kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

সাকিব না চাইলে নতুন কেউ

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সাকিব না চাইলে নতুন কেউ

ছবি : মীর ফরিদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আকবর আলীর অধিনায়কত্বে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ফাইনাল খেলল কাল বাংলাদেশ। জাতীয় দলে অভিষেক হয়নি তাঁর। কিন্তু সাকিব আল হাসানের অধিনায়কত্ব ছাড়া নিয়ে শোরগোল, তাতে প্রয়োজনে যুব দলের এই নেতাকে বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক করার কথা পর্যন্ত বলেছেন খালেদ মাহমুদ। আর বিসিবি পরিচালকের যখন এমন উপলব্ধি, সেটিকে হালকাভাবে নেওয়ার উপায় কোথায়!

অধিনায়কত্ব করতে চান না বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন সাকিব। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান তো জানালেন, এই অলরাউন্ডার টেস্টই খেলতে চান না। নতুন টেস্ট অধিনায়ক তাই খোঁজার বিকল্প হয়তো নেই বোর্ডের। কাল ঢাকা ডায়নামাইটসের কোচ হিসেবে এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা খালেদ মাহমুদ দেন সে ইঙ্গিতই, ‘সাকিব যদি অধিনায়কত্ব করতে না চায়, নিজে যদি উপভোগ না করে—তাহলে প্রশ্নের জায়গা তো থাকেই। ও যদি পারফরম্যান্সের জন্য অধিনায়কত্ব ছাড়তে চায়, তাহলে এটি ভাবা যেতে পারে। এখন বলতে পারেন যে, আমাদের অধিনায়ক নেই। সে কথা আমি বিশ্বাস করি না। কাউকে দিয়ে দেখতে হবে, ওর মধ্যে অধিনায়কত্ব আছে কি না।’ এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে সাকিবদের প্রজন্মকেই নিয়ে আসেন তিনি, ‘আমার প্রশ্ন হলো মুশফিক-সাকিব যখন অধিনায়ক হয়, তখন ওদের বয়স কত ছিল। ২২-২৩? আমাদের দলে তো এখন ২২-২৩ বছরের অনেক খেলোয়াড় আছে। তাহলে কেন আমরা ভয় পাচ্ছি?’

উদাহরণ হিসেবে সাকিবদের প্রজন্মকেই নিয়ে আসেন তিনি, ‘আমার প্রশ্ন হলো মুশফিক-সাকিব যখন অধিনায়ক হয়, তখন ওদের বয়স কত ছিল। ২২-২৩? আমাদের দলে তো এখন ২২-২৩ বছরের অনেক খেলোয়াড় আছে।’

কিন্তু তখন তো তরুণ অধিনায়কের দলে এমন বড় তারকা ছিলেন না। এখন সম্ভাব্য তরুণ অধিনায়কের দলে যেমন থাকবেন সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদ উল্লাহরা। তাঁদের নতুন কারো অধীনে খেলা মানিয়ে নিতে সমস্যাই হওয়ার কথা। মাহমুদ এটিকে দেখছেন ভিন্নভাবে, ‘তারা অধিনায়কত্ব চাইবে না, আবার কারো অধীনে খেলতে চাইবে না— তাহলে বাংলাদেশ দল চলবে কিভাবে? সিনিয়ররা যদি অধিনায়কত্ব না চায়, তাহলে জুনিয়র কাউকেই দেখতে হবে।’ সে ক্ষেত্রে একদম আনকোরা হলেও আপত্তি নেই এই বিসিবি পরিচালকের, ‘সাকিব সারা জীবন খেলবে না। একসময় অবসর নেবে। সে ক্ষেত্রে নতুন কাউকে চেষ্টা করতে হবে। শুধু দেখতে হবে, একাদশে ওর জায়গা নিশ্চিত কি না। মিরাজ-সাদমানরা টেস্ট খেলছে। মাত্র দুই টেস্ট খেলেছে বলে কেউ অধিনায়ক হতে পারবে না—এটি কোথাও লেখা নেই। আর অধিনায়কত্ব নিয়ে এত যদি সমস্যা হয়, তাহলে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্যাপ্টেন আকবর আলীকে এনে জাতীয় দলের অধিনায়ক বানিয়ে দিন!’

সাকিবের অধিনায়কত্ব ছাড়া নিয়ে বিসিবির অস্বস্তির ঝাঁজই হয়তো বোর্ড পরিচালকের শেষ ওই কথায়!

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা