kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আবার ঢাকায় মেসির আর্জেন্টিনা!

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : লিওনেল মেসি ঢাকায় খেলে গেছেন, এটাই এখনো স্বপ্নের মতো মনে হয়। সেই মেসি আগামী মাসেই আবার ঢাকায় পা রাখলে কেমন হবে! রোমাঞ্চকর এমন খবরই কাল সারা দিন আলোচনায়। সূত্র প্যারাগুয়ে ফুটবল দলের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টের একটি টুইট, যেখানে দিন, তারিখ উল্লেখ করে বলা হয়েছে ঢাকায় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তাদের প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা। সেই ম্যাচ হওয়ার কথা ১৮ নভেম্বর। এর আগে ১৫ নভেম্বর ঢাকাতেই ভেনেজুয়ার বিপক্ষে প্যারাগুয়েরই আরেকটি ম্যাচ হওয়ার কথা।

স্বাভাবিকভাবেই ফুটবল ফেডারেশনমুখী হয়েছে সবাই। এমন একটা খবর তারা চেপে রাখে কী করে! ফেডারেশনের সিনিয়র সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর জবাব, ‘এখনো ঘোষণা দেওয়ার মতো কিছু হয়নি। এর সঙ্গে তিনটি বিষয় জড়িত—অর্থ, নিরাপত্তা, আর তৃতীয় বিষয়টি আমি এই মুহূর্তে বলতে চাচ্ছি না। সব মিলে গেলে এ ম্যাচ হতেই পারে। সরকারি পর্যায়েও এ নিয়ে আলোচনার বিষয় আছে।’ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম বিষয়টি কিছুটা খোলাসা করেছেন, “সপ্তাহ দুয়েক আগে ‘রাইট এজেন্ট ফর ইউ লিমিটেড’ নামে ইউরোপভিত্তিক একটি এজেন্সি আমাদের সঙ্গে এই ম্যাচ আয়োজনের ব্যাপারে যোগাযোগ করে। আমরা তাতে আগ্রহ দেখাই। শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা শেষে একটা পর্যায়ে পৌঁছেছিও আমরা। তবে এই মুহূর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে তা ঘোষণা করার মতো কিছু হয়নি। আরো একটা সপ্তাহ লাগবে আমাদের এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে।” প্যারাগুয়ে ফুটবল দলের পর দেখা গেছে আর্জেন্টিনার শীর্ষ ক্রীড়া দৈনিক ‘ওলে’তেও খবরটি এসেছে, লিখেছে ‘মুন্দো আলবিসেলেস্তে’তেও। ১৮ নভেম্বরের আগে ১৫ নভেম্বর সৌদি আরবে ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে তাদের। তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সেই ম্যাচেই লিওনেল মেসির মাঠে ফেরার কথা। এর পরই পুরো দল আসবে ঢাকায়।

লিওনেল স্কালোনির দল এই মুহূর্তে জার্মানিতে, কাল জার্মানির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলে ১৫ অক্টোবর স্পেনে মুখোমুখি হবে তারা ইকুয়েডরের। ইউরোপের এই সফরের পরের সফরটিই তাদের এশিয়ায়। আবু নাঈম জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেও ইউরোপীয় এজেন্সিটির ব্যাপারে নিশ্চয়তা পেয়েছেন তাঁরা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না দিলেও সেই এজেন্সি ম্যাচটি হচ্ছে বলেই ধরে নিয়েছে। যার ফলে টুইট করেছে প্যারাগুয়ে, খবর এসেছে আর্জেন্টিনার মিডিয়াগুলোতেও। গত এপ্রিলেও আর্জেন্টিনা দলের ফের ঢাকায় আসার খবরটি চাউর হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালে এমন বড় ম্যাচ আয়োজনের আগ্রহের কথা জানানো হয়েছিল মন্ত্রণালয় থেকেই। সেই গুঞ্জন থামতেই নতুন করে শুরু হলো নভেম্বরের এই প্রীতি ম্যাচের আলোচনা। জানা গেছে, এ ম্যাচটিই সেই জন্মশতবার্ষিকীর প্রগ্রামে ঢোকানোর সম্ভাব্যতা এখন যাচাই হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে অর্থ নিয়েও অবশ্য জটিলতা কমে। ২০১১ সালে ঢাকায় মেসির আর্জেন্টিনাকে আনতে ৩০ কোটি টাকার ওপর খরচ হয়েছিল। এবার কথা হচ্ছে দুটি ম্যাচের। যদিও নাঈম জানিয়েছেন, ‘আমরা শুধু আর্জেন্টিনার ম্যাচের ব্যাপারেই আগ্রহ দেখিয়েছি। তবে হলে দুটোই হতে পারে। আবার একটাও হতে পারে। আমি আসলে এ পুরো ব্যাপারেই সম্ভাবনা দেখছি ৫০-৫০।’ সব কিছু মিলে গেলে নভেম্বরে আবার এক মহাজজ্ঞের জন্যই অপেক্ষা করতে হবে এখন ফুটবলপ্রেমীদের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা