kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

স্কোয়াশে তদন্ত ঈদের পর

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : ঈদের পরই তদন্ত হবে সোহেল হামিদের স্কোয়াশ ফেডারেশনে। সোহেল হামিদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে জড়িয়ে আছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বাজেট অফিসার তাইজুল ইসলামের নামও। এ ব্যাপারে ক্রীড়া পরিষদ তদন্ত শুরু করবে ঈদের পর।

স্কোয়াশ ফেডারেশনের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হামিদ (জাহাঙ্গীর হামিদ সোহেল) প্রথমবারের মতো পড়েছেন চাপে। তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে পরশু সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফেডারেশনের ২৬ সদস্যের নির্বাহী কমিটির এক সদস্য হেদায়েত উল্লাহ তুর্কী। সুবাদে তালাবদ্ধ ফেডারেশন ও সেটির সম্পাদক হঠাৎ আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বরাদ্দ হালাল করার অভিযোগ তোলা হয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। এর সঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বাজেট অফিসার তাইজুল ইসলামের যোগসাজশের কথা বলা হয়েছে। এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি ফেডারেশন থেকেও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ আছে। যদিও তারা কেউ নাম প্রকাশ করতে চাননি পরবর্তী সময়ে চেক নিয়ে টালবাহানা করার ভয়ে।

তবে তাইজুল ইসলাম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, ‘স্কোয়াশের কোনো ব্যাপারে আমি জড়িত নই। তারা চিঠি দিয়ে চেক ছাড় করিয়ে নেয়।’ অন্য কয়েকটি ফেডারেশন থেকেও একই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি, ‘এসব আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত। কমিশনের কোনো সুযোগ নেই। বিল-ভাউচার দিয়ে প্রথম কিস্তির টাকা সমন্বয় করে দ্বিতীয় কিস্তির আবেদন করলে আমি চেক পাঠিয়েছি।’ তিনি যা-ই বলুন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরো ব্যাপারটি তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিষদের আইন কর্মকর্তা কবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘এ ব্যাপারে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সচিব স্যার বলেছেন, ঈদের পরই এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হবে।’ সংবাদ সম্মেলন ডাকার আগেই হেদায়ত উল্লাহ তুর্কী স্কোয়াশের অভিযোগপত্র দিয়েছিল ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও ক্রীড়া পরিষদের কাছে। কবিরুলের দাবি, ‘অভিযোগের ফাইল তৈরি হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা