kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

নিজের মাঠে ড্র আবাহনীর

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নিজের মাঠে ড্র আবাহনীর

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এএফসি কাপে কখনো গ্রুপ পর্ব পেরোতে না পারা আবাহনী এবার নেপালের মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাবকে হারিয়ে শুরুটা করেছিল ভালো। কিন্তু সেই ভালোটা দ্বিতীয় ম্যাচেই টানতে পারল না তারা। ঘরের মাঠে মিনার্ভা পাঞ্জাবের সঙ্গে ২-২ গোলের ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।

ম্যাচে আবাহনী সেরা চেহারায় ছিল না, আবার তেমন বাজেও খেলেনি, সেটা হলে হারতে হতো। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এএফসি কাপের আবাহনী কাল সাদামাটা। লিগেও কোনো কোনো ম্যাচে যেমন দুর্দান্ত চেহারায় দেখা মেলে তাদের, সেই পারফরম্যান্স ছিল না। সর্বশেষ শেখ জামালের বিপক্ষে ৪-৩ গোলে জেতা আবাহনীর সঙ্গে বরং তাদের গতকালের পারফরম্যান্স মেলানো যায়। সেই ম্যাচে ৪-১ গোলে লিড নিয়েও শেষদিকে জয় হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় ছিল তারা। দুর্বল ডিফেন্ডিংয়ে পর পর দুটো গোল হজম করতে দেখে মারিও লেমোস সেদিনই সতর্ক করেছিলেন, এএফসি কাপে এটা করে পার পাওয়া যাবে না। কাল তাঁর আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। ম্যাচের ১৬ মিনিটে মিনার্ভাই প্রথম এগিয়ে যায়, দুই-তিন ডিফেন্ডারের প্রহরা এড়িয়ে বাঁ-দিক থেকে স্যামুয়েল লালমুয়ানপুইয়া স্কয়ার পাস ঠেলেন বক্সের ভেতর, দ্রুতগতিতে ছুটে এসে স্লাইডিং শটে সেই বল জালে পাঠান মাহমুদ আল আমনা। আবাহনী প্রতিক্রিয়া দেখায় দ্রুত। বাঁ উইং ধরে কেরভেন্স বেলফোর্টের দারুণ এক মুভে নাবিব নেওয়াজ করেন সমতা ফেরানো গোলটি। প্রথম পোস্টে ঠেলেছিলেন বেলফোর্ট, লিগে গোলের মধ্যে থাকা নাবিব চমৎকার এক ফ্লিকে বল জালে জড়িয়ে দিয়েছেন। এর আগে মাসি সাইঘানির হেড গেছে বার ঘেঁষে। মানাং মার্সিয়াংসির বিপক্ষে জয়ের নায়ক মাসিহর ওপর কাল ছিল বাড়তি দায়িত্ব। দলের সিনিয়র ডিফেন্ডার তপু বর্মণ আগে থেকেই ইনজুরিতে, সেখানে টুটুল হোসেন ছিলেন মূল ভরসা। কিন্তু কাল ওয়ার্ম আপেই চোট পেয়ে দলের বাইরে ছিটকে যান এই স্টপার। এএফসি কাপ উপলক্ষেই দলে নেওয়া ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ওয়েলিংটন প্রায়োরিকে শেষ পর্যন্ত ডিফেন্স করতে পাঠানো হয়। বিরতির আগে এই ওয়েলিংটনের সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝিতেই মিনার্ভাকে দ্বিতীয়বার লিড নেওয়ার সুযোগ দেয় আকাশি-নীলরা।

শহীদুলের বাড়ানো বল ধরে প্রেসিংয়ের মুখে আড়াআড়ি ওয়েলিংটনকে বাড়াতে চেয়েছিলেন রায়হান। ধীরগতির সেই বলই মাঝখান থেকে ধরে শ্রেয়াস গোপালান বুলেট গতির এক শটে করেছেন ২-১। এবারও আবাহনী সমতা ফিরিয়েছে দ্রুত, বিরতি থেকে ফেরার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ওয়ালি ফয়সালের ফ্রিকিক থেকে বল জালে পাঠিয়েছেন সানডে চিজোবা। ওয়ালির বাঁ পায়ের শটটাই ছিল গোল হওয়ার মতো, সেটি ক্রসবারে লেগে নিচে পড়লে সানডে তা জালে পাঠাতে ভুল করেননি। দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময় ম্যাচটা আরো আকর্ষণীয়ই হওয়ার কথা জয়ের জন্য দুই দল যদি গোলের জন্য ঝাঁপাত। কিন্তু তার বদলে অনেকটা সতর্ক ফুটবলই খেলেছে আবাহনী, মিনার্ভাও।

মন্তব্য