kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

মুখোমুখি প্রতিদিন

নির্বাচনের আগে সবার কদর বাড়ে

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্বাচনের আগে সবার কদর বাড়ে

এক বছর বিরতি দিয়ে এবার শুরু হচ্ছে প্রথম বিভাগ ফুটবল লিগ। তার আগে ক্লাবগুলোর সঙ্গে গতকাল মতবিনিময় সভা করেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। ১৩টি ক্লাবের প্রতিনিধিরা তাঁদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। সভা শেষে মহাখালী একাদশের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক পাশা মিলন কথা বলেছেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের সঙ্গে 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : প্রথম বিভাগের ক্লাবগুলোর সঙ্গে আজ (কাল) বাফুফে সভাপতি বসেছিলেন...

মোস্তাক পাশা মিলন : আগে প্রথম বিভাগের ক্লাবগুলো তার কাছে একটা চিঠি পাঠিয়েছিলাম। প্রথম বিভাগের দলগুলোর জন্য আমরা পাঁচ লাখ টাকা করে অনুদান দাবি করেছিলাম বাফুফের তরফ থেকে। সে কারণেই এই বৈঠক। আমাদের সমস্যাগুলোর কথা তুলে ধরেছি এবং সালাউদ্দিন সাহেব দুই লাখ টাকার চেক গতকাল দিয়েছেন। বাকি তিন লাখ টাকা করে পরে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

প্রশ্ন : হঠাৎ দাবি জানিয়ে বসলেন?

মিলন : সত্যি বললে, বাফুফে নির্বাচনের আগে সবার কদর বাড়ে। নির্বাচন হয়ে গেলে বাফুফের কেউ ডেকে কথাও বলে না। তাই এটাই ছিল মোক্ষম সময়, নির্বাচনী হাওয়া শুরু হয়েছে ফুটবলে।

প্রশ্ন : প্রথম বিভাগের একটি দল গড়তে সাধারণত কত টাকা খরচ হয়?

মিলন : বাফুফের এই অনুদানে তেমন কিছু হবে না। একটা দল গড়তে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা খরচ হয়। আমাদের এখানেই খেলোয়াড় তৈরি হয়, অথচ এই লিগের প্রতি নজর কম। দেশের ফুটবলের অবস্থা কিন্তু খুব খারাপ, এর মধ্যেও আমরা ক্লাবগুলো চেষ্টা করছি খেলাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে। আমার জীবনের ৩৫ বছর কেটে গেছে এই মহাখালী একাদশে। এটা নেশার মতো হয়ে গেছে, তাই ছাড়তেও পারি না।

প্রশ্ন : খেলোয়াড় বিক্রি থেকেও তো আপনাদের একটা আয় হয়...

মিলন : আমাদের খেলোয়াড়রা যখন চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ কিংবা প্রিমিয়ারে নাম লেখায় তখন একটা ফি আমাদের প্রাপ্য হয়। খেলোয়াড় যে ক্লাবে যায় তাদের কাছ থেকে ওই ফি কেটে রাখত বাফুফে, পরে আমাদের দিত। গত ছয়-সাত বছর ধরে সেই টাকাটাও আমরা পাই না। এই অভিযোগ শুনে বাফুফে সভাপতি তাঁর সম্পাদককে ওই টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা