kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আবার বিশ্বকাপে মেয়েরা

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আবার বিশ্বকাপে মেয়েরা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মেয়েরা : আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। গতকাল বাছাইয়ের সেমিফাইনালে আইরিশ মেয়েদের ৪ উইকেটে হারিয়েছে সালমা খাতুনের দল। এ নিয়ে টানা চতুর্থবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলবে বাংলাদেশ। ছবি : ফেসবুক

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফিতে এমন সমীকরণের সামনে ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটের পুরুষদের জাতীয় দল। সেমিফাইনাল জিতলেই নিশ্চিত হবে বিশ্বকাপ খেলা। বাংলাদেশ মহিলা জাতীয় দলের সামনে কাল ছিল একই উপলক্ষ। বাছাই পর্বের সেমিফাইনালে আয়ারল্যান্ডকে হারাতে পারলেই মিলবে আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার টিকিট। ৪ উইকেটের জয়ে সে লক্ষ্যপূরণ হয়েছে সালমা খাতুনের দলের।

এ নিয়ে টানা চতুর্থবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলবে তাঁরা।

কাজের কাজটি করে রেখেছিলেন বোলাররা। ২০ ওভারে আইরিশদের ৮৫ রানে অল আউট করে দিয়ে। ২৭ রানে ৪ উইকেট তুলে শুরুর ধাক্কা দেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। আইরিশরা এরপর গুছিয়ে ওঠে খানিকটা। লরা ডিলানির ২৫ এবং এইমের রিচার্ডসনের ১৭ বলে ২৫ রানে লড়াইয়ের পুঁজি পায়। বাংলাদেশের পাঁচ বোলারের প্রত্যেকে পান উইকেট। বাকিদের একটির বিপরীতে ফাহিমা খাতুনের তিন শিকার।

৮৬ রানের লক্ষ্য আর অমন কী! কিন্তু ৩০ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর সেটিই অনেক দূরের পথ মনে হতে থাকে। ভাগ্যিস, সানজিদা ইসলাম বাংলাদেশকে পথ হারাতে দেননি। ২৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট পড়ার পর ক্রিজে যান, থাকেন দলের জয় নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত। তাঁর ৩৭ বলে অপরাজিত ৩২ রানের ইনিংসটিই আসলে বাংলাদেশকে নিয়ে যায় আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। পঞ্চম উইকেটে ৩৮ রানের জুটিতে তিনি ভালো সঙ্গ পান রিতু মনির (১৫) কাছ থেকে। ৯ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে জয় এবং বিশ্বকাপ টিকিট নিশ্চিত করে বাংলাদেশের মেয়েরা।

দলের এমন সাফল্যে খুশি বিসিবির ওমেন্স উইংয়ের ইনচার্জ নাজমুল আবেদীন ফাহিম। তবে মেয়েদের সামর্থ্য জানেন বলেই তাঁর প্রত্যাশা ছিল আরো বেশি, ‘বিশ্বকাপে যেতে পারছি, এটি অবশ্যই ভালো ব্যাপার। প্রতিপক্ষ দলগুলোর যে শক্তি এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই স্তরে অভিজ্ঞতা—তাতে ম্যাচগুলো আরো সহজে জেতার কথা ছিল। হয়তো একটু স্নায়ুচাপে ভুগছিল মেয়েরা।’ বিশ্বকাপ নিশ্চিত হওয়ায় ফাইনালে আরো নির্ভার হয়ে দল খেলবে বলে আশা তাঁর, ‘গত বাছাই পর্বে আমরা আরো স্বাচ্ছন্দ্য ছিলাম। এবার বিশ্বকাপ নিশ্চিত হওয়ায় আশা করি ফাইনালে ওরা আরো মন খুলে খেলতে পারবে। এখানে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপে যেতে পারলে তা আত্মবিশ্বাস বাড়াবে অনেক। এ মেয়েরাই তো এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সামনে ওরা আরো অনেক দূর যাবে বলে আমি প্রবলভাবে আশাবাদী।’

টানা চতুর্থ বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে সেই আশার পথেই যেন আরেক পদক্ষেপ আঁকলেন বাংলাদেশের মেয়েরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা