kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পাল্টা অভিযোগ কোয়াবের

২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাল্টা অভিযোগ কোয়াবের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ধর্মঘটে যাওয়া ক্রিকেটারদের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সংস্থা কোয়াবের (ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সমর্থন কখনোই পান না তাঁরা। যদিও পাল্টা অভিযোগ ঠুকেছেন এই সংস্থার সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পালও। বিশেষ করে তাঁর অভিযোগ জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের নিয়েই।

এমনকি তাঁদের দরজায় কড়া নেড়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের নিরাশ হয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনাও তুলে ধরেছেন এই সাবেক পেসার, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের অনেক বিষয়েই আমরা ডেকেছি। কিন্তু আমরা ওদের সমর্থন পাইনি। আমি এ রকমও বলতে পারি, জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা অনেক ক্ষেত্রেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের দাবি-দাওয়াকে উপেক্ষা করেছে।’ আজ সেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদেরই তারকা খেলোয়াড়দের ছায়ায় প্রতিবাদে নামার ব্যাপারটিও তাই ভালো চোখে দেখতে পারছেন না কোয়াব সাধারণ সম্পাদক, ‘‘আজকে ওরা খেলা বন্ধ করেছে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজ’ বন্ধ করার দাবিতে তিন বছর আগে আমরা যখন ১২০ জন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার নিয়ে বাংলাদেশ দলের ড্রেসিংরুমে গিয়েছিলাম, তখন কিন্তু জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা আমাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেননি। ওরা শুধু নিজেদের লাভ দেখেছিল। এরপর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদেরও জাতীয় খেলোয়াড়দের ওপর থেকে আস্থা কমে গিয়েছিল। এখন কোন এক ইস্যুতে তারা এ রকম করছে, এটি প্রশ্নবিদ্ধ ব্যাপার।’’

বছর তিনেক আগে তারকা ক্রিকেটারদের কেউ কেউ ‘গাছে তুলে মই সরিয়ে নেওয়া’র মতো কাণ্ড করেছিলেন বলেও অভিযোগ দেবব্রতর, ‘‘জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের পরামর্শেই তিন বছর আগে আমরা ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজ’-এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলাম। কিন্তু পরে পিছটান দেয় তারা। সবাই নয়, যার সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করার কথা ছিল, সে পিছটান দেয়। এরপর আমরা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের নিয়ে ড্রেসিংরুমে গেলে এক সিনিয়র ক্রিকেটার সম্পূর্ণ এড়িয়ে যায় আমাদের। কালকের (আজ) সংবাদ সম্মেলনে সবই বলব।’ সম্প্রতি লন্ডনে অনুষ্ঠিত ফেডারেশন ফর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ফিকা) সভায় যোগ দেওয়া দেবব্রতর প্রশ্ন, ‘এই সভাতেই ফিকার উপদেষ্টা হিসেবে আমরা সাকিবের নাম প্রস্তাব করে এসেছি। দূরত্ব থাকলে এটি করলাম কী করে?’

কোয়াব সভাপতি নাঈমুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি করা নাঈম ইসলামের বক্তব্যের জবাবও দিয়েছেন দেবব্রত, ‘সব শেষ প্রিমিয়ার লিগে নাঈমের টাকা বাড়ানো হয়েছে। ও সবসময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। শুধু সে নয়, ২২-২৫ জন খেলোয়াড়ের টাকা বেড়েছিল। নাঈম প্রতিটি বিষয়েই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। সব শেষ সে যোগাযোগ করেছিল গত প্রিমিয়ার লিগের সময়। ওর টাকা যেন বাড়ানো হয়। সেটি বেড়েছে। আমাদের সঙ্গে যারা যোগাযোগ করেছে, সবার টাকা বেড়েছে। যারা যোগাযোগ করেনি, বেড়েছে তাদেরও।’ ১১ দফা দাবির কিছু কিছু নিয়ে ইতিমধ্যেই কোয়াব কাজ করছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি, ‘দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আমরা কিন্তু ইতিমধ্যে কাজ করছিলাম। যে দাবি-দাওয়াগুলো তারা দিয়েছে, সেগুলো একদম নতুন না। অনেক পুরনো দাবি। এগুলো একদম শেষ পর্যায়ে আছে। গত পরশু দিনও (শনিবার) বোর্ড প্রতিনিধির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। পরের বোর্ড মিটিংয়েই হয়তো এগুলো পাস হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে জাতীয় লিগের ম্যাচ ফির টাকা ২০ ভাগ বাড়ানো হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা