kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

সমীহ করছে কাতারও

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সমীহ করছে কাতারও

ক্রীড়া প্রতিবেদক : একদিকে এশিয়ার সেরা দল, আগামী বিশ্বকাপের স্বাগতিক কাতার। অন্যদিকে বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়ার মতো ফুটবলের প্রান্তিক অঞ্চলেও যাদের সাফল্য খুব বেশি নেই। বক্সিংয়ের ভাষায় বললে হেভিওয়েটের সঙ্গে ফেদারওয়েটের অসম লড়াই! তবু খেলাধুলার চিরন্তন অনিশ্চয়তার সূত্র ও সৌজন্য মেনেই বাংলাদেশকে সমীহ করার কথাই ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে জানিয়ে গেলেন কাতারের স্প্যানিশ কোচ ফেলিক্স সানচেস। ফুটবলারদের প্রতিনিধি হয়ে আসা আলী হাসানও বললেন একই কথা। এশিয়ার ফুটবলে বড় দল-ছোট দল বলে কিছু নেই!

 

এশিয়ান কাপের সব শেষ আসরের শিরোপা কাতারের, যে আসরের বাছাই পর্বে অংশ নেওয়ারও যোগ্যতা হয়নি বাংলাদেশের। দুই দলের পার্থক্য বোঝাতে এই একটি প্রেক্ষাপটই যথেষ্ট। কিছুদিন আগেই আমন্ত্রিত দল হয়ে খেলেছে কোপা আমেরিকায়। গত বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে বাংলাদেশের, দুটি ম্যাচেই লাল-সবুজের দল ছিল প্রতিপক্ষের ফুটবলশৈলীর নীরব দর্শক। কাতারের বিপক্ষেও সেই একই আশঙ্কার কথাই আসছে ঘুরে-ফিরে। যদিও কাতারের কোচ ফেলিক্স সানচেস কিক অফের আগ পর্যন্ত ফিফা র‍্যাংকিংয়ে ১২৫ পয়েন্ট দূরত্বের দুই দলকে রাখছেন একই সমতলে, ‘ফিফা র‍্যাংকিং হচ্ছে কাগজে লেখা কিছু সংখ্যা, ফেভারিট হলে মাঠে খেলে দেখাতে হবে। আমরা যদি ফিফা র‍্যাংকিংয়ের এক বা দুইয়েও থাকি, তাহলেও কিছু বদলাবে না।’

বাংলাদেশে পা রাখার আগে তাদের দেখানো ভিডিও ফুটেজে বাংলাদেশের কৌশল নিয়ে যে ভালোই কাটাছেঁড়া হয়েছে, সেটা খুলেই বললেন সানচেস, ‘প্রতিটা দলই প্রতিপক্ষকে খুব ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে। আমরা বাংলাদেশের সব শেষ ম্যাচটি দেখেছি। আমরা জানি তাদের শক্তির জায়গাটা কোথায়। বাংলাদেশ সেটপিসে বেশ ভালো, লম্বা থ্রো তাদের একটা বড় শক্তি। তারা অনেক গুছিয়ে আক্রমণ করার চেষ্টা করে। তারা তাদের খেলাটা খেলবে আর আমরাও আমাদের খেলাটা খেলব।’

বাংলাদেশ সফরে আসা ভিনদেশি দলগুলোর একটি দুশ্চিন্তার জায়গা হচ্ছে মাঠের দুর্দশা। অ্যাস্ট্রো টার্ফে খেলতে অভ্যস্ত ভিনদেশি দলগুলোর ঘাসের মাঠে খেলতে খানিকটা সমস্যাই হয়, সেটা আরো বেড়ে যায় বৃষ্টি হলে। কাল আবহাওয়া বার্তায় আছে বৃষ্টির পূর্বাভাসও। সানচেস তা জানেনও, ‘এটা সত্যি যে, এ রকম কন্ডিশনের সঙ্গে আমরা অভ্যস্ত নেই, সে রকম হলে কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখেই আমাদের কৌশল নির্ণয় করতে হবে। কিছু জিনিস তো আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই, আমাদের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে।’

রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিতে বাংলাদেশ হেরেছিল ৪-০ গোলে। তখন অস্ট্রেলিয়া ছিল এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন। এবার মহাদেশসেরার মুকুট মাথায় কাতার কত গোলে জিতবে- সানচেস এ প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন। বরং বলছেন বাংলাদেশকে সমীহ করার কথাই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা