kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চোট ছিটকে দিল জোকোভিচকে

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চোট ছিটকে দিল জোকোভিচকে

ব্যথায় কাঁধ নাড়ছিলেন বারবার। ম্যাচে ছিল না ছন্দও। তৃতীয় সেটের মাঝপথে যা বোঝার বুঝে যান নোভাক জোকোভিচ, দর্শকরাও। ৪-৬, ৫-৭, ১-২ গেমে স্তানিসলাস ওয়ারিঙ্কার বিপক্ষে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন জোকোভিচ। গাঁটের পয়সা খরচ করে ম্যাচ দেখতে আসা দর্শকরা তা মানবে কেন? ইউএস ওপেনের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কোর্ট ছাড়ার সময় তাই দুয়ো দিতে থাকে তারা। হতাশ জোকোভিচ ক্ষমা চেয়ে নেন তাদের কাছে, ‘দর্শকদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তারা পুরো ম্যাচ দেখতে এসেছিল, দুঃখিত আজ সেটা সম্ভব নয়।’

জোকোভিচের বিদায়ের দিনে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছেন রজার ফেদেরার, দানিয়েল মেদভেদেভ, গ্রিগর দিমিত্রভ, সেরেনা উইলিয়ামস ও জোহানা কন্টা। ড্রতে একই অর্ধে ছিলেন ফেদেরার ও জোকোভিচ। তাঁরা মুখোমুখি হতে পারতেন সেমিফাইনালে। গত সাত বছর জোকোভিচকে হারাতে না পারা ফেদেরার তাই স্বস্তি পেতেই পারেন বর্তমান নাম্বার ওয়ানের বিদায়ে।

২০১৬ ইউএস ওপেন ফাইনালে জোকোভিচকে হারিয়েছিলেন ওয়ারিঙ্কা। সেই হারের প্রতিশোধ নিতে মুখিয়ে ছিলেন ‘জোকার’। কিন্তু হলো উল্টোটা। পুরো টুর্নামেন্ট কাঁধের ব্যথায় ভোগা এই সার্বিয়ান শেষ ১৬-র ম্যাচটিতে ডাক্তার ডেকেছেন কয়েকবার। প্রথম দুই সেট হারের পর তৃতীয় সেটে সাইডলাইনে বসে ছিলেন কিছুক্ষণ। মন খারাপ করা সিদ্ধান্তটা তখনই নেন জোকোভিচ, ‘এটা হতাশার, খুব বেশি মন খারাপের। তবে চোটের জন্য মাঝপথে সরে দাঁড়ানো প্রথম বা শেষ খেলোয়াড় নই আমি। চোট নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। জীবন থেমে থাকবে না। এগিয়ে যেতে হবে।’

এর আগে ২০০৫ সালের ফ্রেঞ্চ ওপেনে গিলের্মো কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের মাঝপথে সরে দাঁড়ান জোকোভিচ। ২০০৬ সালের ফ্রেঞ্চ ওপেন, ২০০৭ সালের উইম্বলডন, ২০০৯ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন আর ২০১৭ সালের উইম্বলডনেও হার মানেন চোটের কাছে। গত পাঁচ গ্র্যান্ড স্লামের চারটি জেতা জোকোভিচের এভাবে সরে দাঁড়ানোয় সমবেদনা জানাতে ভোলেননি ওয়ারিঙ্কা, ‘ম্যাচের মাঝপথে কেউ চলে যেতে চায় না। জোকোভিচের জন্য খারাপ লাগছে, দুর্দান্ত এক চ্যাম্পিয়ন ও।’

ইউএস ওপেনে শুরুটা ভালো হয়নি ফেদেরারের। প্রথম দুই ম্যাচেই হারেন প্রথম সেট। এরপর ঠিক চেনা ছন্দে ২০ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী এই কিংবদন্তি। চতুর্থ রাউন্ডে মাত্র ৭৯ মিনিটে দাভিদ গোফিনকে হারিয়েছেন ৬-২, ৬-২ ও ৬-০ গেমে। এমন জয়ে তাঁর সন্তুষ্টি, ‘কখনো কখনো সব কিছু দ্রুত ঘটে যায়। এই ম্যাচে সেটাই হয়েছে।’ কোয়ার্টার ফাইনালে ফেদেরার খেলবেন ‘বেবি ফেদেরার’ খ্যাত গ্রিগর দিমিত্রভের বিপক্ষে। এএফপি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা