kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আমি দিনের আলোতেই খেলি, অন্ধকারে নয়

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১১ মিনিটে



আমি দিনের আলোতেই খেলি, অন্ধকারে নয়

প্রশ্ন : মহেন্দ্র সিং ধোনি একবার বলেছিলেন, ভারতীয় ক্রিকেটের যেকোনো খারাপ কিছুর সঙ্গেই মানুষ তাঁর নামটি জুড়ে দেয়। গত কয়েক বছরে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সাধারণ্যে যা হয়েছে আপনাকে নিয়ে, তাতে আপনার নিজের ক্ষেত্রেও সে ব্যাপারটিই ঘটেছে বলে মনে করেন কি?

খালেদ মাহমুদ : প্রথমেই বলি আমি মহেন্দ্র সিং ধোনি না। এত বড় ক্রিকেটার আমি কোনো সময়ই ছিলাম না। ধোনি ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য যা করেছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য হয়তো আমি এমন কিছুই করিনি। তার পরও মাঠে আমার ভালো করার ইচ্ছেটা অনেক বেশি থাকত। আমি মাঠে খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ছিলাম। টেকনিক্যালি এমন ভালো ব্যাটসম্যান ছিলাম না। বল হাতেও অত জোরে বোলিং করতাম না বা কিছুই না। তবে আমার মধ্যে লড়াকু মেজাজ ছিল। ছিল লড়াই করার সামর্থ্যও। হয়তো সে জন্যই একদিন আমি বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্বও দিয়েছি।

প্রশ্ন : ১৯৯৯-এর বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারানোর নায়ক আপনি। যদিও সাফল্যের চেয়ে আপনাকে নিয়ে এখন অন্য কিছুর চর্চাই বেশি হয় বলে মনে করেন কি?

মাহমুদ : আপনি যে প্রশ্নটি করলেন, অনেক সময় অনেক গুজব ও অসত্য কথা আসে। শুনে খারাপও লাগে। এটিও বলতে চাই না যে আমারও ভুল হয় না। আমারও অন্যায় থাকতে পারে। আমি তো আর ফেরেশতা নই। অনেক সময় খারাপ কথা শুনে তর্কের মধ্যে চলে যাই। এখন নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি। কারণ জানি এ দেশে এসব করে লাভ নেই। আমার কথা কেউই শুনবে না। তাই কিছু বলতেও চাই না এখন।

প্রশ্ন : ওই যে বললাম, নেতিবাচক বিষয়েই মূলত আপনাকে টেনে আনা হয়। এত কিছুর পরও চুপ থাকবেন, নাকি কিছু বলবেন?

মাহমুদ : আপনি প্রশ্ন করলেন বলেই বলছি, অনেক সময় অনেক কথা আমাকে নিয়ে আসে। বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে কোনো বিতর্ক হলেও সেটিতে আমাকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ওখানে নাকি আমার হাত! আমার কেন হাত? লোকের চোখে আমার অন্যায়ের তো শেষ নেই। এই যেমন ফেসবুকে এমন খবরও চালু আছে, ক্রিকেট বোর্ডের বিভিন্ন কমিটিতে থেকে নাকি আমি বহু টাকা পাই।

প্রশ্ন : সে প্রসঙ্গে আরো পরে আসছি। এর আগে জানতে চাই, এত খারাপ কিছুর সঙ্গে নিজের নাম জুড়ে যেতে দেখলে ভেতরে ভেতরে কতটা দহন হয়?

মাহমুদ : সত্যিই খুব খারাপ লাগে। ক্রিকেটের জন্য এত কিছু করি তবু লোকে কেন এসব বলে, বুঝি না। আমি কিন্তু বোর্ডের সেই পরিচালক না, যে কিনা পদ নিয়েই আছে। আমি আসি এবং কাজ করি। আমার ডেভেলপমেন্ট কমিটির সব কিছুরই খোঁজ রাখি আমি। জানি না কেন আমার নামটি খারাপ কিছুর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। তবে মানুষের মুখ তো আর বন্ধ করতে পারব না। একসময় উত্তেজিত হয়ে যেতাম। এখন মাথাই ঘামাই না। মাথা গরমও করি না।

প্রশ্ন : সত্যিই তাই?

মাহমুদ : নিজেকে সামলানো কঠিন অবশ্য। যখন দেখি অনেকের ভুলকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়; কিন্তু আমার ছোট্ট একটি ভুলও অনেক বড় করে দেখা হয়। এবং সেটি হয় ক্ষমাহীন। জানি না কেন আমাকে নিয়েই এ রকম হয়! তার পরও ক্রিকেটের ভালোর জন্য চেষ্টায় কমতি নেই আমার। আমি তরুণ ক্রিকেটারদের তুলে আনতে চাই। আপনারা খোঁজ নিলে জানতে পারবেন, আমি এ পর্যন্ত কত ছেলেকে বিভিন্ন পর্যায়ে খেলার সুযোগ করে দিয়েছি। এ বছরও আমি ৭০-৮০ জন ছেলেকে বিভিন্ন পর্যায়ে খেলার পথ করে দিয়েছি।

প্রশ্ন : ২০০৩ সালে অধিনায়ক হওয়ার পর আপনার সিদ্ধেশ্বরীর বাসায় গিয়ে সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। তখন বলা আপনার একটি কথা এখনো মনে আছে, ‘আমি খুবই আন্ডাররেটেড একজন ক্রিকেটার।’ এত বছর পর সোশ্যাল মিডিয়া ট্রলিংয়ের পর কি মনে হচ্ছে যে এখন আপনার ব্যাপারগুলো একটু ‘ওভাররেটেড’ হয়ে যাচ্ছে?

অনেক অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। কিছুতে সত্যতা আছে, কিছু আবার শুধুই ধারণাপ্রসূত। এ সব কিছু নিয়েই খালেদ মাহমুদের মুখোমুখি মাসুদ পারভেজ। আর মাহমুদ নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন প্রতিটি বিতর্কিত ইস্যুতেই।

মাহমুদ : (হাসি...) ‘আন্ডাররেটেড’ খেলোয়াড় ছিলাম; কিন্তু এখন ‘ওভাররেটেড’। সব কিছুতে আমার সম্পৃক্ততা খুঁজে বের করা হয়। অথচ আমি বিসিবিতে শুধুই একটি কমিটির চেয়ারম্যান। লোকের কথায় কখনো কখনো মনে হয় বোর্ডই ছেড়ে দিই। ক্রিকেট আমার নেশা এবং পেশা হওয়ায় এটি আমি ছাড়তে পারব না। তবে বোর্ড অবশ্যই ছাড়তে পারব।

প্রশ্ন : সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু নামও দেওয়া হয়েছে আপনার। যেমন ‘গদা খামাসু’ বা ‘গতি দানব খালেদ মাহমুদ সুজন’! নিজের এমন সব নাম শুনে কষ্ট পান কতটা?

মাহমুদ : ওই যে বললাম এসব নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সবার আগে বলি, আমার ফেসবুক আইডি নেই। তবে এর-ওর মাধ্যমে খবর চলেই আসে। ব্যথিত হওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করার আছে আমার? এত সমালোচনার পরও আমি এই ভেবে সন্তুষ্ট যে ক্রিকেটার খালেদ মাহমুদ মুদ্রার অন্য পিঠও কিন্তু দেখে।

প্রশ্ন : কেমন সেটি?

মাহমুদ : দেশে-বিদেশে, বাস-ট্রেন-প্লেনে এমন কত মানুষের সঙ্গে দেখা হয়, যাঁরা ছুটে এসে বলেন, ‘ভাই, আপনার খেলা খুব ভালো লাগত। আপনি কখনো খেলা ছেড়ে দিতেন না। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যেতেন।’ এ জন্যই বললাম, মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ দুটোই আছে। তবে মাঝেমধ্যে ভেবে খুব হতাশ হই যে আমি তাহলে এত বছরে কী করলাম! ১৩ বছর বয়স থেকে আমি ক্রিকেট খেলি। আজকে ৪৮ বছর। মানে ৩৫ বছরের ক্রিকেট জীবন আমার। যখন বাজে কথা শুনি, তখন মনটা খারাপ হয়ে যায়। আবার অচেনা কারো মুখে প্রশংসায় মনটা ভালোও হয়ে যায়। তখন ভাবি, বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আমার কষ্ট সার্থক।

প্রশ্ন : প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিজের বুক পেতে দেওয়ার অনেক ঘটনা আপনার আছে বলে জানি। সে রকমই দু-একটির কথা বলুন না।

মাহমুদ : ওয়েলিংটনের কথাই বলি। যেটিকে প্রচণ্ড বাতাসের জন্য বলা হয় ‘উইন্ডি ওয়েলিংটন’। সেখানে বাতাসের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলের কেউ বল করতে চায় না। ওই পরিস্থিতিতে আমিই হাত উঠিয়ে বলেছি, ‘আই উইল গো।’ টানা ১২ ওভারের স্পেলও করেছি (২০০১-এর ডিসেম্বরে ওয়েলিংটন টেস্ট)। আমার এমন ত্যাগগুলো আসলে কেউই দেখেনি।

প্রশ্ন : কিন্তু নেতিবাচক প্রচারণার বড় প্রভাবও তো আছে। অনেকে এসবকে সত্যি বলে ভাবতেও শুরু করে। মিরপুর একাডেমি মাঠের একটি ঘটনাও জানি।

মাহমুদ : হ্যাঁ, প্রভাব তো আছেই। বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম তো আমার খেলা দেখেনি। ওরাই বেশি প্রভাবিত হয়। একাডেমি মাঠের ঘটনার কথাই বলি। সম্ভবত পেশায় নতুন আসা এক তরুণ সাংবাদিক প্রশ্নই শুরু করলেন এভাবে, ‘আপনাকে তো গতি দানব বলা হয়...।’ বিরক্ত হয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গেই ওকে থামিয়ে দিই। ধমকও দিই। আজকে যদি আফগানিস্তান টেস্ট ম্যাচে ম্যানেজার আমি থাকতাম, তাহলে বোধ হয় আমার জাত চলে যেত! সৌভাগ্য যে এই সিরিজের ম্যানেজার আমি হতে চাইনি।

প্রশ্ন : প্রসঙ্গক্রমে আরেকটি বিষয় আনতেই হচ্ছে। ‘গদা’ কিন্তু শুধু ‘গতি দানব’ই নয়, সেটি দিয়ে আপনাকে ‘গদি দানব’ও বলা হয়। মানে আপনি অনেক পদ নিয়েও বসে আছেন...

মাহমুদ : মানুষের এই ভুল ধারণাও ভাঙানো দরকার। আকরাম (খান) ভাইয়ের সঙ্গে তুলনায় গেলে দেখবেন আমরা দুজনই তিনটি করে পদে আছি। এ ছাড়া আমি মাঝেমধ্যে কিছু সময়ের জন্য ম্যানেজার হই। এই তো! কিন্তু এর সবই থ্যাংকলেস জব। অনেকবারই ছেড়ে দিতে চেয়েছি; কিন্তু পাপন ভাই (বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান) আমাকে কিছু বললে আমি না করতে পারি না। কারণ আমি সব সময় মনে করি উনি আমার অধিনায়ক। অধিনায়ক বোলিং দিলে আমার কখনোই বলা উচিত নয় যে আমি বল করব না।

প্রশ্ন : আপনি যে আবার কোচিংও করান এমন দুটি দলের, যাদের হর্তাকর্তা বিসিবির শীর্ষ মহলই। এ কারণেই ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’-এর উদাহরণ হিসেবেও আপনি এসে যান।

মাহমুদ : কোচিং তো আমার পেশা। এটা আমি করাবো না?

প্রশ্ন : যা-ই করছেন, সবই দৃশ্যমান। আবার এমন অনেক পরিচালকও আছেন, যাঁদের বোর্ডের সঙ্গে বিভিন্ন রকমের ব্যবসাও আছে। যেগুলো দৃশ্যমান নয়। কখনো কি মনে হয়েছে যে আপনারগুলো দৃশ্যমান বলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনাকে শূলে চড়ানো হচ্ছে বেশি?

মাহমুদ : একটি কথাই বলতে পারি, আমি দিনের আলোতেই খেলি, অন্ধকারে নয়। সূর্য উঠলে পরেই ক্রিকেট খেলা শুরু হয়। আর অন্ধকার হলেও ফ্লাডলাইট জ্বলে। ঢাকা ডায়নামাইটসে কাজ করা সমস্যা তো? আমার মূল চাকরিই তো বেক্সিমকো গ্রুপে। এ গ্রুপটিই আবার আবাহনীর ক্রিকেট দলেরও প্রধান পৃষ্ঠপোষক। কাজেই দুই জায়গায়ই কাজ করতে হয় আমাকে। আর পরিচালকের চেয়ে কোচ হিসেবেই আমি বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আরো বেশি দিতে পারব। এ দুইয়ের মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে বললে আমি অবশ্যই কোচিং নেব। এটিই আমার নেশা এবং পেশাও। মাঠে থাকতেই আমার ভালো লাগে। এখনো রাজশাহীতে আমি একটি একাডেমিতে (বাংলা ক্যাট) মাসে ১২ দিন কাজ করি। সকাল ৯টায় ঢুকে সন্ধ্যায় ৬টায় বের হই। এখনো আমি রোদে পুড়তে রাজি আছি, কষ্ট করতে রাজি আছি। যারা বাজে কথা বলে, তারা এই কষ্টের কথা জানে না। আমার এক বন্ধু জানালো, ফেসবুকে নাকি এমন একটি ব্যাপার খুব চলছে যে আমি বোর্ড থেকে মাসে ৩০ লাখ টাকার ওপরে বেতন পাই। দুই কোটি টাকা দামের গাড়িতে চড়ি।

প্রশ্ন : এই সুযোগে একেবারে সত্যি ব্যাপারটিও সবাইকে জানিয়ে দেন না।

মাহমুদ : ৩০ লাখ টাকা পেলে তো আমি কোচিং করাতাম না ভাই। এত টাকা বেতন পেলে রাজশাহীতে সারা দিন আমার রোদে পোড়ার কোনো দরকার আছে নাকি? গাড়ির ব্যাপারটি বলে দিই। আমি চড়ি ৪০ লাখ টাকার একটি হুন্দাই গাড়িতে। আগের গাড়ি বিক্রি করে ও ব্যাংক লোন নিয়ে অনেক কষ্ট করে কিনেছি। দুই কোটি টাকার গাড়ি হলে তো এখন বিএমডাব্লিউ বা জাগুয়ারেই চড়তাম। ৩০ লাখ টাকা বেতন পেলে আমি অবশ্যই কোচিং করাতাম না। বাসায় শুয়ে থাকতাম।

প্রশ্ন : ক্যাসিনোকাণ্ডে যুব লীগের খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গ্রেপ্তার হলেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় জেমস বন্ড সিরিজের রয়াল ক্যাসিনো মুভির পোস্টারে আপনার মুখ সেঁটে ছেড়ে দেওয়া হলো। এ ঘটনায় অবশ্য আপনার কয়েকবার ক্যাসিনোতে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার যোগসূত্র আছে।

মাহমুদ : (হাসি...) এখন আমি কী করব? আগেও বলেছি, আমার ভুল হতে পারে। এমন নয় যে আমি প্রতিদিন ক্যাসিনো খেলে বেড়াই। কখনো কখনো আমি ক্যাসিনোতে গিয়েছিও। এ রকম আরো অনেকেই যায়। এটি আমার অন্যায় হতে পারে। শখে কখনো কখনো পরিবার নিয়েও গিয়েছি।

প্রশ্ন : বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কা সফরে ক্যাসিনোতে যাওয়া নিশ্চয়ই শখে নয়?

মাহমুদ : এটিও স্পষ্ট করা দরকার। আমি গিয়েছিলাম কাজে। কাজ বলতে আমার কিছু বন্ধুবান্ধব গিয়েছিল খেলা দেখতে। টিকিট চেয়েছিল আমার কাছে; কিন্তু টিম হোটেলে এত কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা যে ওরা আসতেই চায়নি। তাই আমিই গিয়ে দিয়ে আসি। মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য গিয়েছিলাম। তাতেই এত ঘটনা! আমার প্রশ্ন, যিনি ভিডিওটি করেছেন, তিনি কেন আমার ক্যাসিনো খেলার ভিডিও দেননি? আমি খেললে নিশ্চয়ই সেটিও তাঁর পক্ষে দেওয়া সম্ভব ছিল। ওই লোকটি অত্যন্ত অন্যায় কাজ করেছেন।

প্রশ্ন : ২০১৫ বিশ্বকাপের সময়ও তো আপনার ক্যাসিনোতে যাওয়া নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল।

মাহমুদ : সেই সময়ও এর উত্তর দিয়েছি। আবারও দিচ্ছি। মেলবোর্নের ওই জায়গাটায় কোথাও যেতে হলে ক্যাসিনোর ভেতর দিয়েই যেতে হয়। আমরা কয়েকজন যাচ্ছিলাম খেতে। আবারও জিজ্ঞেস করি, আমার ক্যাসিনো খেলার ভিডিও কেউ দিতে পারে না কেন? এই প্রযুক্তির যুগে সেটি তো খুবই সম্ভব।

প্রশ্ন : অবশ্য বিসিবি পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়ার পর বোধ হয় আপনার ওপর থেকে এ বিষয়ক চাপ কিছুটা কমেছে!

মাহমুদ : হা হা হা...হো হো হো।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা