kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

সাউদাম্পটনে হবে গতির লড়াই

১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফাস্ট বোলিংয়ে ক্যারিবীয় কিংবদন্তিদের যোগ্য উত্তরসূরি হতে পারতেন জোফরা আর্চার। যাঁর বলে শুধু গতিই নয়, বাউন্স এবং নিয়ন্ত্রণও অসাধারণ। অথচ আর্চার এখন ক্যারিবিয়ানদের বধেই অস্ত্রে শান দিচ্ছেন। বার্বাডোজে জন্ম, ওয়েস্ট ইন্ডিজেই ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু, খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলেও। এর পরপরই কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমানো। বিশ্বকাপের ঠিক আগে আগে নাটকীয়ভাবে থ্রি লায়ন্স দলেও ডাক পেয়ে যান, বাবা ব্রিটিশ সেই সূত্রে সুযোগটা তাঁর ছিলই।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই দলেও গতি তারকাদের অভাব নেই। শেল্ডন কটরেল, ওশানে থমাস, আন্দ্রে রাসেলরা পাকিস্তানকে ১০৫ রানে অল আউট করেছেন, গুঁড়িয়ে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইন আপ। আর্চারের জবাব তাই ভালোমতোই আছে ফ্লয়েড রেইফারের তূণে। ইংল্যান্ডেও আর্চারকে যোগ্য সঙ্গ দিতে আছেন মার্ক উড। বাংলাদেশের বিপক্ষে গতির ঝড় তুলেছিলেন এই দুই ফাস্ট বোলার। বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি গতির বল এই দুজনেরই। আর্চাররা ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুতগতির স্পেল করেছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। রেইফার জানেন তাই চ্যালেঞ্জটা কেমন হতে যাচ্ছে। সাউদাম্পটনের এই ম্যাচে সেই চ্যালেঞ্জ নিতে তারাও যে তৈরি, ‘ম্যাচটি উপভোগ্য হবে কোনো সন্দেহ নেই। আমরা তা-ই চাই। আমি নিশ্চিত জোফরা মুখিয়ে আছে এই ম্যাচটির জন্য, তবে আমরাও তৈরি।’ জোফরা সতীর্থ মার্ক উড তো বলছেন দুই দলের ফাস্ট বোলারদের সামনে ব্যাটসম্যানদের, ম্যাচটাকে আগুনের সঙ্গে আগুনের লড়াই বলেই আখ্যা দিয়েছেন এই ফাস্ট বোলার, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই বিশ্বকাপে এসেছে একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে, আর তা হলো—শর্ট বল। ক্যারিবিয়ানে সর্বশেষ সফরেও আমরা তার কিছু নমুনা দেখেছি। তবে আমিও মনে করতে পারি ওই সফরে শর্ট বলেই ড্যারেন ব্র্যাভো ও হেটমায়ারকে আমি ফিরিয়েছি। তাই বলব এটি আগুনের সঙ্গে আগুনের লড়াই হবে। নিশ্চিত কেউ কাউকে ছাড় দেবে না। ব্যাটসম্যানদের নিঃশ্বাস ফেলার কোনো সুযোগই থাকবে না, যদি দুই প্রান্ত থেকেই পেসাররা বল করতে থাকে।’

এএফপি

মন্তব্য