kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপ খেলবে মেয়েরা

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপ খেলবে মেয়েরা

সানজিদা ইসলাম একা অপরাজিত ৭১ রান করেন, প্রতিপক্ষের সবাই মিলে ২০ ওভারেও তা করতে পারেননি। ৭০ রানে জিতে বাছাই পর্বের চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই মূল বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ নারী দল।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশের সেমিফাইনাল জয়ে ম্যাচসেরা তিনি। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সেই খেলা জিতেই তো টানা চতুর্থবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ নারী দল। সেই সানজিদা ইসলামের ব্যাট কাল ঝলসে উঠেছে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালেও। তিনি একা যে অপরাজিত ৭১ রান করেন, প্রতিপক্ষের সবাই মিলে ২০ ওভারেও তা করতে পারেননি। ৭০ রানে জিতে বাছাই পর্বের চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই মূল বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ নারী দল। ঠিক গতবারের মতোই। চূড়ান্ত পর্বে গ্রুপ ‘এ’তে বাংলাদেশের অন্য চার প্রতিপক্ষ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারত ও শ্রীলঙ্কা।

সেমিফাইনালে চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন সানজিদা। কাল ফেরেন নিজের চেনা পজিশন ওপেনিংয়ে। এরপর যে সাফল্য পেলেন, তা অবশ্য একেবারেই অচেনা। আগের ৪৬ টি-টোয়েন্টির ৪১ ইনিংসে তাঁর কোনো ফিফটি ছিল না। সর্বোচ্চ স্কোর ৩৯। কাল নিজেকে ছাড়িয়ে যান সানজিদা। ৬০ বলে ৭১ রান করার পথে মারেন ছয়টি চার এবং তিনটি ছক্কা। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, এর আগের সাত বছরের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৪৬ ম্যাচ মিলিয়েই কালকের সমান তিন ছক্কা মেরেছিলেন সানজিদা!

স্কটল্যান্ডের ডান্ডিতে কাল টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে মুর্শিদা খাতুনের সঙ্গে তাঁর ওপেনিং জুটি জমে ওঠে বেশ। ১০.১ ওভারে ৬৮ রান যোগ করেন তাঁরা। ৩৪ বলে ৩৩ রান করে মুর্শিদা আউট হয়ে যান। পরের ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কে যেতে পারেননি। বাংলাদেশ নারী দলকে একা টেনে নিয়ে গেছেন সানজিদা। তাতেই স্কোরবোর্ডে পাঁচ উইকেটে ১৩০ রান তুলে ফেলে সালমা খাতুনের দল।

তা যে জয়ের চেয়েও যথেষ্ট, সেটি বোলিং-ফিল্ডিংয়ে প্রমাণ করে বাংলাদেশ। থাইল্যান্ড পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করলেও সাত উইকেট হারিয়ে ৬০ রানের বেশি করতে পারেনি। নাহিদা আক্তার ও শায়লা শারমিন নেন দুটি করে উইকেট। তবে কাল ফাইনালের জয়ের নায়িকা যে শুধুই সানজিদা, সেটি স্কোরকার্ড দেখলেই বোঝা যায়।

সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ম্যাচসেরা, দলকে জেতান শিরোপা—তবু প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হতে না পারাই একমাত্র আক্ষেপ হতে পারে সানজিদার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা