kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

জাতীয় দলে এক নম্বর হওয়ার লড়াইটা কঠিন

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাতীয় দলে এক নম্বর হওয়ার লড়াইটা কঠিন

দুর্দান্ত একটা মৌসুম শেষ করে গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো তাজিকিস্তান গেছেন জাতীয় দলের সঙ্গে। বসুন্ধরা কিংসের দুটি ট্রফি জিতেও এখনো পারেননি তিনি জাতীয় দলের এক নম্বর গোলরক্ষক হতে। নিজের পারফরম্যান্স ও জাতীয় দল নিয়ে এই গোলরক্ষক গতকাল টেলিফোনে কথা বলেছেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের সঙ্গে।

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : আফগানিস্তান ম্যাচের প্র্যাকটিস শুরু হয়ে গেছে?

আনিসুর রহমান : হ্যাঁ। দীর্ঘ ভ্রমণের পর আমরা সবাই ক্লান্ত। তাই খুব বেশি ট্রেনিং হয়নি, হালকা ওয়ার্ম-আপ হয়েছে। মূলত সেটপিস, ফ্রি-কিক মারার প্র্যাকটিস হয়েছে। এ ছাড়া রক্ষণের পর কিভাবে আক্রমণে উঠব, সেগুলো দেখিয়েছেন কোচ।

প্রশ্ন : সিনথেটিক টার্ফে খেলা তো কঠিন। এই মাঠে তো আজ আপনাদের প্রথম প্র্যাকটিস ম্যাচ...

আনিসুর : আমরা দেশে পুরোটা সময় খেলি ঘাসের মাঠে, তাই টার্ফে খেলতে স্বাভাবিকভাবে একটু সমস্যা হবেই। এখানে খুব দ্রুত বল ঘোরে, তাই নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়। তবে এই কদিন প্র্যাকটিস করলে আশা করি সবাই মানিয়ে নিতে পারবে। আগামীকালের (আজ) ম্যাচের প্রতিপক্ষ তাজিকিস্তানের একটি শক্তিশালী ক্লাব দল। তাদের সম্পর্কে তো আসলে আমরা কিছু জানি না। আমার মনে হয়, এই ম্যাচে কাউন্টার অ্যাটাকে খেলার প্র্যাকটিসটাই করাবেন। প্রথমে রক্ষণ আগলে পরে কাউন্টারে ওঠার খেলাই আমরা এত দিন ধরে খেলে আসছি।

প্রশ্ন : আপনি কি এই মাচে একাদশে জায়গা পাবেন?

আনিসুর : সেটা আমি জানি না। তবে মনে হয়, কোচ সবাইকে খেলার সুযোগ দেবেন প্র্যাকটিস ম্যাচে। দুটি প্র্যাকটিস ম্যাচে যারা ভালো করবে, তাদের নিয়েই আফগানিস্তান ম্যাচের একাদশ সাজাবেন।

প্রশ্ন : এ মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসে এক নম্বর গোলরক্ষকের জায়গা জিতে নিয়েছেন। কিন্তু এখনো জাতীয় দলে পারেননি...

আনিসুর : ক্লাব ফুটবলে আমি ভালো খেলেছি গত মৌসুমে। ১২টি ক্লিন শিট আছে আমার। এর পরও জাতীয় দলের লড়াইটা বেশ কঠিন। দুই বছর ধরে খেলছি জাতীয় দলে, এখনো প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলে কাটিয়ে দিচ্ছি, এটা আমারও ভালো লাগছে না। তবে কিছু করার নেই, রানা ভাইয়ের সঙ্গে এক নম্বর গোলরক্ষক হওয়ার লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা