kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ডাবল সেঞ্চুরির দিনে বরিশালের জয়

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : প্রথম ইনিংসে হার না মানা ৮৮ রানের ইনিংসের পর আবারও ঢাকার ব্যাটিংয়ের প্রাণভোমরা তাইবুর পারভেজই। তাঁর আরেকটি ৮৮ রানের ইনিংসে ফতুল্লায় জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম স্তরের ম্যাচে রাজশাহীকে ২৯৮ রানের টার্গেট দিয়েছিল ঢাকা। ৭৮ ওভারে সেই রান তাড়া করে জেতার সুযোগ যেমন ছিল, তেমনি হারেরও। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা যেন এগোচ্ছিল দ্বিতীয় সম্ভাবনার দিকেই। তবে দিনের ১৪ ওভার খেলা বাকি থাকতে দুই দলই ড্র মেনে নেওয়ায় রোমাঞ্চকর শেষাঙ্ক আর মঞ্চস্থ হতে পারেনি।

তবে রাজশাহীতে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে যা হওয়ার কথা ছিল, হয়েছেও তা-ই। আরেকটি ব্যাটিং ব্যর্থতায় বরিশালের কাছে ইনিংস ও ১৩ রানে হেরেছে সিলেট। খুলনা-রংপুরের প্রথম স্তরের লড়াই প্রত্যাশিতভাবে ড্র হলেও সব কিছুকে ছাপিয়ে গেছে ইমরুল কায়েসের অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরি। মিরপুরে ঢাকা মেট্রো-চট্টগ্রামের নিষ্প্রাণ ড্রয়েও ব্যাটে-বলে দারুণ পারফরম করে মাহমুদ উল্লাহর ম্যাচ সেরা হওয়াটা ছিল দৃষ্টি আকর্ষণ করার মতো।

তবে এনসিএলের প্রথম রাউন্ডে সবচেয়ে আকর্ষক ইনিংসটি খুলনায় খেলেছেন ইমরুল। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিতে পৌঁছেছেন ৩১১ বলে। অথচ ৩২৮ রানে দলের অষ্টম উইকেট পড়ার সময় তাঁর সেঞ্চুরিও হয়নি। টেল এন্ডারদের নিয়ে দলকে ৯ উইকেটে ৪৫৪ রানে ইনিংস ঘোষণা করার মতো জায়গায় নিয়ে যায় তাঁর অপরাজিত ২০২ রানের ইনিংস। আগের দিন দুই টেল এন্ডার সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে শেষ করলেও কাল আর বেশি দূর যেতে পারেননি ঢাকা মেট্রোর জাবিদ হোসেন (৮৫) ও শহীদুল ইসলাম (৮৩)। এরপর চট্টগ্রামের দ্বিতীয় ইনিংস সবচেয়ে বেশি কৌতূহল ছড়িয়েছিল তামিম ইকবালকে ঘিরে। তবে আগের ইনিংসে ৩০ রানের পর এবারও ফিফটি করতে পারেননি এই বাঁহাতি ওপেনার (৪৬)। আবারও আউট হয়েছেন সেই মাহমুদ উল্লাহর বলেই। দুই ইনিংসেই তামিমকে তুলে নেওয়া এই অফ স্পিনার ম্যাচে পেয়েছেন ৬ উইকেট।

রান তাড়ায় রাজশাহীর জন্য এবার খুব সহায় হতে পারেননি প্রথম ইনিংসে ৭৫ রান করা মুশফিকুর রহিম। এবার ২১ রানে আউট। দলও ৯৯ রানে ৫ উইকেট হারানোয় জয়ের সম্ভাবনা বিলীন হয়ে যায়। তবে বাকি ১৪ ওভারে জেতার চ্যালেঞ্জ নেয়নি ঢাকাও। এর আগে ২৫৪ রানে ঢাকার দ্বিতীয় ইনিংস শেষ করে দেওয়ার পথে ক্যারিয়ারে ২১তম বারের মতো ৫ উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। প্রথম ইনিংসেও ৪ উইকেট নিয়েছিলেন এই বাঁহাতি স্পিনার। প্রথম ইনিংসে ৮৬ রানে অলআউট সিলেটকেও শেষ করেছেন দুই বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলাম (৪/২৯) ও মনির হোসেন (৩/২১)। তাই ইনিংস হার এড়ানোর খুব কাছাকাছি গিয়েও ১৩২ রানে শেষ সিলেটের ইনিংস।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা