kalerkantho

জিম্বাবুয়ের আশায় বিসিবি

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জিম্বাবুয়ের আশায় বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক : যাদের অনুরোধে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ত্রিদেশীয় হয়ে গিয়েছিল, গত ১৯ জুলাই থেকে সেই জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের অবস্থাই টালমাটাল। আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় বিশেষ করে আর্থিক দিক দিয়ে তারা এমন কোণঠাসা যে সেপ্টেম্বরে ঢাকায় ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার ক্ষেত্রে তাদের সম্মতি এখনো মেলেনি। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী আশাবাদী, সেটি সহসাই মিলবে।

এমনকি জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ম্যাচ আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাবে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি, ‘ম্যাচের মর্যাদা নিয়ে কোনো অসুবিধা নেই। নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে না। জিম্বাবুয়ের বোর্ড তাদের সরকারের সঙ্গে কথা বলছে। আমাদের সিরিজটিতে খেলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের সঙ্গে সব শেষ যে কথা হয়েছে, সেখানেও বলেছে এই সিরিজটিতে তারা খেলতে চায়। আশা করছি, আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই ওদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমরা জানতে পারব।’ তবে জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশে এলে শুধু ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজই খেলবে না। সেটি শেষে খেলবে একটি ওয়ানডে সিরিজও।

বিসিবি যে সিরিজ আয়োজনে আগ্রহী অন্য কারণেও। বিশ্বকাপ শেষে ইংল্যান্ডেই সভাপতি নাজমুল হাসান বলেছিলেন, মাশরাফি বিন মর্তুজার বিদায়কে স্মরণীয় করার মতো কিছুই করতে চায় তারা। সে জন্য দেশের মাটিতে সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে প্রস্তাবিত ওয়ানডে সিরিজই যে সেটি, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু সে জন্য তো আগে জিম্বাবুয়ের বাংলাদেশে আসার নিশ্চয়তা পেতে হবে। যদিও নিষেধাজ্ঞার আগে জিম্বাবুয়ের আগ্রহেই তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বিসিবি। নিজাম উদ্দিন কাল বলেছেন সে কথাও, ‘আইসিসির এফটিপি (ফিউচার ট্যুরস প্রগ্রাম) অনুযায়ী আফগানিস্তানের সফরটি ছিল একটি টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের। কিন্তু জিম্বাবুয়ের অনুরোধেই টি-টোয়েন্টি সিরিজটি আমরা ত্রিদেশীয় করার সিদ্ধান্ত নিই আইসিসির গত সভায়। নিষেধাজ্ঞার কারণে জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণ নিয়ে কিছু সংশয় তৈরি হয়েছিল। তাদের ক্রিকেট বোর্ড আমাদের কাছে সময় চেয়েছিল। আশা করছি, দ্রুতই তাদের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা আমরা পেয়ে যাব।’

পেয়ে গেলেই মাশরাফিকে বিদায় দেওয়ার পরিকল্পনাও সাজাতে পারবে বিসিবি। ২০০৯-এর পর আর টেস্ট না খেলা ওয়ানডে অধিনায়ক নিজের ক্যারিয়ারের শেষ টি-টোয়েন্টিও খেলেছেন ২০১৭-র এপ্রিলে। কাজেই তাঁকে বিদায় দিতে হলে ওয়ানডে সিরিজই আয়োজন করতে হবে। তার ওপর বাংলাদেশের আসন্ন ব্যস্ত সূচির মধ্যে ওয়ানডেও নেই। শ্রীলঙ্কা সফরের পর বাংলাদেশ আবার ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাবে আগামী বছরের মে মাসে আয়ারল্যান্ড সফরে। এর আগে আপাতত ওয়ানডে খেলার সুযোগ বলতে যদি জিম্বাবুয়ে আসে। তারা নিশ্চিত করলেই বিষয়টি নিয়ে মাশরাফির সঙ্গেও বসবে বিসিবি। এর আগ পর্যন্ত তাই চলবে অপেক্ষা। তবে যদি জিম্বাবুয়ে না আসে, তাহলে আফগানিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সিরিজই খেলবে বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্ট দিয়ে সে সিরিজ শুরু হবে সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকেই। এই ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের নতুন আন্তর্জাতিক মৌসুমও। জিম্বাবুয়ে এলে ওই টেস্টের পর হবে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সে ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত ওয়ানডে সিরিজটি হবে সেপ্টেম্বরের শেষে অথবা অক্টোবরের শুরুতে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা