kalerkantho

মুক্তার ৬ সোনা

ক্যাম্পের সাঁতারুরাই জিতছে বেশি সোনা

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্যাম্পের সাঁতারুরাই জিতছে বেশি সোনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সারা দেশ থেকে প্রতিভাবান সাঁতারুদের তুলে এনে দীর্ঘমেয়াদি যে ক্যাম্প হচ্ছে সেই ক্যাম্পের সাঁতারুরাই মাতাচ্ছে এবারের জুনিয়র সাঁতার। গত দুই দিনে ৮০টি ইভেন্টের ৫১টিতেই সোনা জিতেছে তারা। ক্যাম্পে মোট সাঁতারু আছে ৪২ জন। চারটি ক্যাটাগরিতে তাদেরই আধিপত্য। এর মধ্যে পাবনা ইছামতি সুইমিং ক্লাবের হয়ে খেলা কাজল মিয়া একাই জিতেছে সাতটি সোনা, ছয়টি করে সোনা জিতেছে পাবনা জেলার রবিউল ইসলাম এবং বাংলাদেশ আনসারের হয়ে খেলা মুক্তা খাতুন ও অ্যানি খাতুন।

দুদিনে ৮০টি ইভেন্টের মধ্যে নতুন রেকর্ড হয়েছে ১৯টি। তাতে অবশ্য ক্যাম্পের সাঁতারুদের পুরো আধিপত্য নেই, সাতটি রেকর্ড তাদের। যার তিনটি পাবনার হয়ে খেলা রবিউল ইসলামের। তিনটি রেকর্ড বিকেএসপির মোবারক হোসেনেরও। ‘সেরা সাঁতারু’দের মূল্যায়নেও সোনার সংখ্যার বদলে টাইমিংয়ের গুরুত্ব দিতে চান কোচরা। সে হিসেবে এই আসর শেষেও হয়তো উন্নতির তাগিদ থাকবে তাদের। তবে কোচ শাহজাহান আলী রনি বলেছেন, ‘খুব বেশি রেকর্ড না হলেও সাঁতারুদের ব্যক্তিগত টাইমিংয়ের উন্নতি হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট এই পারফরম্যান্সে।’ আজ শেষ দিনে আরো ২০ ইভেন্টের লড়াই মিরপুর সুইমিং পুলে। আসর সেরা হওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে কাজল। ২০১৭ সালে সর্বশেষ জুনিয়র সাঁতারে দুটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে কিছুই না জেতা এই সাঁতারু দেশসেরা হওয়ার এই পর্যায়ে উঠে এসেছেন ‘সেরা সাঁতারু’র ক্যাম্পে থেকেই। আগামী এসএ গেমসেও বাংলাদেশ দলে থেকে পদক জেতার স্বপ্ন তাঁর। ‘সেরা সাঁতারু’র ক্যাম্পে থাকা মুক্তাও তার পারফরম্যান্স উন্নতির জন্য কৃতিত্ব দিয়েছে ফেডারেশনের এমন উদ্যোগের। জুনিয়র সাঁতারে বরাবরই বিকেএসপির আধিপত্য থাকে, এবার ক্যাম্পের সাঁতারুরাই সেই আধিপত্য ভেঙে দিয়েছে। ক্যাম্পের চার সাঁতারুকে নিয়েই বিকেএসপি এ পর্যন্ত জিতেছে ৩৬ সোনা।

মন্তব্য