kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

কষ্ট থেকে আনন্দটাই বেশি

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কষ্ট থেকে আনন্দটাই বেশি

বঙ্গমাতা এশিয়ান সিনিয়র উইমেনস সেন্ট্রাল জোন আন্তর্জাতিক ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপ দিয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে মেয়েদের জাতীয় ভলিবল দলের। এর আগে মেয়েদের কোনো জাতীয় দল অংশ নেয়নি আন্তর্জাতিক ভলিবল প্রতিযোগিতায়। সেই দলের সহ-অধিনায়ক শিব্বি খানমের কাছে প্রস্তুতি ও সম্ভাবনার কথা শুনেছে কালের কণ্ঠ স্পোর্টস

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ভলিবলের প্রতি আগ্রহটা জন্মাল কিভাবে?

শিব্বি খানম : আমার বাবা ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন। বাবার খুব আগ্রহ ছিল তাঁর ছেলে-মেয়েদের কেউ একজন খেলাধুলায় আসবে। মা-বাবার খুব সহায়তা পেয়েছি। তাঁদের সাহায্য ছাড়া এত দূর আসতে পারতাম না।

প্রশ্ন : মেয়েদের ফুটবল বয়সভিত্তিক পর্যায়ে বেশ ভালো করছে, মেয়েরা ক্রিকেটে এশিয়া কাপও জিতেছে। ফুটবল ক্রিকেটের বদলে ভলিবলে কিভাবে এলেন?

শিব্বি : আমার স্কুলের যে ফিজিক্যাল এডুকেশন শিক্ষক ছিলেন, উনিই আমাকে ভলিবলে নিয়ে আসেন। উনিই আমাকে একদিন রাজশাহীর খন্দকার মমিনুর রশিদ বাবুর কাছে নিয়ে যান, উনি ছিলেন ভলিবলের কোচ। আমার উচ্চতা দেখে আমাকে খুব বেশি পছন্দ করলেন। উনার কাছেই খেলাটা শেখা।

প্রশ্ন : উন্মুক্ত ট্রায়ালের মাধ্যমে তো দলটা গড়া হয়েছে। ট্রায়ালের খবর কোথায় পেয়েছিলেন?

শিব্বি : ফেডারেশন থেকে প্রথমে রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থায় চিঠি যায়। এরপর জেলা পর্যায় থেকে আমরা যারা জেলা দলে বা বিভাগীয় পর্যায়ে খেলি তাদের ডাকা হয় ট্রায়ালে। শুনলাম দীর্ঘদিন পর মেয়েদের একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের জন্য ট্রায়াল হবে, এশিয়ান প্রতিযোগিতা হবে সেটা শুনে খুব ভালো লাগল। এলাম ট্রায়ালে। সাতজন ছিলাম ট্রায়ালে, রাজশাহী থেকে সাতজনই পরের পর্বের জন্য নির্বাচিত হই, এখন পর্যন্ত আছি।

প্রশ্ন : পরিবার ছেড়ে ক্যাম্পে থাকতে কেমন লাগছে?

শিব্বি : কষ্ট তো হচ্ছেই, তবে তার চেয়ে বেশি আনন্দিত প্রথম ভলিবল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার দলে আছি। দেশের বাইরে যাচ্ছি। কষ্ট থেকে আনন্দটাই বেশি।

প্রশ্ন : অনুশীলন ও প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে?

শিব্বি : কাছাকাছি তিন মাস হয় এশিয়ান টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ক্যাম্প চলছে। আমাদের কোচেরা অনেক সহযোগিতা করছেন, অনেক কিছু শেখাচ্ছেন। আমরাও অনেক কিছু শেখার চেষ্টা করছি। আশা করি ভালো কিছু করতে পারব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা