kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দুশানবে দুঃস্মৃতি বদলাবে এবার?

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুশানবে দুঃস্মৃতি বদলাবে এবার?

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সর্বশেষ তিন ম্যাচে ১৫ গোল হজম, ভাবা যায়! বাংলাদেশের ফুটবলে সাম্প্রতিককালে আতঙ্কেরই এক নাম দুশানবে। এই মাঠে শেষ তিন ম্যাচের কোনোটিতেই ৫ গোলের কম হজম করেনি লাল-সবুজ। প্রতিপক্ষ অবশ্যই আফগানিস্তান নয়, তাজিকিস্তান। গত বছর বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ঢাকায় তাজিকদের ১-১ গোলে রুখে দিয়েও দুশানবেতে ৫ গোলের ধাক্কা এড়াতে পারেনি লোডউইক ডি ক্রুইফের দল।

একই বছর এশিয়ান কাপ বাছাই প্লে-অফেও একই ব্যবধানে হার। ২০১০ বিশ্বকাপ বাছাইয়েও মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান। সেখানেও ঢাকায় ড্র করে তাজিকদের মাঠে হারতে হয়েছে ৫-০তে। আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশ তাজিকিস্তান। আবহাওয়া, প্রকৃতিও কাছাকাছি। দূর কাতারের বদলে এই মাঠ নিজেদের হোম ভেন্যু বানিয়ে হয়তো স্বস্তিতেই আছে আনুশ দস্তগীরের দল। আর এখানে বাংলাদেশের আগের রেকর্ডও আফগানদের উৎসাহী করে থাকলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ঢাকার মতো ঘাসের মাঠ নয় দুশানবের রিপাবলিকান সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামে। সেখানে কৃত্রিম ঘাস। ফলে খেলাটা আরো দ্রুতলয়ের, অভ্যস্ত না হলে সমস্যায় পড়তে হয়। আবাহনী সর্বশেষ যে এপ্রিল টোয়েন্টিফাইভের মাঠে খেলেছে, সেখানকার দ্রুতগতির টার্ফই মূলত হতভম্ব করে দিয়েছিল মারিও লেমোসকে। ম্যাচের আগে স্বাগতিকদের পক্ষ থেকে সেই মাঠে আবার পানি দেওয়ায় সফরকারীদের জন্য তা হয়ে ওঠে আরো ভয়ংকর। বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রুপু বলছিলেন, এর আগে যখন দলের সঙ্গে তিনি তাজিকিস্তান সফর করেছেন, তখন ম্যাচের আগে বৃষ্টি হওয়াতেও মাঠ তেমন পিচ্ছিল হয়ে যায়। তাজিকিস্তানে পৌঁছার পর কালই বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ ভেন্যুতে অনুশীলন করেছে। এই মুহূর্তে অবশ্য বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না বাংলাদেশ ম্যানেজার। তবে সহকারী কোচ মাসুদ কায়সারের মত কন্ডিশনটাও চ্যালেঞ্জিং, ‘দিনে আমাদের মতোই কিন্তু সন্ধ্যায় এখানে তাপমাত্রা হঠাৎ করে ২০-এর নিচে নেমে যায়। এটাতে অভ্যস্ত হওয়া ছাড়া উপায় নেই।’

বাংলাদেশ দলের হয়ে গত বিশ্বকাপ বাছাই খেলা মিডফিল্ডার আতিকুর এই কন্ডিশন ও মাঠটাকেই বড় চ্যালেঞ্জ বলছেন জেমির শিষ্যদের জন্য। তাজিকদের মতো আফগানরাও সুবিধাটা নিতে চাইবে বলে মনে করছেন। বর্তমান দলের মিডফিল্ডার মামুনুল ইসলামও বলছেন ‘আফগান দলটা বল পায়ে খুব দ্রুতগতির।’ তবে সুযোগ দেখছেন তিনি উইদাউট বলে তাদের মন্থরতায়। ডিফেন্স জমাট করে কোচের প্রতিআক্রমণের কৌশলেই তাই আস্থা রাখছেন খেলোয়াড়রা। আর এবার আগেভাগে যাওয়া ও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের অভিজ্ঞতায় মাঠ আর কন্ডিশনের বাধাটাও তো উতরানোর চেষ্টা ছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা