kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

বোলিং আমার ব্যাটিংয়ে বাড়তি সুবিধা দেয়

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বোলিং আমার ব্যাটিংয়ে বাড়তি সুবিধা দেয়

একমাত্র ইনিংসে ৬৩ রান এবং দুই ইনিংস মিলিয়ে ৬ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সই মাহমুদ উল্লাহকে এনে দিয়েছে জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) ঢাকা মেট্রো-চট্টগ্রাম নিষ্ফলা ম্যাচের ম্যাচ সেরার পুরস্কার। সেটি পাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের বোলিং নিয়ে স্বস্তিতে ভেসে গেলেন ঢাকা মেট্রোর অলরাউন্ডার

 

প্রশ্ন : দুই ইনিংস মিলিয়ে ৩৯ ওভার বোলিং করার ব্যাপারটি কতটা স্বস্তিদায়ক ছিল?

মাহমুদ : মাঝে আমার কাঁধের ইনজুরি ছিল, সাত মাসের মতো আমি বোলিং করতে পারিনি। তাই কিছু ওভার বোলিং করার জন্য ভীষণ উদগ্রীব ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, বোলিং করতে পেরেছি। আমার বোলিং অনুশীলনও ভালো হলো। কারণ, আমিও চাচ্ছিলাম যত বেশি ওভার বল করা যায়। এটাই মূল উদ্দেশ্য ছিল।

প্রশ্ন : বোলিংয়ে তাহলে আবার নিয়মিত হতে চান?

মাহমুদ : বোলিং আমি সব সময়ই করতে চাই। আমি মনে করি এটি আমাকে বাড়তি সুবিধা বা বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয় আমার ব্যাটিংয়ে।

প্রশ্ন : সামনেই ভারত সফর। তার আগে জাতীয় লিগ খেলে কতটা উপকৃত হবেন বলে মনে করেন?

মাহমুদ : আমাদের আগেই বলা ছিল দুই-তিনটি ম্যাচ খেলতে হবে। কোচ আগে থেকেই আমাদের নির্দেশনা দিয়ে রেখেছিলেন। সবারই তাই এই জাতীয় লিগের দিকে দৃষ্টি ছিল। সবাই যে যার দিক থেকে চেষ্টা করছে আমার মনে হয়।

প্রশ্ন : যেভাবে চেয়েছিলেন সেভাবে জাতীয় লিগ শুরু করতে পেরেছেন কি না?

মাহমুদ : যদি তিন অঙ্ক ছুঁতে পারতাম তাহলে আরেকটু ভালো লাগত। আমি চেষ্টাও করেছিলাম। উইকেটে দ্বিতীয় এমনকি তৃতীয় দিনেও বোলারদের জন্য সুবিধা ছিল। সেটি স্পিনার ও পেসার সবার জন্যই। আমি প্রথম দুই রান মনে হয় ৩০-৩২ বা ৪০ বলে করেছিলাম। প্রথমে টিকে থাকতে চেয়েছিলাম যাতে পরে লাভটা তুলে নিতে পারি।

প্রশ্ন : তিন মৌসুম পর জাতীয় লিগ খেলতে নামলেন। আগের সঙ্গে কোনো পার্থক্য খুঁজে পেলেন?

মাহমুদ : পার্থক্য হলো সবাই আগের চেয়ে আরো অনেক বেশি কষ্ট করছে। এটাই বড় কথা। দিন শেষে কখনো পারফরম্যান্স আসবে, কখনো আসবে না। কিন্তু আপনি যেন আপনার প্রক্রিয়া ঠিক রেখে কষ্ট করতে থাকেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা