kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

হেড কোচ হতে চাননি ডমিঙ্গো

৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হেড কোচ হতে চাননি ডমিঙ্গো

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সাক্ষাৎকার দিতে গেছেন রাসেল ডমিঙ্গো। তাই ধানমণ্ডিতে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসানের কর্মস্থল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কার্যালয়ে কাল বিকেলে সংবাদমাধ্যমের উপচে পড়া ভিড়। জাতীয় দলের সম্ভাব্য হেড কোচ হিসেবে তাঁর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে বলা হলেও আসলে ওই পদে এই দক্ষিণ আফ্রিকান আবেদনই করেননি। বরং তিনি নিজের এজেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ ‘এ’ দল অথবা হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের কোচ হতেই আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন!

হেড কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে সে তথ্যই। যে কারণে নতুন কোচ নিয়োগের চলমান ডামাডোলে ঘটা করে ডমিঙ্গোর সাক্ষাৎকার নেওয়াটা অনেকটা হয়ে উঠেছিল ‘লোক দেখানো’ ব্যাপারও। ২০১৭-র আগস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় দলের হেড কোচ থাকা অবস্থায় অবনমন হয় তাঁর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওটিস গিবসন ওই পদে নিয়োগ পাওয়ার পর ডমিঙ্গোকে করা হয় প্রোটিয়া ‘এ’ দলের হেড কোচ। এখনো ওই দায়িত্বে থাকা ডমিঙ্গো স্বাভাবিক কারণেই নিজেও বাংলাদেশের হেড কোচ হওয়ার আশা করেননি।

তিনি বরং বাংলাদেশ ‘এ’ অথবা এইচপি দলের কোচ হওয়ার জন্য অত্যন্ত ‘সস্তার প্যাকেজ’ও প্রস্তাব করেছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে সূত্রটি। সত্যিই তাই। যেখানে এইচপির বর্তমান হেড কোচ অস্ট্রেলিয়ার সাইমন হেলমটই তিন মাসের চুক্তিতে নেন ৭৫ হাজার ইউএস ডলার, সেখানে ডমিঙ্গোর এজেন্টের প্রস্তাব ছিল আট হাজার ইউএস ডলারের কিছু বেশি! দক্ষিণ আফ্রিকায় তাঁর মাসিক বেতন যে ওই আট হাজারই। চন্দিকা হাতুরাসিংহে এবং স্টিভ রোডসের পেছনে যথাক্রমে মাসে প্রায় ২৮ হাজার এবং ২০ হাজার ডলার গুনে আসা বিসিবির জন্য অবশ্য এটি একেবারেই সস্তার সমাধান!

 

মন্তব্য