kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

ফন ডাইকের পর ম্যাগুইয়ার

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফিরজিল ফন ডাইকের জন্য ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছিল লিভারপুল; ২০১৮-র জানুয়ারিতে। পারফরম্যান্স দিয়ে তা কড়ায়-গণ্ডায় পুষিয়ে দিচ্ছেন ওই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। হ্যারি ম্যাগুইয়ারের কাছ থেকে ঠিক তেমনটাই প্রত্যাশা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। কদিন আগে লিস্টার সিটি থেকে ৮০ মিলিয়ন পাউন্ডে কিনে এই সেন্টার ব্যাকের গায়ে যে সর্বকালের সবচেয়ে দামি ডিফেন্ডারের তকমা সেঁটে দিয়েছে তারা!

ম্যাগুইয়ার প্রত্যাশা মেটাতে পারবেন কি না, সে উত্তর সময়ের কাছে। তবে তাঁকে দলে ভিড়িয়ে নিঃসন্দেহে শক্তি বেড়েছে ম্যানইউর। এ দলবদলে আনন্দিত ম্যাগুইয়ার, ‘ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মতো দুর্দান্ত ক্লাবে নাম লেখাতে পেরে আমি আনন্দিত।’ এই ডিফেন্ডারের আগে ক্রিস্টাল প্যালেস থেকে ৫০ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে রাইট ব্যাক অ্যারন ওয়ান-বিসাকা এবং ১৫ মিলিয়নে সোয়ানসি থেকে ড্যানিয়েল জেমসকে কিনেছে ম্যানইউ। কিন্তু গত মৌসুমে লিগে ষষ্ঠ হওয়া এবং চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে ৩২ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা দলের জন্য এ দলবদলগুলো যে যথেষ্ট না, সেটি স্পষ্ট।

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানসিটিও বসে নেই। এত অসাধারণ স্কোয়াড, তবু স্কোয়াডে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের প্রয়োজনে আতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে রদ্রিকে এসেছে। খরচ হয়েছে ৬২.৮ মিলিয়ন পাউন্ড, যা ক্লাবের সর্বোচ্চ। রিয়াদ মাহারেজের ৬০ মিলিয়ন ছাপিয়ে। পেপ গার্দিওলার দলে যোগ দিতে পেরে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি খুশি, ‘গত দুই বছরে ম্যানসিটির অর্জন বিস্ময়কর। সেটি শুধু তাদের জেতা শিরোপাগুলোর জন্য না, যেমন আক্রমণাত্মক ফুটবলে ওই সাফল্য এসেছে—সে কারণেও। এই প্রতিভাবান স্কোয়াডের অংশ হওয়ার জন্য তাই মুখিয়ে আছি।’ এ ছাড়া জুভেন্টাস থেকে রাইট ব্যাক জোয়াও কানসেলোকে ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডে এনেছে ম্যানসিটি।

গত মৌসুমে মাত্র ১ পয়েন্টের জন্য শিরোপা জিততে পারেনি লিভারপুল। এবারের দলবদলের মৌসুমে উল্লেখযোগ্য কাউকে কেনেনি দলটি; ছাড়েওনি তেমন কাউকে। চেলসি থেকে চলে গেছেন ক্লাব কিংবদন্তি এডেন হ্যাজার্ড। তাঁর জায়গা পূরণের প্রত্যাশা ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচকে দিয়ে। বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ৬৪ মিলিয়ন ইউরোতে গেল জানুয়ারিতে কিনে রেখেছিল চেলসি। ধারে মৌসুমের বাকিটা সময় জার্মান ক্লাবটিতেই খেলেন ওই উইঙ্গার। এবার চেলসিতে এসে হ্যাজার্ডের অভাব কতটা পূরণ করতে পারেন, দেখা যাক।

ক্লাব রেকর্ড ৭২ মিলিয়ন পাউন্ডে আর্সেনাল লিল থেকে কিনেছে নিকোলাস পেপেকে। আইভরি কোস্টের ২৪ বছরের এই উইঙ্গারের সঙ্গে করেছে পাঁচ বছরের চুক্তি। ফ্রেঞ্চ লিগের সর্বশেষ মৌসুমে ২২ গোল করা পেপে দারুণ আনন্দিত, ‘আমি অনেক বাধা পেরিয়ে আজকের এ জায়গায় এসেছি। সে কারণেই আর্সেনালের মতো ক্লাবে নাম লেখানোটা আমার জন্য বড় এক পুরস্কার। ক্যারিয়ারে ঠিক সময়ে ঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিশ্চিত যে, আর্সেনালে এসে আমি ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আর্সেনালের প্রতিবেশী টটেনহামও নতুন করে গড়েছে নিজেদের ক্লাব রেকর্ড। ফরাসি মিডফিল্ডার তানগাই এনদমবেলেকে লিঁও থেকে কিনেছে ৬০ মিলিয়ন ইউরোতে; পারফরম্যান্সের ওপর যা বেড়ে ৭০ মিলিয়নও হতে পারে। এএফপি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা