kalerkantho

ফাইনাল না খেলতে পারার আক্ষেপ মমিনুলের

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফাইনাল না খেলতে পারার আক্ষেপ মমিনুলের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ভারতের বেঙ্গালুরুতে কেটি মেমোরিয়াল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছে বিসিবি একাদশ। সামনেই ভারতের মাটিতে দুই টেস্টের সিরিজ থাকায় বিসিবি একাদশের মোড়কে সম্ভাব্য টেস্ট দলের বেশ কয়েকজনকেই অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য এই টুর্নামেন্টে খেলতে পাঠিয়েছিল বিসিবি। দলের নেতৃত্বে ছিলেন মমিনুল হক। দেশে ফিরে জানালেন, আসন্ন ভারত সফরে যাঁরা টেস্ট দলে ডাক পাবে তাঁদের খুব কাজে দেবে এই আসরে খেলার অভিজ্ঞতা। সেমিফাইনালে হেরে ফিরে আসা দলের অধিনায়ককে পোড়াচ্ছে অভিজ্ঞ একটি দল নিয়েও ফাইনালে খেলতে না পারার আক্ষেপ।

বাংলাদেশে প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ব্যবহৃত হয় কোকাবুরা বল। ভারতে খেলা হয় এসজি বলে। মমিনুল মনে করেন, ভারতের কন্ডিশনে এসজি বলে চারটি চার দিনের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাটা খুব কাজে দেবে, ‘টানা চারটি চার দিনের ম্যাচ খেললাম। ভারতের কন্ডিশনে এসজি বলে খেলার অভিজ্ঞতাটা খুব কাজে দেবে।’ মমিনুল জানালেন উইকেটও ছিল খুব ভালো, ‘উইকেট খুব ভালো ছিল। ব্যাটসম্যান, বোলার সবাই সহায়তা পেয়েছে। ব্যাটসম্যানরা শট খেলতে পেরেছে।’ বিসিবি একাদশের প্রতিপক্ষরা ছিল বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, কেএসসিএ সেক্রেটারি একাদশ, ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ও ছত্তিশগড় রাজ্য ক্রিকেট সংঘ। মমিনুল বললেন, বেশ মানসম্মত ছিল প্রতিপক্ষ দলগুলো, ‘বেশ ভালোই ছিল দলগুলো। দলে রঞ্জি খেলা ক্রিকেটার ছিল, আইপিএল খেলা ক্রিকেটার ছিল, ‘এ’ দলে খেলা ক্রিকেটার ছিল।’ সব মিলিয়ে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেটই খেলা হয়েছে এই টুর্নামেন্টে, মনে করেন মমিনুল, ‘বেশ কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেটই খেলা হয়েছে এই টুর্নামেন্টে। চার দিনের ম্যাচে একেক সময় একেক পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। আসলে দেখলে বুঝতে পারতেন কেমন ক্রিকেট খেলা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অভিজ্ঞতাটা খুব কাজে দেবে ভারত সফরে।’ সেমিফাইনালে ছত্তিশগড় ক্রিকেট সংঘের কাছে হেরে সেমিফাইনালে বিদায় নিয়েছে বিসিবি একাদশ। মমিনুল জানালেন, দুই বোলার চোট পাওয়াতে শেষ ম্যাচটায় ভালো করতে পারেনি দল, ‘আমাদের দুজন বোলার চোট পাওয়াতে বোলিংটা ভালো হয়নি। অফ স্পিনার নাঈম হাসান, পেস বোলার শহীদুল ইসলাম চোটের কারণে বোলিং করতে পারেনি। শহীদুল আগের ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়েছিল, সে ৫ ওভারের বেশি বল করতে পারেনি। তাতেই আমাদের বোলিংটা ভালো হয়নি।’ সফরের ইতিবাচক দিক হিসেবে নিজের রান করার পাশাপাশি সাদমান ইসলাম ও নাজমুল হাসান শান্তর ব্যাটিংটাই বড় করে দেখছেন মমিনুল, ‘আমি রান করেছি। সাদমান ভালো করেছে, শান্ত ভালো করেছে। এগুলোই ইতিবাচক দিক।’ বোলিং ডিপার্টমেন্টে মমিনুলের কাছে চমক মনে হয়েছে শহীদুলকে, ‘শহীদুল খুব ভালো বোলিং করেছে। এ রকম বোলিং আমি কাউকে করতে দেখিনি। তার যত্ন নিলে সে অনেক ভালো করবে ভবিষ্যতে।’ আক্ষেপ হিসেবে থেকে গেছে অন্তত ফাইনালটা খেলতে না পারা, ‘আমরা বেশ অভিজ্ঞ একটি দল নিয়ে গিয়েছিলাম, টেস্ট খেলা অনেকেই ছিল দলে। এ রকম দল নিয়ে অন্তত ফাইনাল খেলতে না পারায় একটু আক্ষেপ আছে।’

বেশ অভিজ্ঞ একটি দল নিয়ে ভারতের রাজ্য পর্যায়ের একটা আসরে গিয়ে খেলে ফাইনালে উঠতে না পারাটা একটু হতাশার বটে। তবে ভারতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাওয়ার আগে, বেশ কয়েকটি চার দিনের ম্যাচ খেলে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়া আর প্রস্তুতির প্রাপ্তিটাও কম নয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা