kalerkantho

স্মিথ ১৪৪

স্মিথের একা লড়াই

এবার বিশ্বকাপ জিতে যেমন আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় ইংলিশরা তাতে এবারের অ্যাশেজে তাদেরই ফেভারিট দেখছেন বেশির ভাগ। কাল এই হিসাব-নিকাশে মিল রেখেই এগোচ্ছিল প্রথম দিনটা। কিন্তু স্মিথের লড়াইয়ে শেষটা শুধু ইংল্যান্ডের নয়। ১৪৪ রান করেছেন নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা এই ব্যাটসম্যান।

২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্মিথের একা লড়াই

বিপর্যয় থেকে অস্ট্রেলিয়াকে রক্ষা করলেন স্টিভেন স্মিথ। ১২২ রানে ৮ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়া অ্যাসেজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে যে ২৮৪ রান করতে পেরেছে তাতে মূল অবদান স্মিথের সেঞ্চুরির।

অ্যাজবাস্টন এমনিতেও ইংলিশদের দুর্গ। এক দশকের বেশি হয়ে গেল এই মাঠে তারা কোনো টেস্ট হারেনি, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারে না তো সেই ২০০১ সাল থেকে। আর এবার বিশ্বকাপ জিতে যেমন আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় ইংলিশরা তাতে এবারের অ্যাশেজে তাদেরই ফেভারিট দেখছে বেশির ভাগ। কাল এই হিসাব-নিকাশে মিল রেখেই এগোচ্ছিল প্রথম দিনটা। কিন্তু স্মিথের লড়াইয়ে শেষটা শুধু ইংল্যান্ডের নয়। ১৪৪ রান করেছেন নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা এই ব্যাটসম্যান। যেখানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯ নম্বরে নামা বোলার পিটার সিডলের। স্টুয়ার্ট ব্রড ও ক্রিস ওকস মূলত ধস নামান অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই ব্রডের বলে ওয়ার্নারকে হারানোর পর থেকেই অস্ট্রেলীয়দের ফেরার মিছিল। এর বিপরীতে ইংল্যান্ডের একটাই ধাক্কা, তা হলো জেমস অ্যান্ডারসনের ইনজুরি। পায়ের মাংসপেশিতে চোট পেয়ে ৪ ওভারের বেশি বল করতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ফাস্ট বোলার। তবে ব্রড, ওকসরা অ্যান্ডারসনের অভাব বুঝতে দেননি। ৫ উইকেট নিয়েছেন ব্রড, ওকসের ৩ উইকেট। ব্রডের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরেন ওয়ার্নার। ব্রডের যে ওভারে ওয়ার্নার ফিরেছেন, সেটিতে হয়েছে রিভিউর খেলা। প্রথমবার বল ওয়ার্নারের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে গেলেও ইংল্যান্ড রিভিউ নেয়নি। পরের এলবিডাব্লিউর আবেদনে রিভিউ নিয়ে হয়েছে ব্যর্থ। ওই ওভারেরই পঞ্চম বলে ফিরেছেন ওয়ার্নার। বল তাঁর প্যাডে লাগার পর আলিমদার আঙুল তোলেন, রিভিউ না নিয়ে ওয়ার্নার নিজেও হাঁটা ধরেন। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায় বল লেগ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে গেছে। ভাগ্য পুরো দিনেই আর অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে কথা বলেনি। ব্রডের বলেই পরে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ওয়ার্নারের সঙ্গেই নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে টেস্টে ফেরা ক্যামেরন ব্যানক্রফট। ওসমান খাজা ও স্টিভ স্মিথ মিলে এরপর ইনিংসটাকে মেরামত করতে চেয়েও পারেননি। ১৩ রান করে খাজা ফিরেছেন ইংলিশ রিভিউতেই। ক্রিস ওকসের বল ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জনি বেয়ারস্টোর হাতে জমা পড়লেও আম্পায়ার আঙুল তোলেননি। রিভিউতেই ফিরতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার তিন নম্বর ব্যাটসম্যানকে। এরপর ট্রাভিস হিডের সঙ্গে ৬৪ রানের জুটি গড়েন স্মিথ।

অস্ট্রেলিয়া এই জুটিতেই ঘুরে দাঁড়াবে মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৩৫ রান করে হিড শিকার সেই ওকসের। এলবিডাব্লিউ হয়েছেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মানাটা কঠিন ছিল হিডের জন্য। রিভিউও নিয়েছিলেন, কিন্তু সেবারও ইংল্যান্ডেরই জয়। অস্ট্রেলিয়ার অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়ার পথ আরো প্রশস্ত হয়ে যায় তাতে। ম্যাথু ওয়েড এবং অধিনায়ক টিম পাইনও ব্যর্থ। কিন্তু সিডলকে নিয়ে লড়াইটা চালিয়ে যান স্মিথ। ক্রিকইনফো

মন্তব্য