kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জার্মানি বনাম নেদারল্যান্ডস

সম্মান বাঁচবে তো ফন ডাইকের!

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সম্মান বাঁচবে তো ফন ডাইকের!

চ্যাম্পিয়নের অভিশাপ, নাকি দলের ভেতর কোন্দল? কারণ যা-ই হোক না কেন, ২০১৮ বিশ্বকাপটা যে জার্মান ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ স্মৃতি, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। একই সঙ্গে এটাও বিস্ময়কর যে প্রথম রাউন্ডে বাদ পড়ার এমন ব্যর্থতার পরও চাকরি আছে ইওয়াখ্যিম ল্যোভের, যেখানে অনেক দলই বিশ্বকাপে ব্যর্থতার অভিযোগে ছাঁটাই করেছে কোচকে। বিশ্বকাপের পর উয়েফা নেশনস লিগেও গ্রুপ পর্বে দুটি ম্যাচে হেরেছে জার্মানি, ড্র করেছে আরো দুটি ম্যাচে। জিততে পারেনি একটি ম্যাচেও। তাই ২০২০ ইউরোর বাছাই পর্বের শুরুর দিনে যখন ‘পুরনো শত্রু’ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে জার্মানদের, তখন তাদের আগের মতো অপ্রতিরোধ্য বলার সুযোগ নেই।

‘অজেয়’ জার্মানিকে নিয়ে গ্যারি লিনেকারের বিখ্যাত সেই বাণীটি বোধ হয় রাশিয়া বিশ্বকাপের পর বাজার হারিয়েছে! ফুটবল এখন এমন একটা খেলা, যেটাতে জার্মানরাও হারে। মেক্সিকোর কাছে হারে, দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হারে। অন্যদিকে ডাচ টিউলিপের সুবাসও ফুরিয়েছে। ২০১৬ সালে, ইউরোতে দল বাড়িয়ে করা হয়েছিল ২৪টি, তবু বাছাই পর্বের বৈতরণী পার করতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। রাশিয়া বিশ্বকাপেও মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি ইয়োহান ক্রুইফের উত্তরসূরিরা। দুই দলেরই সাম্প্রতিক ইতিহাস যদিও ব্যর্থতার, তবে সব শেষ দ্বৈরথে জয় কিন্তু জার্মানদেরই। নেদারল্যান্ডসকে তাদেরই মাঠে ৩-২ গোলে হারিয়ে গেছে জার্মানরা। অবশ্য আজ হামবুর্গে ফিরতি ম্যাচে ডাচদের বাড়তি প্রেরণা হতে পারেন ভার্জিল ফন ডাইক। কিছুদিন আগেই ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছেন এই লিভারপুল ডিফেন্ডার। তাঁকে দলে নিয়েও যদি হেরে যায় ডাচরা, সেটা তো তাঁর পুরস্কারেরই অসম্মান! উয়েফা

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা