kalerkantho

মুখোমুখি প্রতিদিন

আবাহনীর বিপক্ষে গোলটি মনে থাকবে

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আবাহনীর বিপক্ষে গোলটি মনে থাকবে

বিদেশিদের মধ্যে বিশ্বকাপে খেলা ড্যানিয়েল কলিনড্রেসই ছিলেন মনোযোগের কেন্দ্রে। মাঠের পারফরম্যান্সের সেই কলিনড্রেসের পাশে থেকেই উজ্জ্বলতা ছড়িয়েছেন বখতিয়ার দুশোবেকভ। কিরগিজস্তান জাতীয় দলের এই মিডফিল্ডারই কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন তাঁর চ্যাম্পিয়নশিপ অভিজ্ঞতা

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : শিরোপা তো জিতেছেন আগেই, ট্রফি হাতে নেওয়ার অনুভূতিটা কেমন?

বখতিয়ার দুশোবেকভ : আমি রোমাঞ্চিত। প্রিমিয়ার লিগে বসুন্ধরা কিংসের এটাই প্রথম মৌসুম, আর প্রথমবারই আমরা চ্যাম্পিয়ন হলাম, এটা অনেক বড় ব্যাপার। আমরা যেভাবে খেলেছি তাতে এই শিরোপাটা প্রাপ্যও আমাদের। ট্রফি হাতে নিয়ে তাই ভীষণ ভালো লাগছে। পুরো বসুন্ধরা পরিবার, ক্লাব সভাপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা আমাকে এমন একটা কিছু অর্জনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে প্রথম মৌসুম আপনার, কেমন লেগেছে এখানকার ফুটবল?

বখতিয়ার : ভালো লেগেছে। যদিও এর চেয়ে হাই প্রফাইল লিগে খেলার অভিজ্ঞতা আমার আছে। তবে এখানে খেলাটাও আমি যথেষ্ট উপভোগ করেছি।

প্রশ্ন : শিরোপা জেতাটা কতটা চ্যালেঞ্জ ছিল?

বখতিয়ার : নিঃসন্দেহে আমরাই সেরা দল ছিলাম। কারণ পুরো লিগে দেখুন একটা মাত্র ম্যাচ হেরেছি আমরা। আর অন্য ম্যাচগুলোতে আমাদের পারফরম্যান্স দেখলেই পরিষ্কার যে কতটা আধিপত্য নিয়েই খেলেছি আমরা, আর তাতেই এই শিরোপা। ভীষণ গর্বিত আমি এই মুহূর্তটার জন্য।

প্রশ্ন : আপনার সেরা মুহূর্ত নিশ্চয় দ্বিতীয় লেগে আবাহনীর বিপক্ষে জয় নিশ্চিত করা গোলটা?

বখতিয়ার : হ্যাঁ, সেই ফ্রিকিক। ওই গোলের কথা মনে হলে আমার এখনো ভালো লাগে। নিশ্চয় অনেক দিন মনে থাকবে। আমাদের শিরোপা জেতায়ও তো গোলটার ভূমিকা আছে, তাই না? ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের তাতে আমরা দুই লেগেই হারাতে পেরেছি। আমাদের চ্যালেঞ্জই ছিল আবাহনীর বিপক্ষে, সেটা তো পেরিয়েছিই, অন্য কাউকেও সুযোগ দিইনি।

প্রশ্ন : আপনি অ্যাটাকিং মিডফিল্ড, সেন্ট্রাল মিডফিল্ড, ডিফেন্সিভ মিডফিল্ড এমনকি সেন্টার ব্যাক পজিশনেও খেলেছেন, কিভাবে সম্ভব হলো..

বখতিয়ার : একাডেমি থেকেই বিভিন্ন পজিশনে খেলে অভ্যস্ত। শীর্ষ লিগেও আমি এখন তা পারি। দলের পরিস্থিতি অনুযায়ীই আমাকে মানিয়ে নিতে হয়েছে। দলের প্রয়োজনে শেষ পর্যন্ত আমি কাজে লাগতে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা