kalerkantho

মুখোমুখি প্রতিদিন

জাতীয় দলে আমার ভূমিকাটা ভিন্ন

২৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাতীয় দলে আমার ভূমিকাটা ভিন্ন

জাতীয় দলের দুই স্ট্রাইকার নাবিব নেওয়াজ ও মতিন মিয়া এবার প্রিমিয়ার লিগেও গোলের মধ্যে ছিলেন। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে এই ফর্ম টেনে নেওয়ার আশা তাঁদের কাছে। তবে বসুন্ধরা কিংসে খেলা মতিন মিয়া জানিয়েছেন ক্লাবের চেয়ে জাতীয় দলের হয়ে তাঁর কাজটা কঠিন

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ক্লাবের হয়ে একটি ভালো মৌসুম কাটালেন, জাতীয় দলে ফিরে কতটা আত্মবিশ্বাসী লাগছে?

মতিন মিয়া : ক্লাবের হয়ে আসলেই একটা ভালো সময় গেছে। লিগে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। তাতে অবশ্যই আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। সেটা জাতীয় দলে কাজে লাগাতে চাই। আগে আমাদের স্কোরিংয়ে সমস্যা ছিল। এবার লিগে আমরা অনেকেই গোল পেয়েছি। এখন মনে হচ্ছে জাতীয় দলে আমি গোল না পেলেও জীবন ভাই গোল করে দেবে, জীবন ভাই না পারলে আমি করব—এই আত্মবিশ্বাসটাই আগে ছিল না।

প্রশ্ন : চ্যাম্পিয়ন দলের স্ট্রাইকার হিসেবেও নিশ্চয় জাতীয় দলে একটা দায়বদ্ধতা আছে আপনার?

মতিন : স্ট্রাইকারের কাজ হলো ফিনিশিং, সেটা করতে পারলেই শুধু আমি বাহবা পাব। এখন যেমন আত্মবিশ্বাস আছে আশা করি আমি পারব।

প্রশ্ন : জাতীয় দলে এখনো তো গোলের খাতা খোলা হয়নি আপনার?

মতিন : হ্যাঁ, খুব বেশি ম্যাচও খেলা হয়নি আমার। যে কয়টা খেলেছি বদলি হিসেবেই বেশি। এবার সুযোগটা কাজে লাগাতে চাই।

প্রশ্ন : বসুন্ধরা কিংসে মার্কোস ভিনিসিয়াসের সঙ্গে আপনার বেশ ভালো বোঝাপড়া দেখা গেছে, জাতীয় দলের সতীর্থদের সঙ্গে এই বোঝাপড়াটা কেমন?

মতিন : ক্লাব আর জাতীয় দল আসলে ভিন্ন। ক্লাবে আমি আক্রমণে যতটা স্বাধীনতা পাই জাতীয় দলে সেটা হয় না। জাতীয় দলে আমি রাইট উইংয়ে খেলি, আর এখানে উইঙ্গারের ডিফেন্সিভ ভূমিকাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সব সময় ডিফেন্স ঠিক রাখার কথাটা মাথায় রাখতে হয়, এরপর আক্রমণ। যে কারণে ওপরে বেশি সময় থাকা হয় না। তার পরও সব কিছু মানিয়ে আমি ভালো কিছু করব আশা করি।

প্রশ্ন : মূল একাদশেও নিয়মিত হওয়াটা কঠিন কি সে কারণেই?

মতিন : জাতীয় দলে আসলে অনেক ভালো খেলোয়াড়। আমাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই মূল একাদশে জায়গা পাকা করতে হবে। আমি সেই চেষ্টাই করছি।

মন্তব্য