kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সাইফের ডাবল সেঞ্চুরি

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



সাইফের ডাবল সেঞ্চুরি

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রানের উৎসব তাঁর ব্যাটে। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কার ‘এ’ দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচেই সেঞ্চুরি করে এলেন দ্বীপদেশ থেকে। ফিরে জাতীয় ক্রিকেট লিগের নেমে প্রথম দিনই সেঞ্চুরি। সেখানেই থেমে থাকেননি। কাল ঢাকার ইনিংস শেষে তিনি অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরি করে। সাইফ হাসানের ব্যাটে এখন সত্যিই বসন্ত।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ম্যাচে ঢাকা ইনিংস ঘোষণা করেছে ৮ উইকেটে ৫৫৬ রানে। জবাবে দিন শেষে ২ উইকেটে ৭১ রান রংপুরের। ফিফটি করে অপরাজিত আছেন লিটন দাস।

প্রথম দিনে ১২০ রান করে অসুস্থতার কারণে মাঠ ছাড়েন সাইফ। কাল ফিরে নিজের সেঞ্চুরিকে রূপান্তর করেন ডাবল সেঞ্চুরিতে। দেড় শ পেরোনোর পর অবশ্য ক্যাচ দিয়েছিলেন; কিন্তু রংপুর সে সুযোগ নিতে পারেনি। উল্টো সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন সাইফ। ৩২৯ বলে ১৯টি চার এবং চারটি ছক্কায় ২২০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। অধিনায়ক নাদিফ চৌধুরী আট নম্বরে নেমে করেন ফিফটি। সাড়ে পাঁচ শ পেরিয়ে তাই ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা। এরপর দ্রুত রংপুর ২ উইকেট হারালেও সিপিএল ফেরত লিটনের ব্যাটে দেখা যায় আস্থা।

জাতীয় লিগের প্রথম স্তরের আরেক ম্যাচে ইমরুল কায়েসের সঙ্গী আফসোস। প্রথম দিন রাজশাহীকে ২৬১ রানে অল আউট করার পর কাল ব্যাটিংয়ে নামে খুলনা। ৬ উইকেটে ২২৭ রানে শেষ করেছে দ্বিতীয় দিন। তাতে সাত রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত ইমরুল। আগের রাউন্ডে অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরি করা এই বাঁহাতির আরো দুর্ভাগ্য, রান আউট হয়েছেন তিনি। আর ভারত সফরের টি-টোয়েন্টি দলে বিস্ময়করভাবে ডাক পাওয়া সৌম্য সরকার তা ‘উদ্‌যাপন’ করেছেন ‘ডাক’ মেরে। পাঁচ বলে শূন্য রান করে আউট হয়ে যান এ বাঁহাতি।

ফতুল্লায় দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচেও ছিল ইমরুলের মতো হাহাকারের গল্প। বরিশালের বিপক্ষে চিটাগং দিন শুরু করে ৪ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে। মাহিদুল ইসলাম ৬৯ এবং ইয়াসির আলী ৬৮ রানে থাকায় পাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির সৌরভ। কিন্তু কাল তিন অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি কেউ। মাহিদুল ৯১ এবং ইয়াসির ৭০ রানে আউট হন। ৩৫৬ রানে অল আউট হয় চিটাগং। দিন শেষে ৪ উইকেটে ১০৪ রান বরিশালের।

জাতীয় লিগের আরেক ম্যাচে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৭৩ রানের লিড নিয়েছে সিলেট। ২৪৬ রানের জবাব দেয় ৩১৯ রানে। জাকের আলী এবং জাকির হাসান দুজনই করেন ৭১ রান। এ ছাড়া পঞ্চাশ পেরোনো ইনিংস তৌফিক খান (৬১) এবং অলক কাপালির (৫৪)। ঢাকা মেট্রোর পেসার আবু হায়দার নেন ৫ উইকেট।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

(দ্বিতীয় দিন শেষে)

ঢাকা-রংপুর : ঢাকা : ১৬০ ওভারে ৫৫৬/৮ ডিক্লে. (সাইফ ২২০*, রনি ৬৫, নাদিফ ৬১, রকিবুল ৫৭; সঞ্জিত ৩/৮৯, সোহরাওয়ার্দি ৩/১৩৪)। রংপুর : ১৮ ওভারে ৭১/২ (লিটন ৫১*; সালাউদ্দিন ২/১৬)।

খুলনা-রাজশাহী : রাজশাহী : ৮৫.৩ ওভারে ২৬১। খুলনা : ৯০ ওভারে ২২৭/৬ (ইমরুল ৯৩, তুষার ৪৩; শফিউল ২/৫৫, তাইজুল ২/৭৫)।

চিটাগং-বরিশাল : চিটাগং : ১৩৪.৩ ওভারে ৩৫৬ (মাহিদুল ৯১, ইয়াসির ৭০, ইরফান ৫৭, মাসুম ৫০; মনির ৪/৯৯, মোসাদ্দেক ২/২৯)। বরিশাল : ৪৩ ওভারে ১০৪/৪ (রাফসান ৪৯; নাঈম ২/২৩)।

ঢাকা মেট্রো-সিলেট : ঢাকা মেট্রো : ২৪৬ এবং ৭ ওভারে ৯/০ (নাঈম ৮*)। সিলেট : ৮৪.৫ ওভারে ৩১৯ (জাকের ৭১, জাকির ৭১, তৌফিক ৬১, কাপালি ৫৪; আবু হায়দার ৫/৫৫, শহিদুল ৩/৪৮)।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা