kalerkantho

শুমাখারের দেখানো পথ ধরে...

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শুমাখারের দেখানো পথ ধরে...

যেমন বাবা তেমন ছেলে। সাতবারের ফর্মুলা ওয়ান জয়ী মাইকেল শুমাখার এই খেলাটারই সর্বকালের সেরা। তাঁর ছেলে মিক শুমাখার কি গাড়ির স্টিয়ারিং না ধরে পারেন? বাবার উচ্চতায় কোনো দিন যাওয়া হবে কি না, উত্তরটা ভবিষ্যতের হাতে। তবে শুমাখারের দেখানো পথ ধরেই এগিয়ে চলেছেন ২০ বছর বয়সী মিক। গত বছর তিনি জিতেছিলেন ফর্মুলা থ্রির শিরোপা। এবার বাজিমাত ফর্মুলা টুতে। শিরোপা জিতলেন হাঙ্গেরিয়ান গ্রাঁপ্রির। ২৮ ল্যাপের এই রেসে ১.৪ সেকেন্ডের ব্যবধানে হারিয়েছেন জাপানের নবুহারু মাতসুসিতাতে।

হাঙ্গেরিয়ান গ্রাঁপ্রিতে চারটি শিরোপা আছে কিংবদন্তি মাইকেল শুমাখারের। এর সর্বশেষটি ১৫ বছর আগে। মোট ৯১টি গ্রাঁপ্রির চারটি এক ভেন্যুতে থাকা বিশেষ কিছু। বাবার প্রিয় এই ট্র্যাকে ফর্মুলা টু জিতে উচ্ছ্বসিত মিক, ‘বাবা এই ট্র্যাকটা ভীষণ উপভোগ করতেন। ভালো লাগছে এখানে একটি শিরোপা জিতে। আমার দাদি আর বোন এসেছে হাঙ্গেরিতে। মা দেখেছেন বাড়িতে বসে। খুব মিস করছি বাবাকে।’

সুইজারল্যান্ডের আল্পস পর্বতে স্কি করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন মাইকেল শুমাখার। এর পর থেকে টানা ছয় বছর কোমায় তিনি। রয়েছেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। হাঙ্গেরিয়ান গ্রাঁপ্রির আগে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন ফেরারির সাবেক প্রধান ও বর্তমান এফআইএর প্রেসিডেন্ট জ্যাঁ ট্যাড। তাঁর দাবি কোমায় থাকা শুমাখারের উন্নতি হচ্ছে ধীরে ধীরে। এমনকি তিনি নাকি টেলিভিশনে দেখছেন ফর্মুলা ওয়ানও, ‘আমি যখন এমন একটা মন্তব্য করছি তখন নিঃসন্দেহে দায়িত্ব নিয়ে করছি। শুমাখারের অবস্থা উন্নতির দিকে, এটা সত্যি। আমি সুইজারল্যান্ডের ওর সঙ্গে ফর্মুলা ওয়ান দেখেছি। নিজের বাড়িতে ও যত্নে আছে। হাল ছাড়ছে না মোটেও।’

বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে কিছু জানাননি মিক শুমাখার। তবে বাবার মতো ফর্মুলা ওয়ান মাতাতে চান তিনিও। এখন মিক রয়েছেন ফেরারি টিমের সঙ্গে। খুব দ্রুত তিনি ফর্মুলা টু থেকে ফর্মুলা ওয়ান খেলার যোগ্যতা অর্জন করবেন বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। গত এপ্রিলে বাহরাইনে ফেরারি তাঁকে এফওয়ানের টেস্ট ড্রাইভ করিয়েছে। নিজেও বড় এই চ্যালেঞ্জের জন্য তৈরি হওয়ার কথা জানালেন মিক, ‘হাঙ্গেরির রেসটা সহজ ছিল না। টায়ারের অবস্থা খারাপ হচ্ছিল। সেটা সামলে এখানে জেতাটা বিশেষ কিছু। আমি এখন তৈরি হচ্ছি ফর্মুলা ওয়ানের জন্য। আশা করছি অপেক্ষা করতে হবে না খুব বেশি দিন।’ ডেইলি মেইল

মন্তব্য