সাঁতার ট্রেনিংয়ে আছেন। সেখানেও কি দেশের মতো শাস্তির রেওয়াজ আছে?

আরিফুল : না, না। কোনো শাস্তির কথা ভাবাই যায় না। এখন আমরা ট্রেনিং ক্যাম্প ছেড়ে একটা ট্যুরে এসেছি, প্রচণ্ড শীত বলে কোচ নিজের দুটো কম্বলও আমাদের দিয়ে গেছেন। কোনো শারীরিক শাস্তি কিংবা মানসিক নির্যাতনের কথা ভাবাই যায় না এখানে।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে থাকতে কি আপনি এ রকম শাস্তি ভোগ করেছেন?

আরিফুল : মোবাইল রাখার দায়ে এই শাস্তি দেওয়ার রেওয়াজ পুরনো। প্রচণ্ড রোদের মধ্যে মেয়েটির (মিম) বেলায় বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে।

প্রশ্ন : সামনে এসএ গেমস, কোচ চলে যাওয়ায় বেশ সমস্যায় পড়ে গেছে ফেডারেশন...

আরিফুল : এই সময়ে কোচ চলে যাওয়াটা দুর্ভাগ্যজনক। পত্রপত্রিকায় যা দেখলাম, আমাদের সাধারণ সম্পাদক হতাশ হয়ে পড়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা