kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অবশেষে...

প্রতিরোধ, ব্যর্থতা আর সাফল্যের দিন

১৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



প্রতিরোধ, ব্যর্থতা আর সাফল্যের দিন

ছবি : মীর ফরিদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : লেগ স্পিনারদের দিয়ে তেমন বোলিং না করানোর সংস্কৃতি বোধ হয় এবার বদলাচ্ছে। মিরপুরে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে প্রথম ইনিংসেই এখন পর্যন্ত ৩০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ফেলেছেন চট্টগ্রামের মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি। সাফল্যও পেয়েছেন। আরাফাত সানিকে ফিরিয়ে এই লেগি নিজের তৃতীয় শিকার ধরার সময় চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়াও প্রায় নিশ্চিতই ছিল। তাদের ২৯০ রানের জবাবে ঢাকা মেট্রো যে ততক্ষণে ২০১ রানেই হারিয়ে ফেলেছে ৭ উইকেট। কিন্তু সেখান থেকেই দিনের শেষে উল্টো লিড নেওয়া ঢাকা মেট্রো আরো বড় সংগ্রহের অপেক্ষায়। কারণ তৃতীয় দিনের শেষ ৪৫ ওভার ব্যাটিং করে পার করে দিয়েছেন দলটির উইকেটরক্ষক জাবিদ হোসেন ও দশ নম্বর ব্যাটসম্যান শহীদুল ইসলাম।

ফতুল্লায় প্রথম স্তরের ম্যাচে রাজশাহীকে কত বড় টার্গেট দেবে ঢাকা, সেটি এখন নির্ভর করছে তাইবুর পারভেজের ব্যাটে। রাজশাহীতে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে কামরুল ইসলাম রাব্বির দুর্দান্ত বোলিংয়ে গুঁড়িয়ে যাওয়া সিলেটের সামনে এখন বরিশালের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারের চোখরাঙানি। ওদিকে প্রথম স্তরের ম্যাচে নিজেদের মাঠে রংপুরের বিপক্ষে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকা খুলনা লিড নেওয়ার পথে।  

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাকের (৪/৮১) সঙ্গে দুই পেসার রুবেল হোসেন (২/৪৭) ও আল-আমিন (২/৪৯) মিলে রংপুরকে শেষ করে দেন ২২৭ রানেই। জবাবে রবিউল ইসলাম রবি (৭৬) ও ইমরানুজ্জামানের (৭১) ১৩৬ রানের ওপেনিং জুটি খুলনাকে স্বস্তি দেওয়ার পর হাল ধরেছেন দুই তারকা ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস (২৯*) ও সৌম্য সরকার (৮*)। বৃষ্টিতে প্রথম দিনের খেলা ভেসে যাওয়ার পর আজ শেষ দিনে ফল হওয়ার সম্ভাবনা যদিও খুবই ক্ষীণ।

লেগ স্পিনারদের দিয়ে তেমন বোলিং না করানোর সংস্কৃতি বোধ হয় এবার বদলাচ্ছে। মিরপুরে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে প্রথম ইনিংসেই এখন পর্যন্ত ৩০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ফেলেছেন চট্টগ্রামের মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি। সাফল্যও পেয়েছেন। আরাফাত সানিকে ফিরিয়ে এই লেগি নিজের তৃতীয় শিকার ধরার সময় চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়াও প্রায় নিশ্চিতই ছিল।

তবে দ্বিতীয় দিনে টস হওয়ার পরও ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারের মুখে সিলেট। ৩ উইকেটে ৬৮ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরুর পর আর মাত্র ১৮ রানে শেষ ৭ উইকেট খুইয়েছে তারা। আগের দিন ২ উইকেট নেওয়া পেসার কামরুল কাল নিয়েছেন আরো ৪ উইকেট। সব মিলিয়ে ২৪ রানে ৬ শিকার তাঁর। অফ স্পিনার নুরুজ্জামানও ৩ উইকেট নিয়ে কোনো রান খরচ না করেই। জবাবে শাহরিয়ার নাফীস (৬৩) ও ফজলে মাহমুদের (৭০) ফিফটিতে ৮ উইকেটে ২৩১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করা বরিশাল আরেকবার চেপে ধরেছে সিলেটকে। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭ রানেই ২ উইকেট নেই তাদের।

প্রথম ইনিংসেও ৮৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলের ত্রাণকর্তা তাইবুর পারভেজ আবারও একই ভূমিকায়। রাজশাহীর বিপক্ষে প্রথম স্তরের ম্যাচে এবার তৃতীয় দিন শেষ করেছেন ৬৭ রান নিয়ে। দুই পেসার সুমন খান ও সালাউদ্দিন শাকিলের সৌজন্যে লিড পাওয়ার পরও নড়বড়ে ব্যাটিংয়ের ঢাকা তবু এগিয়ে গেছে ২৪৯ রানে। তারা তৃতীয় দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ২০৬ রান নিয়ে। এদিকে মাহমুদ উল্লাহ (৬৩) ও শামসুর রহমানের (৫৫) ফিফটির পরও বিপদে থাকা দলকে ১৪৮ রানের অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপে সুরক্ষা দিয়েছে জাবির-শহীদুল জুটি। ২১০ বলে ৮১ রানে অপরাজিত জাবিরের তুলনায় কম যাননি মূলত পেসার শহীদুলও। ১৩৭ বলে ৮২ রান করে ফেলার পর যিনি এখন সম্ভাব্য নিষ্ফলা ম্যাচে দেখতে পারেন সেঞ্চুরির স্বপ্নও।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

(তৃতীয় দিনের শেষে)

ঢাকা মেট্রো-চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম ২৯০।

ঢাকা মেট্রো ১২২ ওভারে ৩৪৯/৭ (শহীদুল ৮২*, জাবিদ ৮১*, মাহমুদ উল্লাহ ৬৩, শামসুর ৫৫; আফ্রিদি ৩/১০৩)।

ঢাকা-রাজশাহী

ঢাকা ২৪০ ও ৮০ ওভারে ২০৬/৬ (তাইবুর ৬৭*, রকিবুল ৬৫; তাইজুল ৩/৮২, ফরহাদ ২/২৯)।

রাজশাহী ৭৭.৫ ওভারে ১৯৭ (মুশফিক ৭৫, জহুরুল ৬৪; সুমন ৫/৫০, শাকিল ৩/৪৭)।

খুলনা-রংপুর

রংপুর ১০০.১ ওভারে ২২৭ (তানভীর ৬৪, সোহরাওয়ার্দী ৫০, নাঈম ৪৮; রাজ্জাক ৪/৮১, রুবেল ২/৪৭, আল-আমিন ২/৪৯)।

খুলনা ৬৭ ওভারে ১৯২/৩ (রবিউল ৭৬, ইমরান ৭১, ইমরুল ২৯*, সৌম্য ৮*)।

সিলেট-বরিশাল

সিলেট ৪৩.১ ওভারে ৮৬ (জাকির ৩২; কামরুল ৬/২৪, নুরুজ্জামান ৩/০) এবং ১১ ওভারে ২৭/২।

বরিশাল ৫৮.৩ ওভারে ২৩১/৮ ডিক্লেয়ার্ড (ফজলে ৭০, নাফীস ৬৩; রেজাউর ৩/৭৪, অলক ২/১৫)।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা