kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

কমপ্লেক্স মাঠে এএফসি কাপ খেলার স্বপ্ন দেখি

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কমপ্লেক্স মাঠে এএফসি কাপ খেলার স্বপ্ন দেখি

বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাজ শুরু হয়ে গেছে। দেড় হাজার কোটি টাকা খরচে ১০০ বিঘা জমির ওপর আগামী বছরের মধ্যে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে যাবে এই কমপ্লেক্স। এই কমপ্লেক্স এবং বসুন্ধরা কিংসের পরিকল্পনা নিয়ে কালের কণ্ঠস্পোর্টসের সঙ্গে কথা বলেছেন কিংসের প্রেসিডেন্ট ইমরুল হাসান

কালের কণ্ঠস্পোর্টস : প্রিমিয়ার ফুটবলে অভিষেকে বসুন্ধরা কিংস দুটো শিরোপা জিতেছে। এখন বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্স তৈরি করছেন। আসলে কী করতে চাইছে বসুন্ধরা গ্রুপ?

ইমরুল হাসান : দেশের শীর্ষ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ ব্যবসা করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড করে। দেশের ফুটবল উন্নয়নে আমরা অবদান রাখতে চাই। বসুন্ধরা কিংস এবার লিগ চ্যাম্পিয়ন হলেও এদেশের ফুটবল উন্নয়নের জন্য দেশি খেলোয়াড়দের তুলে আনা দরকার। এই কমপ্লেক্সে একটা পূর্ণাঙ্গ ফুটবল একাডেমি চালু করে আমরা নতুন খেলোয়াড় তৈরিতে অবদান রাখতে চাই। সত্যি বললে আমরা চাই ফুটবলের সামগ্রিক উন্নয়ন।

প্রশ্ন : এক মৌসুম পর থেকেই এই কমপ্লেক্স হবে বসুন্ধরা কিংসের হোম ভেন্যু...

ইমরুল : এটা বসুন্ধরা কিংস ও শেখ রাসেলের হোম ভেন্যু হবে। তবে আমার লক্ষ্য হলো, এই মাঠে এএফসি কাপের ম্যাচ খেলা। এবার হয়তো হবে না, সামনে কখনো সুযোগ পেলে নিজেদের মাঠেই বসুন্ধরা কিংস খেলবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ।

প্রশ্ন : বসুন্ধরা কিংস সামনে কি আরো শক্তিশালী হয়ে আসছে ?

ইমরুল : সেটা তো হবেই। আগের চেয়ে ভাল দল গড়ার চ্যালেঞ্জ থাকবেই। এবার প্রধান কাজ হলো আমাদের রক্ষণভাগকে ভালভাবে সাজানো। আমরা মনে করি, বাকিটুকু ঠিক আছে।

প্রশ্ন : কিন্তু আগের বিদেশিদের মধ্যে কলিনড্রেস ছাড়া বাকি কাউকে নাকি রাখছেন না ?

ইমরুল : আমাদের চোখ এখন এএফসি কাপে। এবার পাঁচ বিদেশী নেওয়ার সুযোগ আছে। ইতিমধ্যে আমরা লেবানন জাতীয় দলের তরুণ স্ট্রাইকার মোহাম্মদ জালাল কদুকে নিয়েছি। আরো কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ চলছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এএফসি কাপে ভাল করা। তাই শুরু থেকে একটি শক্তিশালী নিয়ে অভিযান শুরু করতে চাই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা