kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

উন্নতি দেখছেন কলিনদ্রেস-ব্রুজনও

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



উন্নতি দেখছেন কলিনদ্রেস-ব্রুজনও

ক্রীড়া প্রতিবেদক : কোস্টারিকার হয়ে খেলেছেন বিশ্বকাপ। জানেন চূড়ান্ত পর্বে সুযোগ করে নেওয়া কতটা কঠিন। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে বাংলাদেশ ফুটবল দলের  উজ্জীবিত পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে বসুন্ধরা কিংসের এই ফরোয়ার্ডের। শুধু তা-ই নয়, বসুন্ধরা কিংসের কোচও মনে করেন এভাবে খেললে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে আরো এগিয়ে যাবে লাল-সবুজের দল।

‘বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের নিজেদের ওপর বিশ্বাসটা রাখতে হবে, কারণ তারা অনেক ভালো ফুটবলার। তাদের ভালো রক্ষণভাগের খেলোয়াড় আছে, ভালো মিডফিল্ডার আছে, স্ট্রাইকারও আছে। তারা যদি নিজেদের ওপর আস্থা রাখে, তাহলে তারা ভালো খেলতে পারবে। ভারতের সঙ্গে ম্যাচটি দেখেছি, জয়ের বিশ্বাস থাকলে বাংলাদেশ ম্যাচটি জিততে পারত’, বাছাই পর্বে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ দেখে এমনটাই মনে হয়েছে কলিনদ্রেসের। এই কোস্টারিকানের মনে হয়েছে, আরো ভালো করা সম্ভব ছিল রায়হান-জামালদের পক্ষে, ‘বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি জিততে পারত, কাতারের সঙ্গে ড্রও করতে পারত। তবে এটাও দেশের ফুটবলের জন্য এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া।’ সামনেই শেখ কামাল ক্লাব কাপ, বসুন্ধরা কিংসের কোচ অস্কার ব্রুজন অবশ্য বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নতির চাইতে জাতীয় দলের দায়িত্ব সেরে বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড়রা কে কী অবস্থায় ফিরলেন সেটা দেখতেই বেশি ব্যস্ত, ‘তারা এমন দুটি ম্যাচ খেলে এসেছে যে দুটি ম্যাচ শরীরের সর্বোচ্চ শক্তি নিংড়ে নিয়েছে। আমরা জানি তাদের অনুশীলন সূচি কেমন ছিল, তাদের কাজের ধকল কতটা গিয়েছে। তবে আরেকটি দিক হচ্ছে, তারা সামর্থ্যের সর্বোচ্চ জায়গাটায় আছে। এই টুর্নামেন্টে প্রতি ৪৮ ঘণ্টায় একটি ম্যাচ খেলতে হবে। আশা করি, আমরা দেখাতে পারব কেন বসুন্ধরা কিংস সবার সেরা।’ বাংলাদেশের জাতীয় দল নিয়ে তাঁর মত, ‘দুটি ব্যাপার মিশিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। তবে আমি আশা করব বাংলাদেশ ফিফা র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাবে। এতে করে সবারই ভালো হবে, আমাদের লিগেরও মান বাড়বে। যাঁরা জাতীয় দলের দায়িত্বে আছেন, খুব ভালো করছেন।’ এই স্প্যানিশ কোচের মনোযোগ এখন ক্লাব কাপকে ঘিরেই, ‘প্রথমে ভেবেছিলাম এটা আমন্ত্রণমূলক একটা টুর্নামেন্ট। কিন্তু যখন শুনলাম আসরের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর নাম জড়িয়ে আছে, তখন থেকেই এই আসরটা আমার কাছে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। তা ছাড়া এবার আমরা এএফসি কাপে খেলব। এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে এশিয়ার অন্য বেশ কিছু দলের খেলার সঙ্গে পরিচিত হতে পারব।’ মালদ্বীপের রেডিয়েন্টের কোচ থাকার সময় টিসি স্পোর্টসের খেলার সঙ্গে পরিচিত ছিলেন, তবে এখন সেসব বদলে গেছে বলেই মনে করেন ব্রুজন, ‘এত দিনে ওদের খেলা হয়তো অনেক বদলে গেছে। চেন্নাইয়ান এফসির সম্পর্কেও ধারণা আছে। তবে লাওসের দল আর মোহনবাগান সম্পর্কে কিছুই জানি না।’ শেখ কামাল ক্লাব কাপের প্রতিপক্ষদের নিয়ে এটাই বললেন ব্রুজন, তিনি জোর দিচ্ছেন নিজেদের প্রস্তুতিতেই, ‘আমাদের দলে নতুন খেলোয়াড় যোগ হয়েছে, শক্তি বেড়েছে। তারা দলের দর্শনের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে। তারা বুঝতে পারছে যে আমরা সব ম্যাচই সমান গুরুত্ব দিই, কোথাও দেখে-শুনে চলার পক্ষপাতী না। আমরা সবার আগে থাকতে চাই।’

বাংলাদেশের জাতীয় দল নিয়ে তাঁর মত, ‘দুটি ব্যাপার মিশিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। তবে আমি আশা করব বাংলাদেশ ফিফা র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাবে। এতে করে সবারই ভালো হবে, আমাদের লিগেরও মান বাড়বে। যাঁরা জাতীয় দলের দায়িত্বে আছেন, খুব ভালো করছেন।’

ভারতের চেন্নাইয়ান এফসি ও গোকুলাম কেরালা এবং মালয়েশিয়ার তেরেঙ্গানু এফসি আছে বসুন্ধরা কিংসের গ্রুপে। দেশের লিগ চ্যাম্পিয়নরা বিদেশের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কতটা ভালো করে তারই একটা পরীক্ষা হয়ে যাবে শেখ কামাল ক্লাব কাপে। এএফসি কাপে খেলার আগে যে পরীক্ষাটা খুবই দরকার মনে করছেন কিংসের কোচ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা