kalerkantho

ডমিঙ্গোকে নিয়ে যেখানে আশা

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের কোচ তিনি। পরবর্তী সময়ে আরেক দফায় মূল কোচ এবং আরো পরে বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সারোয়ার ইমরান জাতীয় দলের সর্বশেষ কয়েকজন কোচ নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না মোটেও। নতুন কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বাংলাদেশ ক্রিকেট ভিতকে আবার শক্ত করে দিতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

 

ইমরানকে আশা দিচ্ছে বাংলাদেশ নিয়ে ডমিঙ্গোর আগ্রহ। এই প্রোটিয়ার নাম ঘোষণার সময় বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান যেমনটা বলেছিলেন, তাঁর নাকি ছুটির কোনো বায়নাক্কা নেই। ‘আমাদের আগের কিছু কোচের বেলায় দেখেছি, ওরা পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালন করে না। আমি বোঝাতে চাইছি, ওরা জাতীয় দলের অ্যাসাইনমেন্ট থাকলে সপ্তাহখানেক আগে আসত; খেলা শেষের দু-এক দিনের মধ্যে চলে যেত। নতুন কোচের কথা যতটুকু পড়েছি, তাতে তিনি নাকি বেশির ভাগ সময় বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে থাকবেন। খেলা থাকলেও থাকবেন, না থাকলেও। এটি আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার বলে মনে হয়েছে’—বলেছেন ইমরান।

জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘এ’ দল, অনূর্ধ্ব-১৯, এইচপি দলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতে চান ডমিঙ্গো। তাঁর এই ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে বাস্তবতা বিবেচনায় একটি পরামর্শও দিয়েছেন ইমরান, ‘বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটসূচি এত ব্যস্ত থাকে যে, এর বাইরে সময় বের করা যেকোনো কোচের জন্য কঠিন। সে ক্ষেত্রে তিনি ওই দলগুলো এবং বয়সভিত্তিক দলগুলোর কোচের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতে পারেন। ওই কোচদের সঙ্গে সাত দিন, ১৫ দিন কিংবা মাসে একবার হলেও বসে মতবিনিময় করতে পারেন। আইডিয়ার আদান-প্রদান হলে বাংলাদেশের কোচরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি ডমিঙ্গোও এ দেশের ক্রিকেটকে আরো ভালো সার্ভিস দিতে পারবেন।’ বাংলাদেশ ক্রিকেটের পরের প্রজন্মের ক্রিকেটার তৈরি করে দেবেন ওই প্রোটিয়া তেমন প্রত্যাশা সাবেক কোচের, ‘সিনিয়র ক্রিকেটারের ওপর তো আর সারা জীবন নির্ভর করতে পারি না। নতুন খেলোয়াড় তাই খুঁজে বের করতেই হবে।’

বাংলাদেশের নতুন চেহারার কোচিং স্টাফে রয়েছেন আরো চার প্রোটিয়া। এর মধ্যে পেস বোলিং কোচ শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট এবং সীমিত ওভারের ব্যাটিং কোচ নেইল ম্যাকেঞ্জি আগেও কাজ করেছেন ডমিঙ্গার সঙ্গে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলের কোচ থাকার সময় কোচিং প্যানেলে নিয়েছিলেন তাঁদের। নিলেন এবারও। এটিকে ইতিবাচক মেনেই আরেকটি পরামর্শ বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের কোচের, ‘ডমিঙ্গোর কোচিং স্টাফে পুরনোরা থাকায় অবশ্যই সুবিধা হবে। পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকবে। তবে আমি মনে করি, সবচেয়ে ভালো হবে যদি কোচিং স্টাফে একজন বাংলাদেশিকে রাখা হয়। ডমিঙ্গো এবং পুরো বিদেশি কোচিং স্টাফের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মসৃণ যোগাযোগে তিনি বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।’

মন্তব্য