kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

মুখোমুখি প্রতিদিন

তরুণদের প্রাণশক্তিটাই কাজে দেবে

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তরুণদের প্রাণশক্তিটাই কাজে দেবে

আগামীকাল বাংলাদেশ-কাতার বড় ম্যাচ। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে এই ম্যাচ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ও কোচ সাইফুল বারী ছবি আঁকতে চেয়েছেন এই ম্যাচের।

 

প্রশ্ন : কাল কাতারের বিপক্ষে বড় ম্যাচ, কী আশা করছেন?

সাইফুল বারী : বৃষ্টি হলে আমাদের একটু সুবিধা হতে পারে। তবে ওরা এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন। নিশ্চয় সব রকম পরিকল্পনাই ওদের থাকবে। হয়তো স্টাইলটা বদলে ডিরেক্ট খেলবে বা সেটপিসে যাবে। আমাদের জন্য অবশ্যই এটা বিশাল ম্যাচ। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। লড়াই করতে পারলে, বাজে ভুল না করলে আশা করি আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা উপহার দিতে পারব।

প্রশ্ন : গত বিশ্বকাপ বাছাইয়ে লোডউইক ডি ক্রুইফের সঙ্গে ছিলেন, সেখান থেকে এবার কী পার্থক্য দেখছেন?

সাইফুল : তখনকার দলে সিনিয়র খেলোয়াড়ই ছিল বেশি, অভিজ্ঞ। এবার প্রাণশক্তিতে ভরপুর তরুণরা বেশি। তাদের দম বেশি, দৌড়াতে পারে, লড়াই করতে পারে, ডিফেন্ডিং ভালো। আর জেমির অ্যাপ্রোচও খুব প্র্যাকটিক্যাল, এটা ভালো দিক।

প্রশ্ন : দম বা প্রাণশক্তি কতটা কাজে দেবে এমন বড় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে?

সাইফুল : দমের পাশাপাশি এমন বড় ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ হবে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। আমাদের কম্প্যাক্ট থাকতে হবে কোনো সন্দেহ নেই। সুচারু পরিকল্পনা করতে হবে ওদের কিভাবে কম জায়গা দেওয়া যায় সে ব্যাপারে। বিশ্বকাপে ইরান স্পেনের বিপক্ষে যেভাবে খেলেছিল বা ভারত শেষ ম্যাচে কাতারকে কিভাবে রুখে দিয়েছে এটা অনুসরণ করার মতো। ভারত পাঁচ ব্যাকের ওপরে চার মিডফিল্ডার রেখে ওপরে শুধু একজন রেখেছি। পাঁচ ব্যাক হলে প্রতিপক্ষ জায়গা কম পায়, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর এভাবে লড়ার জন্যই প্রচুর প্রাণশক্তি দরকার।

প্রশ্ন : ভারত তো আক্রমণেও গিয়েছিল...

সাইফুল : হ্যাঁ, দেখা গেছে ওদের মিডফিল্ডার বল পেলেই উইংয়ে একজন দৌড় শুরু করেছে, বল সেখানেই গেছে। কাতারও আমাদের স্পেস দেবে। ওদের খেলার ধরনটাই ওমন। আমাদের সেই সুযোগ নিতে হবে। আর এই মাঠে কাতারের মতো গতিময় দলগুলো একটু তো সমস্যায় পড়বেই। গতবারও অস্ট্রেলিয়া, জর্দানের বিপক্ষে আমরা ঢাকায় তুলনামূলক ভালো খেলেছিলাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা