kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শিরোপার সুবাস পাচ্ছেন নাদাল

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিরোপার সুবাস পাচ্ছেন নাদাল

তৃতীয় সেটের শুরুতে বাঁ হাতে অস্বস্তি বোধ করছিলেন। গত আসরের শঙ্কাটা ফিরে আসে তাতে। সেবার ইউএস ওপেনেরই সেমিফাইনালে হাঁটুর চোট নিয়ে কোর্ট ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হয় তাঁকে। কাল অবশ্য সমস্যাটা উতরে গেলেন। আর্জেন্টিনার ডিয়েগো শোয়ার্জমানের বিপক্ষে ৬-৪, ৭-৫ ও ৬-২ গেমে জয়ও পেলেন কোয়ার্টার ফাইনালে। তাতে ১৯তম গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপার পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছেন রাফায়েল নাদাল।

ম্যাচ শেষে নিজের ফিটনেস নিয়েও স্বস্তি প্রকাশ পেয়েছে তাঁর কণ্ঠে, ‘আমি ঠিক আছি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে খেলতে হয়েছে আজ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেটে তাই কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। পরে অবশ্য অস্বস্তিটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি।’ সেমিতে ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনির বিপক্ষে খেলবেন নাদাল। গ্র্যান্ড স্লামে যেটি হবে তাঁর ৩৩তম সেমিফাইনাল। এর চেয়ে বেশিবার গ্র্যান্ড স্লাম সেমিফাইনাল খেলেছেন শুধু দুজন—রজার ফেদেরার ও নোভাক জোকোভিচ। দুজনই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছেন এরই মধ্যে। সাবেক গ্র্যান্ড স্লামজয়ীদের মধ্যে এখন একমাত্র নাদালই ইউএস ওপেনের শেষ চারে। স্বাভাবিকভাবে শিরোপার সুবাস এখন তাঁকে ঘিরেই।

মেয়েদের কোর্টে সুইস বিপ্লব ঘটাতে চলেছেন বেলিন্দা বেনচিচ। মার্টিনা হিঙ্গিসের পর কোনো সুইস যে আর মেয়েদের গ্র্যান্ড স্লাম জিততে পারেননি। ডোনা ভেকিচকে হারিয়ে এবারের আসরের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা বেনচিচকে ঘিরে এখন সেই আশা। রজার ফেদেরার আর স্টান ওয়ারিংকার কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায়ের পর পুরো আসরেই সুইস পতাকাটা এখন তাঁর হাতে। ভেনচিচ স্বপ্ন দেখছেন, ‘আমরা তিনজনই সেমিফাইনালে থাকলে সবচেয়ে দারুণ হতো। এখন আমাকেই করতে হবে বাকি কাজটা। আশা করি ওদের আমি ডুবাব না।’ এএফপি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা