kalerkantho

মুখোমুখি প্রতিদিন

দুর্ভাগ্য জেমি আমার খেলা দেখতে পারেননি

১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুর্ভাগ্য জেমি আমার খেলা দেখতে পারেননি

সম্ভাবনাময় তকলিছ আহমেদ একসময় হারিয়ে যেতে বসেছিলেন। বড় দলের বেঞ্চ গরম করে আর চোটের সঙ্গে লড়ে এই উইঙ্গার এই মৌসুমেই আবার স্বরূপে ফিরেছেন। মোহামেডানের হয়ে জোড়া গোল করে আবাহনীকে ৪-০ গোলে হারানোর নায়ক কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছে তাঁর এই ফর্মে ফেরা নিয়েই

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : তকলিছ আহমেদকে অনেক দিন পর আবার জ্বলে উঠতে দেখা গেছে, কিভাবে সম্ভব হলো?

তকলিছ আহমেদ : দেখুন, গতবারও আমার সাইফ স্পোর্টিংসহ বেশ কয়েকটি ভালো অফার ছিল। কিন্তু বড় দলে গিয়ে বেঞ্চে বসে থাকার পুরনো ভয় আমার মধ্যে কাজ করেছে। খেলার সময় বেশি পাওয়ার জন্য তাই আমি মোহামেডানেই থেকে গেছি। আমি বুঝতে পারছিলাম, এই মৌসুমটা আমার নিজেকে প্রমাণের চ্যালেঞ্জ।

প্রশ্ন : এখন তো আবার জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনাও তৈরি হলো?

তকলিছ : সত্যি বলতে জাতীয় দল নিয়ে একেবারে ভাবিনি। ক্লাবের হয়ে পারফরম করাটাই ছিল আমার মূল চিন্তা। মোহামেডানে আমি ছাড়াও এমিলি ভাই, মিঠুন ভাই, মিশু ভাইদের মতো সিনিয়র খেলোয়াড়রা ছিলেন। দল ভালো না করলে মূল বদনামটা হতো আমাদেরই।

প্রশ্ন : আবাহনীর বিপক্ষে জোড়া গোল করার মতো পারফরম্যান্স জাতীয় দলের কোচ মাঠে বসে দেখতে পারেননি, তাতে কি শঙ্কা হয় সঠিক মূল্যায়ন পাবেন কি না তা নিয়ে?

তকলিছ : এটা আমার দুর্ভাগ্য যে জেমি ডে সরাসরি আমার এবারের পারফরম্যান্স দেখতে পারেননি।

প্রশ্ন : আবাহনীর বিপক্ষে পারফরম্যান্স নিয়ে বলুন...

তকলিছ : এটা জানাই যে আবাহনী-মোহামেডান একটা ঐতিহাসিক ম্যাচ। এই ম্যাচে ভালো করার তাড়না কোনো খেলোয়াড়ের না থাকে। আমার সৌভাগ্য যে সেদিন আমি জ্বলে উঠতে পেরেছি।

প্রশ্ন : দ্বিতীয় লেগে মোহামেডানে এভাবে বদলে গেল কিভাবে?

তকলিছ : প্রথম লেগের পারফরম্যান্সে আমরা সবাই খুব হতাশ ছিলাম। নতুন কোচ শন লেন উজ্জীবিত করেন আমাদের। আমাদের ফিটনেসে সবচেয়ে বেশি জোর দেন তিনি। দিনে তিন সেশনও করেছি, সকালে আলাদা ক্লাস হতো। তাঁর অধীনে ১৫ দিনেই আমরা ১০০ ভাগ ফিটনেস পেয়েছি। মাঠে এটাই ছিল আমাদের মূল শক্তি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা