kalerkantho

প্রশংসায় গা ভাসাচ্ছেন না পাইনরা

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রশংসায় গা ভাসাচ্ছেন না পাইনরা

এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে মাঠে ফেরা প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসেই শতরান। তাও আবার দলের বিপর্যয়ের মুখে। অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমে চলছে স্টিভেন স্মিথের বন্দনা। অথচ ১৮ মাস আগেই ‘স্যান্ডপেপার-গেট’ কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকায় স্মিথদের রীতিমতো গণশত্রু বানিয়ে ফেলা হয়েছিল! এই প্রশংসাস্রোতে এখনই গা ভাসিয়ে দিচ্ছেন না ক্রিকেটাররা। কারণ অ্যাশেজের তো সবে শুরু, আরো চারটি ম্যাচ তো এখনো মাঠে গড়ানো বাকি।

ব্যাট করতে নামার সময় দুয়ো শুনেছেন স্মিথ। ফিল্ডিং করার সময় গ্যালারি থেকে তাঁর উদ্দেশে ভেসে এসেছে বিদ্রুপ, ‘টিভিতে তোমাকে কাঁদতে দেখেছি।’ তবে মাঠে স্মিথই কাঁদিয়েছেন ইংরেজ বোলারদের। দ্বিতীয় ইনিংসে স্মিথ করেছেন ১৪২ রান আর গোটা ইংল্যান্ড দল মিলে তুলেছে ১৪৬ রান! তাইতো কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার স্মিথকে বলছেন ‘মুশকিল আসান’ হিসেবে, ‘আমি আগেই বলেছিলাম, বিরাট কোহলি এই সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান হলেও স্মিথের ইনিংস অন্য মাত্রার। আমি অ্যালান বোর্ডার, স্টিভ ওয়াহ, রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে খেলেছি। একেকটা সময়ে একেকজন সেরা খেলোয়াড় থাকে, তবে স্মিথ অমন চাপের মুখে চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখিয়ে যে ইনিংসটা খেলেছে, সেটা অবিশ্বাস্য শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্যের পরিচয় দেয়। গ্রেট হওয়ার সব বৈশিষ্ট্যই ওর মধ্যে আছে।’ স্মিথের জোড়া শতকের সঙ্গে নাথান লায়নের ঘূর্ণিতেই জয় করা গেছে এজবাস্টন দুর্গ, যেখানে ২০০১ সালের পর থেকে কোনো টেস্ট জেতেনি অস্ট্রেলিয়া।

১৪ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট জিতল অস্ট্রেলিয়া। শহরটাও বার্মিংহাম, উদ্‌যাপনের জায়গার কমতি নেই! তবু উদ্‌যাপনে ব্যস্ত না হয়ে পরের টেস্টের জন্য তৈরি হওয়াটাই টিম পাইনের কাছে সবার আগে, ‘এখনো আরো চারটি টেস্ট বাকি। আমরা এখানে শুধু প্রথম টেস্ট জিততে বা এজবাস্টনে জিততে আসিনি। আমরা এসেছি অ্যাশেজ জিততে।’ পরের টেস্টটা শুরু হতে অবশ্য প্রায় এক সপ্তাহ বাকি! তার আগে উস্টারশায়ারে তিন দিনের একটি ট্যুর ম্যাচ আছে অস্ট্রেলিয়ানদের।

লর্ডস টেস্ট শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকদের মধুর সমস্যারই সমাধান খুঁজতে হবে! সমস্যাটা হচ্ছে, তাদের হাতে আছে বিশ্বমানের পাঁচজন পেসার আর একাদশে জায়গা হতে পারে মাত্র তিনজনের। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি মিচেল স্টার্ককে একাদশের বাইরে রাখতে হয়েছে এজবাস্টনে, মিচেল মার্শের মতো কার্যকর অলরাউন্ডারও একাদশে জায়গা পাচ্ছেন না। উল্টোদিকে ইংল্যান্ডের ভিন্ন দশা। এজবাস্টনে চোট পেয়েছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন, ৪ ওভারের বেশি বলই করতে পারেননি। লর্ডস টেস্টে তাই থাকছেন না এই অভিজ্ঞ পেসার। তাঁর জায়গায় নিশ্চিতভাবেই অভিষেক হতে যাচ্ছে জোফরা আর্চারের। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, এএফপি

মন্তব্য