kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

‘মাথাতেও’ সমস্যা ম্যানইউর

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘মাথাতেও’ সমস্যা ম্যানইউর

দুঃস্বপ্নের অধ্যায় চলছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন চলে যাওয়ার পর থেকে এর শুরু। প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা দৌড় থেকে প্রতিনিয়ত পেছাতে থাকা দলটি নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠেছে, ‘রেলিগেশন এড়াতে পারবে তো?’ আট ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন ১২ নম্বরে। অবনমনের লাল অঞ্চলে থাকা এভারটনের সঙ্গে ব্যবধান মাত্র ২ পয়েন্ট। এমন ব্যর্থতার অনেক কারণই আছে। এর অন্যতম মাথা দিয়ে বা হেডে গোল করতে না পারা। প্রিমিয়ার লিগে হেডে গোল করার সর্বশেষ ৫৮টি সুযোগের একটিও কাজে লাগাতে পারেনি ওলে গানার শোলসকায়েরের দল! অথচ ফুটবলে গোলের অন্যতম মাধ্যমই হেড।

ম্যানইউ ভক্তদের হতাশা বাড়তে পারে এই মৌসুমের শুরুতে মারিও মানজুকিচকে কিনতে গিয়েও পিছিয়ে আসায়। হয়তো বয়সটা ৩৩ পেরিয়েছে বলে মানজুকিচে আস্থা রাখতে পারেননি ম্যানইউ কর্তারা। তবে হেডে গোল করায় এককথায় অনবদ্য এই ক্রোয়েশিয়ান ফরোয়ার্ড। ২০১০ সাল থেকে ধরলে মানজুকিচ ২৫৬ ম্যাচে গোল করেছেন ৯৬টি। এর ৩৯টিই হেডে! মানে হেডে গোলের হার ৪০.৬ শতাংশ। প্রতি ৪৮১ মিনিটে তাঁর হেডে গোল একটি। ২০১০-১১ মৌসুমের পর মানজুকিচের ৩৯টির চেয়ে হেডে বেশি গোল আছে শুধু ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও ফার্নান্দো লরেন্তের।

ম্যানইউর মার্কাস রাশফোর্ড আর অ্যান্থনি মার্শিয়াল ক্যারিয়ারজুড়েই অনেক পেছনে মানজুকিচের চেয়ে। ম্যানইউর হয়ে ১১৯ ম্যাচে রাশফোর্ডের গোল ৩০টি। হেডে করেছেন তিনটি, মানে গড় ১০ শতাংশ। মার্শিয়ালের হেডে গোলের হার আরো খারাপ। ১৬৮ ম্যাচে ৪৭ গোলের মাত্র দুটি হেডে, গড় ৪.৩ শতাংশ। মার্শিয়াল ৫১৫৪ মিনিটে আর রাশফোর্ড ২৪৬৬ মিনিটে হেডে করেছেন একটি করে গোল। আগামী জানুয়ারিতে মানজুকিচের পেছনে তাই ছুটতেই পারে ম্যানইউ। কারণ গত মৌসুমেও হেডে মাত্র চারটি গোল ছিল ওলে গানার শোলসকায়েরের দলের। রোমেলু লুকাকু দুটি আর একটি করে গোল পল পগবা ও অ্যালেক্সিস সানচেসের। সেই লুকাকু আর সানচেস নতুন মৌসুমে ছেড়ে গেছেন ম্যানইউ। হেডে গোল করা ফুটবলারের অভাবটাও প্রকট তাই। প্রিমিয়ার লিগে পল পগবার হেডে গোল চারটি। ম্যানইউর অন্য খেলোয়াড়দের মধ্যে হ্যারি ম্যাগুয়ের ও মার্কাস রাশফোর্ড তিনটি করে আর দুটি করে হেডে গোল আছে অ্যান্থনি মার্শিয়াল, হুয়ান মাতা ও জেস লিনগার্ডের। সুসময় ফেরাতে ‘মাথার সমস্যা’ কাটানো তাই জরুরি ম্যানইউর। বিবিসি

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা