kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

আবাহনীর খেলোয়াড়দের ছুটিটা দরকারই ছিল

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আবাহনীর খেলোয়াড়দের ছুটিটা দরকারই ছিল

আগামী মাসে কাতার ও ভারত ম্যাচের আগে জাতীয় দলকে এই মুহূর্তে ছুটি দেওয়াটা ভালো না খারাপ হলো, এ নিয়ে এখন আলোচনা হচ্ছে। খেলোয়াড়রা নিজেরা কী ভাবছেন প্রস্তুতি ও ম্যাচ দুটি নিয়ে। সে প্রসঙ্গেই কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি স্ট্রাইকার নাবিব নেওয়াজ

প্রশ্ন : ছুটিতে বাড়িতে নিশ্চয়, কেমন সময় কাটছে?

নাবিব নেওয়াজ : ভালো। আমরা বিশেষ করে আবাহনীর খেলোয়াড়রা তো টানা খেলার মধ্যে ছিলাম, এই ছুটিটা আমাদের দরকারই ছিল। আশা করি ঝরঝরে হয়ে আবার ক্যাম্পে ফিরতে পারব।

প্রশ্ন : কিন্তু পুরো দলের কথা যদি চিন্তা করেন, কাতার, ভারত ম্যাচের আগে এই মাসখানেক সময়টা কি কাজে লাগানো উচিত ছিল না?

নাবিব : সেটাও ঠিক। আমরা একেকজন যেহেতু একেক ক্লাবে খেলি, লম্বা একটা ক্যাম্প করলে আমাদের মধ্যে ট্যাকটিকাল বিষয়গুলো আরো ভালোভাবে রপ্ত হতো। তবে এই মুহূর্তে ফিটনেসের কোনো সমস্যা নেই কারো। জাতীয় দলের ক্যাম্পে আমরা কিন্তু কঠোর অনুশাসনের মধ্যে থাকি। ছুটির প্রয়োজন হলে আর সেটা না পাওয়া গেলে তখন কিন্তু আবার একঘেয়েমিও চলে আসতে পারে, সেটা আবার প্রভাব পড়ে পারফরম্যান্সে। কোচ নিশ্চয় বুঝেশুনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রশ্ন : আফগানিস্তান ম্যাচের সেই ফাউলটা এখনো নিশ্চয় পোড়াচ্ছে আপনাকে?

নাবিব : তাতো অবশ্যই। রেফারি আমার কাছেই ছিলেন। তিনি কী করে এমন একটা ফাউল এড়িয়ে গেলেন, আমার মাথায় ধরে না। শেষ মুহূর্তে ওই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলে তাজিকিস্তান থেকে আমরা একটা পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে পারতাম। সেখানে আমরা বঞ্চিত হলাম।

প্রশ্ন : তা কি পরের ম্যাচগুলোর জন্য আরো উদ্দীপ্ত করছে না আপনাকে?

নাবিব : অবশ্যই। পরের ম্যাচগুলোতে আরো ভালো খেলে সুযোগগুলো আদায় করে নিতে হবে আমাদের। আর আমার ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ তো আছেই। লিগে গোল পেলেও জাতীয় দলে তা পাচ্ছি না বলে সমালোচনাও হচ্ছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস এটা কেটে যাবে।

প্রশ্ন : এই মুহূর্তে কোন ম্যাচটি নিয়ে বেশি ভাবছেন, কাতার না ভারত?

নাবিব : কাতারের বিপক্ষেই আমাদের প্রথম ম্যাচ, তবে কিছু করলে পাঁচ দিন পর ভারতের বিপক্ষেই করতে হবে আমাদের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা