kalerkantho

সোমবার । ২৬ আগস্ট ২০১৯। ১১ ভাদ্র ১৪২৬। ২৪ জিলহজ ১৪৪০

যে কারণে তবু গর্বিত ফিঞ্চ

অস্ট্রেলিয়ার পুনরুত্থানেই গর্বানুভব ফিঞ্চের, ‘গত ১২ মাসের কথা যদি বলেন, আমরা যেখান থেকে এখানে এসেছি এবং বেশ কিছু খেলোয়াড় যা অর্জন করেছে, তাতে সত্যিই গর্বিত হওয়া যেতে পারে।’

১৩ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অ্যাশেজ সিরিজ আসন্ন। তার আগে নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপ ব্যর্থতা ইংল্যান্ডের আত্মবিশ্বাস তলানিতে নিয়ে যেতে পারে বলে গত মাসে মন্তব্য করেছিলেন মার্ক টেলর। অথচ এই মাসে নিজের কথাই কিভাবে পাল্টা ধেয়ে এলো অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়কের দিকে। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটের বিশাল হারে যে এখন অ্যাশেজের আগে অস্ট্রেলিয়ার আত্মবিশ্বাসে চোট লাগা নিয়েই যত আলোচনা!

যদিও অ্যাশেজ সিরিজ মাঠে গড়াতে এখনো ঢের বাকি। এর আগে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সেমিফাইনালে বিধ্বস্ত হওয়ার ময়নাতদন্তও চলছে। চলছে পারফরম্যান্সের কাটা-ছেঁড়া এবং বিশ্লেষণও। তবে এসবকে ছাপিয়েও নিজের দলকে নিয়ে যথেষ্ট গর্বিত হওয়ার কারণ দেখছেন অ্যারন ফিঞ্চ। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের সুরে সুর মিলিয়েছেন এই আসর দিয়েই যাঁর উত্থান, সেই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারিও। সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও তাঁদের ভেঙে পড়ার কোনো কারণ নেই বলেই মনে করছেন তিনি। ইংলিশদের বিপক্ষে তাঁর ৪৬ রানের দারুণ ইনিংসটি বৃথা গেলেও নিরাশ না হওয়া ক্যারির ভাষ্য, ‘একটু ১২ মাস পেছনে ফিরে যান। আমার তো মনে হয় আমরা ছাড়া বাইরের কেউই আমাদের সেমিফাইনালে ওঠার কোনো সম্ভাবনা দেখেনি।’ সেটি অবশ্য ভুল কিছু বলেননি ক্যারি। কারণ ওই সময়টি ভালো যাচ্ছিল না অস্ট্রেলিয়ার। একেই কেপটাউন টেস্টে বল টেম্পারিং কাণ্ডে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ ছিলেন স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার। তার ওপর মাঠেও পারফরম্যান্স বিশেষ সুবিধার ছিল না। ইংল্যান্ডের কাছেই তারা ওয়ানডে সিরিজ হেরেছিল ৫-০তে। সেই জায়গা থেকে স্মিথ ও ওয়ার্নারকে নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে ইংল্যান্ডে আসা অস্ট্রেলিয়ার পুনরুত্থানেই গর্বানুভব ফিঞ্চের, ‘গত ১২ মাসের কথা যদি বলেন, আমরা যেখান থেকে এখানে এসেছি এবং বেশ কিছু খেলোয়াড় যা অর্জন করেছে, তাতে সত্যিই গর্বিত হওয়া যেতে পারে। আমরা এখানে (বার্মিংহাম) এসেছিলাম সেমিফাইনাল জিততে। আমরা নিজেদের আরেকটি বিশ্বকাপ জেতার পর্যায়েই নিয়ে আসতে পেরেছিলাম।’ তাই বলে সেমিফাইনালে হারের হতাশাও গোপন করেননি অজি অধিনায়ক, ‘তবে যেভাবে শেষ হলো, সেটিও কম হতাশার নয়। যেটিকে এই আসরে আমাদের সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্সই বলা যেতে পারে।’

আরেক সেমিফাইনালে হারের পর ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি বলেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বোলিংয়ে প্রথম ৪৫ মিনিটই লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছিল তাদের। ফিঞ্চও নিজেদের হারে ইংলিশ বোলারদের প্রথম এক ঘণ্টাকে কারণ হিসেবে দাঁড় করালেন, ‘অবশ্যই প্রথম ১০ ওভারে শেষ হয়ে গেছি আমরা। ওদের বোলিং ধাক্কাটা দেওয়ার পর আমরা ইনিংস পুনর্গঠনের কথা ভাবতে বাধ্য হই।’ সেই পুনর্গঠনও অবশ্য খুব স্বাচ্ছন্দ্যে হতে দেননি ইংলিশ বোলাররা। এএফপি

মন্তব্য