kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

বিশ্বকাপ কর্নার

১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিশ্বকাপ কর্নার

পাকিস্তানও ফেভারিট সৌরভের

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিজের ফেভারিট চার দল বেছে নিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। ভারতীয় সাবেক এই অধিনায়ক অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারতের সঙ্গে শেষ চারে দেখছেন পাকিস্তানকেও। ইংল্যান্ডের মাটিতে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছিল পাকিস্তান। ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও পাকিস্তান জেতে ইংল্যান্ডে। তাই এবার সরফরাজ আহমেদের দল ভালো কিছু করবে বলে বিশ্বাস সৌরভের, ‘ইংল্যান্ডে হওয়া আইসিসির সব টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের রেকর্ড ভালো। দুই বছর আগে ওরা জিতেছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। এবারও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৩৭৪ তাড়া করে হেরেছে মাত্র ১২ রানে।’ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে তাহলে ফেভারিট কে? সৌরভ এগিয়ে রাখছেন না কাউকে, ‘নির্দিষ্ট দিনে যারা ভালো খেলবে তারাই জিতবে। ভারত বেশ শক্তিশালী। ২০০৩ সালে ফাইনাল খেলা আমাদের দলের সঙ্গে বিরাট কোহলিদের এই দলের তুলনা হয় না, কারণ দুটি দুই প্রজন্মের দল। আশা করছি, ভারতের এই দলটাও ফাইনাল খেলবে আর শিরোপা জিতবে।’ হিন্দুস্তান টাইমস

 

 

আশায় হ্যাজেলউড

দুই দফা নির্বাচকরা মন ভেঙেছেন জস হ্যাজেলউডের। অস্ট্রেলিয়ার ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ দলে নিজেকে না দেখে হতাশায় ভেঙে পড়েছিলেন এই পেসার। ঝেই রিচার্ডসনের ইনজুরিতে সুযোগ তৈরি হয় দলে ফেরার। কিন্তু নির্বাচকরা বেছে নিয়েছেন কেন উইলিয়ামসনকে। আর হ্যাজেলউডকে পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্বকাপের বদলে অ্যাশেজের প্রস্তুতি নিতে। তবু আশা ছাড়ছেন না ২০১৫ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম এই সদস্য। ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার অনুশীলনে অ্যারন ফিঞ্চ, উসমান খাজারা বেশ ভুগেছেন তাঁর গতি সামলাতে। তাই লম্বা টুর্নামেন্টে কেউ চোট পেয়ে বসলে বিশ্বকাপ দলে ফেরার আশায় থাকছেন হ্যাজেলউড, ‘বিশ্বকাপ চার বছরে একবারই আসে। এটা শুরু হলে টিভিতে দেখা কষ্টের হবে। টুর্নামেন্টের মাঝপথে কেউ চোট পেলে আমার সুযোগ আসতেই পারে। ভবিষ্যৎ জানা নেই কারো।’ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

 

স্টেইন-রাবাদাকে নিয়ে শঙ্কা নেই

বিশ্বকাপের আগে আইপিএল সংক্ষিপ্ত করে তাঁরা দেশে ফিরে এসেছেন। কাগিসো রাবাদার পিঠে সমস্যা, কাঁধের চোটে আছেন ডেল স্টেইন। বিশ্বের অন্যতম সেরা দুই ফাস্ট বোলারকে ছাড়াই বিশ্বকাপে যাবে নাকি দক্ষিণ আফ্রিকা! কাল এই শঙ্কা অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছেন কোচ ওটিস গিবসন, ‘লোকজন যেমন বিপদসংকেত পাচ্ছে (ওদের ইনজুরিতে), আদৌ তেমন কিছু নয়। ওরা ঠিক পথেই আছে। বিশ্বকাপের আগেই ওরা পুরো ফিট হয়ে যাবে এবং মাঠেও নামবে।’

১৯ মে দক্ষিণ আফ্রিকা ইংল্যান্ড রওনা হবে, এর আগে পুরো স্কোয়াড নিয়ে সপ্তাহখানেকের ক্যাম্প হচ্ছে কেপ টাউনে। আইপিএল শেষে এই প্রথম ক্রিকেটার সবাইকে একসঙ্গে পেয়েছেন গিবসন। সেখানেই স্টেইন, রাবাদার ফিটনেস নিয়ে আশ্বস্ত করেছেন ক্যারিবিয়ান কোচ। বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের ঐতিহ্য হলো ফেভারিটের তকমা গায়ে লাগিয়ে যাওয়া কিন্তু ফেরা একরাশ হতাশা নিয়ে। গিবসন দাবি করছেন এবার নতুন দক্ষিণ আফ্রিকাকেই দেখা যাবে, ‘অতীতে যা হয়ে গেছে তা নিয়ে ভাবছি না। সেটা সঙ্গে নিয়েও আমরা বিশ্বকাপে যাব না। এটা আমাদের নতুন মিশন।’ ৩০ মে ওভালে প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হবে হট ফেভারিট ইংল্যান্ডের। রাবাদা, স্টেইনের সেই ম্যাচে থাকা নিয়ে গিবসন আশ্বস্ত করলেও আরো কিছু বিষয়ে নিশ্চিত মাথা ঘামাতে হচ্ছে তাঁকে। এর একটি নিশ্চিত হাশিম আমলার ফর্ম। গিবসনের আশা আমলা ঠিকই নিজেকে ফিরে পাবেন, ‘মনঃসংযোগ ঠিক করে ইংল্যান্ডেই ও রানে ফিরতে পারে, সেই পরিবেশটাই আমরা ওকে দেওয়ার চেষ্টা করব।’ ক্রিকইনফো

মন্তব্য