kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

লিটনের পর নাঈমের শতরান

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



লিটনের পর নাঈমের শতরান

গিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ খেলতে। তাই জাতীয় লিগের প্রথম রাউন্ডে খেলতে পারেননি। ক্যারিবিয়ান থেকে চট্টগ্রাম, সাদা থেকে লাল বল; পরিবর্তনই বোধ হয় ফর্মটা ফিরিয়ে দিল লিটন কুমার দাসকে। আফগানিস্তানের সঙ্গে টেস্ট এবং ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে শুরু করে সিপিএলে জ্যামাইকার হয়ে দুটি ম্যাচ, কোথাও কোনো হাফসেঞ্চুরিও ছিল না। জাতীয় লিগে খেলতে নেমে প্রথম ইনিংসেই লিটনের ব্যাটে দেখা গেল ১২২ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস। ঢাকার প্রথম ইনিংসে করা ৫৫৬ রানের জবাবে লিটন ও নাঈম ইসলামের সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে রংপুরের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩৩৪ রান। ১২৪ রানে অপরাজিত নাঈম, ৫২ রানে অপরাজিত তানভীর হায়দার। খুলনায় রাজশাহীর বিপক্ষে জয় দেখছে স্বাগতিক খুলনা। শেষ দিনে জয়ের জন্য খুলনার দরকার মাত্র ১০৮ রান, হাতে ৯ উইকেট। ফতুল্লায় বরিশালের বিপক্ষে চট্টগ্রামের লিড ১৯০ রানের, হাতে ৯ উইকেট আর বগুড়ায় সিলেটের বিপক্ষে ১৫২ রানে এগিয়ে ঢাকা মেট্রো।

ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বরাবরই সফল লিটন। জাতীয় লিগে নিজের সব শেষ ম্যাচে আছে ডাবল সেঞ্চুরি, বিসিএলেও সেঞ্চুরি আছে ছয়টি। কিন্তু জাতীয় দলে এই সামর্থ্যের খুব সামান্যই টেনে নিতে পেরেছেন লিটন। তবু কেন নির্বাচকরা আস্থা রেখেছেন তাঁর ওপর, তার প্রমাণ লিটনের এই ইনিংস। প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তৃতীয় দিনের উইকেটে মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই শতরান তুলে নেওয়াটা কম কৃতিত্বের নয়। তাও আবার যখন ৪৪ রানে দলের ২ উইকেট নেই। নাঈমের সঙ্গে লিটনের জুটি ১৫৪ রানের। সুমন খানের বলে ক্যাচ দিয়ে ২২ বাউন্ডারিতে ২৪২ বলে ১২২ রান করার পর লিটন ফিরলেও টিকে আছেন নাইম। ২৯৬ বলে ১ ছক্কা আর ১২ বাউন্ডারিতে এই রান করেছেন নাঈম, সঙ্গে তানভীরের ৫২ রানে তৃতীয় দিন শেষে রংপুরের রান ৫ উইকেট ৩৩৪। যদিও এখনো ঢাকা তাদের চেয়ে ২২২ রানে এগিয়ে। ম্যাচের ভাগ্যে তাই ড্র-ই লেখা।

ফল হতে পারে খুলনায়। রাজশাহীকে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৭০ রানে অল আউট করে দিয়েছে খুলনা। ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক ও আল-আমিন হোসেন। জোড়া শিকার মুস্তাফিজুর রহমানের। দিনের শেষে ৩ ওভার ব্যাট করেছে খুলনা, তাতে ১৫ রান তুলতেই অবশ্য আনামুল হকের উইকেট হারিয়েছে তারা।

ফল আসতে পারে ফতুল্লাতেও। চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংসের জবাবে বরিশাল অল আউট ২১৬ রানে। ৪ উইকেট নাঈম হাসানের। দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটে ৫০ রান তুলেছে চট্টগ্রাম, ৯ উইকেট হাতে তাদের লিড ১৯০ রানের। শেষ দিনে আগে দান ছেড়ে একটা ঝুঁকি নিতেই পারেন মমিনুল। বগুড়ায় সিলেটের বিপক্ষে ঢাকা মেট্রো দ্বিতীয় ইনিংসে এগিয়ে আছে ১৫২ রানে। সেঞ্চুরি থেকে ৫ রান দূরে মাহমুদ উল্লাহ, অপরাজিত আছেন ৯৫ রানে। দলের রান ৬ উইকেটে ২২৫। তার আগে সিলেট অল আউট হয়েছে ৩১৯ রানে।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ঢাকা : ৫৫৬/৮ ডিক্লে। রংপুর : ৩৩৪/৫ (নাঈম ব্যাটিং ১২৪, লিটন ১২২)।

চট্টগ্রাম : ৩৫৬ ও ৫০/১ (পিনাক ব্যাটিং ৩০)। বরিশাল  : ২১৬।

ঢাকা মেট্রো : ২৪৬ ও ২২৫/৬ (মাহমুদ ৯৫ ব্যাটিং)। সিলেট :  ৩১৯।

খুলনা : ৩০৯ ও ১৫/১ (কায়েস ব্যাটিং ১১)। রাজশাহী : ২৬১ ও ১৭০।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা