kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

বেলস বিভ্রাট

১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেলস বিভ্রাট

‘রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানটা না শুনলে যেমন ঈদের আনন্দটা পূর্ণতা পায় না, ‘জিঙ্গেল বেল জিঙ্গেল বেল জিঙ্গেল অল দ্য ওয়ে’ গানটা ছাড়া পরিপূর্ণ হয় না বড়দিন! তবে ‘জিং’ আর ‘বেলস’ এখন আইসিসির কাছে বড়দিনের আনন্দ নয় বরং ভোগান্তির অন্য নাম। কারণ বিশ্বকাপে স্টাম্পে যে ‘এলইডি বেলস’ ব্যবহৃত হচ্ছে, সেটা অ্যাডিলেডের জিংস টেকনোলজিস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের। বল স্টাম্পে লাগছে কিন্তু বেলস পড়ছে না, এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাঁচবার ঘটেছে এমন ঘটনা। সবশেষ ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে ডেভিড ওয়ার্নারের স্টাম্প অক্ষত থাকার পরই জোরেশোরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেউ কেউ বলছেন, স্টাম্পের মাথায় বেলসের জন্য কাটা খাঁজটা বেশি গভীর হওয়ার কারণেই নাকি বলের আঘাতেও মাটিতে পড়ছে না বেলস।

কুইন্টন ডি কক, ২৫ রানে ব্যাট করার সময় আদিল রশিদের বল স্টাম্পে লাগলেও বেলস পড়েনি। পরে আউট হন ৬৮ রানে। শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে এভাবে ৯ রানে জীবন পেয়ে দিমুথ করুনারত্নে ৫২, মিচেল স্টার্কের বলে এমন ভাগ্য হয় ক্রিস গেইলের, বেন স্টোকসের বলে সাইফ উদ্দিন জীবন পেয়েও অবশ্য বাঁচতে পারেননি আর সবশেষ ওয়ার্নার ১ রানে আউট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে গিয়ে করেন ৫৬ রান। শুধু বিশ্বকাপেই নয়, আইপিএলে ব্যবহৃত হয়েছিল এই প্রযুক্তি এবং সেখানেও বার তিনেক ঘটেছে এমন ঘটনা। কেউ কেউ বলছেন, বেলসের ওজনে ঘাপলা আছে। সনাতনি কাঠের বেলসের চেয়ে প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এই বেলস খানিকটা হালকা। এই প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে রান আউট এবং স্টাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত দেওয়া আম্পায়ারের জন্য সহজ হয়েছে। খানিকটা প্রশ্ন উঠছে ঠিকই, তবে বিশ্বকাপের স্ট্যান্ডার্ড প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী মাঝপথে আর প্রযুক্তি বদলের সুযোগ নেই। তাই জিং বেলস থাকছেই! মেইল অনলাইন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা