kalerkantho

মুখোমুখি প্রতিদিন

ক্রীড়াঙ্গনে কোথাও জবাবদিহি নেই

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রীড়াঙ্গনে কোথাও জবাবদিহি নেই

গত পরশু হয়ে গেল বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নির্বাচন। সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুর রকিব পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন তাতে। অ্যাথলেটিকসের চেহারা কি বদলাবে তাতে? তৃণমূলের কোচ রফিকউল্লাহ আক্তার মিলন কোনো আশা দেখেন না, কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে অবশ্য তিনি শুধু ফেডারেশনকেই দায় দেননি

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : অ্যাথলেটিকসের নির্বাচনের পর খেলাটির গুণগত কোনো পরিবর্তন হবে কি?

রফিকউল্লাহ আক্তার মিলন : পরিকল্পনা, শ্রম, সাধনা লাগে। মুখে বলে তো কিছু হয় না। আন্তরিকতা প্রয়োজন হয়। পরিকল্পনা ছাড়া আমাদের অ্যাথলেটিকসের মান পরিবর্তন হবে না এখন। স্কুল হলো অ্যাথলেটদের সূতিকাগার। আগামী মাসেই দেশব্যাপী স্কুল পর্যায়ে গ্রীষ্মকালীন প্রতিযোগিতা হবে। আপনি কি দেখেন কোনো স্কুলে সেই প্রতিযোগিতার জন্য অনুশীলন হতে? স্কুলে শারীরিক শিক্ষক থাকে, কিন্তু অন্যান্য ক্লাস দিয়ে তাঁকেও আটকে রাখা হয়। পাশের দেশ ভারতও তো আমাদের জন্য উদাহরণ হতে পারে।

প্রশ্ন : কিভাবে?

মিলন : ওখানে কিছুদিন আগে প্রো-কাবাডি শুরু হয়েছে। টিভিতে এখন দেখছি সেই আদলে স্কুল কাবাডিও হচ্ছে। সরকারিভাবেই ওখানে এখন যে খেলো ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতা। সেখানকার স্কুল কলেজের ছেলেদের মান আমাদের শীর্ষ পর্যায়ের অ্যাথলেটদের মানের থেকে কিন্তু ভালো। তাহলে আমরা কোথায় পড়ে আছি। সামনে আমাদের এসএ গেমস। আমি তো দেখি না এই গেমসে পদক পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আছে। ভারত, শ্রীলঙ্কা এখন যে মানে গেছে, আমরা তা থেকে অনেক দূরে পড়ে আছি। ওদের তৃতীয় হওয়া অ্যাথলেটের মানও নেই আমাদের এক নম্বর অ্যাথলেটের।

প্রশ্ন : সার্বিক সমস্যার কথা আপনি বলছেন, ফেডারেশন তাদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এ ক্ষেত্রে কত দূর করতে পারে, তারা তা করছে কি না বা করবে বলে আপনি আশা করেন কি না?

মিলন : আমি আশা করি আবার করিও না। বেশির ভাগটাই নিরাশা। আমাদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে আছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, এরপর পরিদপ্তর, বিওএ, বিকেএসপি, ফেডারেশন, তাদের পর বিভাগ, জেলা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা। কোথাও তো আমি কোনো জবাবদিহি দেখি না। তাহলে সঠিক কাজটা হবে কী করে। একজন অ্যাথলেটের সামনে বড় আশা থাকতে হয়, কোথাও আমরা সেই আশাটাও তো ওদের দেখাতে পারছি না।

মন্তব্য