kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আফগান ব্যর্থতার শাস্তি

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : আসন্ন বিপিএলে পারিশ্রমিক কমছে ক্রিকেটারদের। তবে সবার নয়, কারো কারো। এই ‘কারো কারো’র মধ্যে পড়ে যাচ্ছেন মূলত জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাই। যেটিকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও বলা যেতে পারে। কারণ সংশ্লিষ্টদের আলোচনায় শীর্ষ তারকা থেকে শুরু করে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক কমানোর যুক্তি হিসেবে আফগানিস্তানের কাছে টেস্টে জঘন্য হারকেই দাঁড় করানো হয়েছে।

যদিও আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে কেউই সে রকম কিছু বলছেন না। কাল বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানও পারিশ্রমিক কিছুটা কমবে বলে নিশ্চিত করেছেন, ‘এবার যেহেতু ফ্র্যাঞ্চাইজি থাকছে না, তাই পারিশ্রমিকও আগের মতো অত বেশি হবে না। একটু কম হবে।’ কত কম? সেটি এখনই জানাতে নারাজ নাজমুল। তবে বিসিবিরই এক পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিশ্চিত করেছেন পারিশ্রমিক কমার খড়্গ নামছে শুধু জাতীয় ক্রিকেটারদেরই ওপর, ‘জাতীয় দলে খেলে না, এমন ক্রিকেটারদের গড়া ক্যাটাগরিতে পারিশ্রমিক কমছে না। তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে জাতীয় ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক কমানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবং তাতে প্রায় সবারই সায় আছে।’

জাতীয় ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে কিছুটা কঠোরতার নীতি অবলম্বন করলেও স্থানীয় কোচদের বিষয়ে বিসিবি এবার কিছুটা নমনীয় বলেই মনে হয়েছে নাজমুলের কথায়। ৩৮ জন বিদেশি হেড কোচ হতে চেয়ে আবেদন করেছেন বলে জানানো এই ক্রিকেট প্রশাসক স্থানীয়দের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। একই দিনে অবশ্য দুজন স্থানীয় কোচের শাস্তিও জুটেছে। এঁরা হলেন ঢাকার জাহাঙ্গীর আলম ও রংপুরের মাসুদ পারভেজ রাজন। তাঁদের অপরাধ হলো বিসিবির নির্দেশনা সত্ত্বেও নিজ নিজ দলের লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন ও রিশাদ হোসেনকে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম দুই রাউন্ডে না খেলানো। নাজমুল তাঁদের ‘তলব’ করার কথা বললেও পরে জানা গেছে, ওই দুই কোচকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতিই দিয়ে ফেলা হয়েছে। তাঁদের জায়গা নিচ্ছেন যথাক্রমে মোহাম্মদ সেলিম ও জাফরুল এহসান। এই সিদ্ধান্তেই পরিষ্কার যে এবার লেগ স্পিনার তৈরিতে উঠে-পড়ে লেগেছে বিসিবি। ফিটনেসের বিষয়েও আরো কঠোর নীতি অবলম্বন করার কথা বলেছেন নাজমুল, ‘এখন থেকে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগও ফিটনেস পরীক্ষা দিয়ে খেলতে হবে ক্রিকেটারদের।’ এনসিএলের আগে সেই পরীক্ষা হয়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। সেসব জায়গার পরীক্ষা নিয়ে কানাঘুষা থাকায় এই সিদ্ধান্তও হয়েছে যে, ‘এখন থেকে সবার ফিটনেস পরীক্ষা ঢাকাতেই হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা