kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

জেমির হাতেই উত্তরণ

১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জেমির হাতেই উত্তরণ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ২০১৫ থেকে ২০১৯, ২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাই থেকে ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাই—একটা চক্রপূরণ করল বাংলাদেশ। ২০১৫-তে সরাসরি গ্রুপ পর্বে খেলেছিল বাংলাদেশ, তখন র‌্যাংকিং ১৬৫। সেখান থেকেই পেছাতে পেছাতে ভুটানের কাছে হার, ২ বছরের নির্বাসন, র‌্যাংকিংয়ে ১৯৭ ছোঁয়া। পতনের শেষ প্রান্ত থেকেই এরপর ফেরার লড়াই শুরু, লড়াই এক ইংলিশ কোচের হাত ধরে। এশিয়ান গেমসে তাঁর দল কাতারকে হারিয়ে দেয়, সাফে টানা দুই ম্যাচ জেতে, বঙ্গবন্ধু কাপে অনুপ্রেরণার ফুটবল। অবশেষে সেই জেমি ডে’র হাত ধরেই লাওসের বিপক্ষে দুটি স্নায়ুক্ষয়ী ম্যাচ পেরিয়ে বাংলাদেশ আবার সেই বিশ্বকাপের মূল বাছাই পর্বে।

কাল জেমির চেয়ে সুখী মানুষ তাই আর কেউ নেই। অ্যাওয়েতে ১-০তে জিতে এসে ঘরের মাঠে ড্র, সুযোগ নষ্ট—এসব নিয়ে কেউ কেউ নেতিবাচক হতে চাইলে তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘গত এক-দেড় বছর ধরে এই দলটা তৈরি হয়েছে। তারা মানসিকতা বদলেছে, সর্বোচ্চ ফিটনেস অর্জন করেছে, মাঠে শতভাগ দিয়ে লড়াইয়ের আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে, আজ বিশ্বকাপের মূল বাছাইয়ে ফিরে আমরা তার ফল পেলাম। আজ তাই শুধু আনন্দের। এখানে নেতিবাচকতা কিছু নেই। প্লে-অফের এই ‘টাই’টা উতরানোই আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ ছিল। আজ থেকে এক বছর আগে নিজেদের এই অবস্থানে কল্পনা করাটা কিন্তু ভীষণ কঠিন ছিল।’ সত্যি এই ‘টাই’ হেরে গেলে আবারও অন্ধকারে ডুবে যেত ফুটবল। আরো গাঢ় অন্ধকার। আগেরবার বিশ্বকাপ বাছাই খেলে এশিয়ান বাছাইয়ে ঢোকার আগে পা হড়কায়। এবার বিশ্বকাপ প্রাক-বাছাইয়েই পা হড়কালে তো এশিয়াডেরও কোনো সুযোগ থাকত না, তার মানে দুই দুইয়ে একেবারে চার বছরের নির্বাসন। কতটা চাপ নিয়ে খেলেছেন জামাল ভূঁইয়ারা ভাবা যায়? গত এশিয়ান গেমস থেকে এই পর্যন্ত বড় দলগুলোকে রুখতে জেমি ফিটনেস আর ডিফেন্ডিংয়ের ওপরই বেশ জোর দিয়েছেন। র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকায় আসলে প্রায় সব দলের বিপক্ষেই এই ফর্মুলায় খেলতে হয়েছে। লাওসের মাঠে গিয়ে লাওসকে হারানো এভাবেই, কালও মূল বাছাই পর্বের পথে শেষ হার্ডলটা পেরোনো সেই একই রকম স্নায়ুর বিরুদ্ধে, মরিয়া প্রতিপক্ষকেও রুখে দিয়ে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা