kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

টিভির পাকিস্তানই তো ভালো!

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টিভির পাকিস্তানই তো ভালো!

হাহাকারই করছিল পাকিস্তানিরা। লঙ্কান টিম বাসের ওপর হামলার জেরে প্রায় এক দশক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নেই তাদের দেশে। সেই শ্রীলঙ্কাই গত ১০ বছরে প্রথম দল হিসেবে খেলতে এসেছে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি পূর্ণাঙ্গ সিরিজ। করাচিতে ওয়ানডে সিরিজ পাকিস্তান জিতলেও লাহোরে টি-টোয়েন্টিতে বেহাল স্বাগতিকদের। প্রথম ম্যাচ বড় ব্যবধানে হারের পর গত পরশু দ্বিতীয় ম্যাচেও হার ৩৫ রানে। শ্রীলঙ্কার ৬ উইকেটে ১৮২ রানের জবাবে স্বাগতিকরা গুটিয়ে যায় ১৪৭-এ। তাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের কীর্তি গড়ল শ্রীলঙ্কা। আগের ছয় সিরিজেই ব্যর্থ ছিল তারা। আজ শেষ ম্যাচ জিতলে পাকিস্তানকে দেবে হোয়াইটওয়াশের লজ্জাও।

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকা পাকিস্তানের এমন পারফরম্যান্স মানতে পারছে না সমর্থকরা। এত দিন টেলিভিশনে এই ফরম্যাটে দলের দাপটই দেখে এসেছে তারা। অথচ চোখের সামনে দেখতে হচ্ছে উল্টো রূপ। তাই গাদ্দাফি স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় হতাশায় অনেক সমর্থকই বলেছে, ‘টিভির পাকিস্তানই তো ভালো!’ ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর সেই বছর খেলা চার ম্যাচের সবটিতেই জিতেছে পাকিস্তান। ২০১৭ সালে ১০ ম্যাচের মধ্যে জিতেছিল আটটিতে। গত বছর ১৯ টি-টোয়েন্টিতে জয় ১৭টি। সেই পাকিস্তান ২০১৯ সালে এসে ছয় ম্যাচের হেরেছে পাঁচটিতেই। নিরাপত্তার কারণে দলের সেরা ১০ ক্রিকেটার ছাড়া খেলতে আসা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অসহায় আত্মসমর্পণ দুই ম্যাচে। আজ শেষ ম্যাচে তাই হোয়াইটওয়াশ এড়াতে মরিয়া অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ, ‘আমরা মোটেও ভালো খেলিনি। লঙ্কানদের অভিনন্দন। কয়েকটা রান আউটের সুযোগ নষ্ট করেছি, যা বদলে দিতে পারত ম্যাচের ফল। আর প্রথম ১০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে পিছিয়ে যাই আমরা। আশা করছি শেষ ম্যাচে এই ভুলগুলো হবে না।’ কোচ মিসবাহ উল হকের হতাশা, ‘আমরা সব বিভাগেই ব্যর্থ।’

আহমেদ শেহজাদ ও উমর আকমলকে ছাড়া এত দিন দাপটে খেলছিল পাকিস্তান। কোচ মিসবাহ উল হক এই দুজনকে ফিরিয়ে বাজি খেলছিলেন; কিন্তু ব্যর্থ দুজনই। প্রথম ম্যাচে ৪ করা শেহজাদ গত পরশু ফেরেন ১৩ রানে। উমর আকমল তো টানা দুই ম্যাচে শূন্য রানে ফিরে করেছেন লজ্জার রেকর্ডই। এই ফরম্যাটে তিলকরত্নে দিলশানের সঙ্গে যৌথ সর্বোচ্চ ১০ বার শূন্য রানে ফেরার লজ্জার রেকর্ড এখন তাঁর। ইমাদ ওয়াসিম সর্বোচ্চ ৪৭ করায় পাকিস্তানের স্কোর পৌঁছে ১৪৭-এ। নুয়ান প্রদীপ ৪ ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার উইকেট ৩টি। ৪৮ বলে ৭৭ রান করে ম্যাচসেরার পুরস্কার ভানুকা রাজাপাকশের। ক্রিকইনফো

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা