kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

রংপুরে টিটির একটা ভালো টেবিলও নেই

১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রংপুরে টিটির একটা ভালো টেবিলও নেই

স্কুলের গণ্ডি না পেরোতেই মাথায় জাতীয় চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরেছে মোহতাসিন আহমেদ। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মানস চৌধুরীকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে রংপুরের এই কিশোর। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে সেই অনুভূতির কথাই জানিয়েছে সে

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : তুমি এখন দেশসেরা, ভাবতে কেমন লাগছে?

মোহতাসিন আহমেদ : মাঝে মাঝে অবিশ্বাস্য মনে হয়। আবার ভাবি যোগ্য হিসেবেই এই খেতাব জিতেছি আমি। গত প্রিমিয়ার লিগেই মাহবুব ভাই, মানস ভাইদের দলে ছিলাম আমি। একটাও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাইনি। ছোট বলে আমার ওপর হয়তো ভরসা করতে পারেননি উনারা, সেই থেকেই জেদ কিছু একটা করে দেখাব। তার জন্য নিজেকে তৈরি করেছি আমি, প্রচুর পরিশ্রম করেছি। তারই ফল পেয়েছি আমি।

প্রশ্ন : সেই সিনিয়রদের একজন মানসকে হারিয়েই জিতলে শিরোপা, তাতে তো দ্বিগুণ আনন্দ হওয়ার কথা?

মোহতাসিন : আনন্দ তো হচ্ছেই। মানস ভাই অনেক ভালো খেলোয়াড়, অনেক অভিজ্ঞ। উনার সঙ্গে ম্যাচটা অনেক কঠিন হয়েছে। আমি আমার সেরাটা দিয়েছি, উনিও উনার সেরাটা দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত আমিই জিতেছি। তাঁকে এর আগে কোনোদিন হারানোর প্রশ্নই উঠে না, কারণ এর আগে উনার বিপক্ষে কখনো খেলিইনি আমি। সে জন্য চ্যালেঞ্জটাও ছিল বেশি।

প্রশ্ন : তাঁরা নিশ্চয় ফুঁসে থাকবে এখন শিরোপা পুনরুদ্ধারের জন্য, তুমি কিভাবে ধরে রাখবে তা?

মোহতাসিন : এখন যেহেতু এতটুকু পেরেছি, তা ধরে রাখার জন্য অবশ্যই আমাকে আরো বেশি পরিশ্রম করতে হবে। আর আমি এখন শুধু ঘরোয়া আসর না, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়ও বাংলাদেশকে যেন ভালো কিছু দিতে পারি সেই চেষ্টা করব। তবে কি আমাদের রংপুরে চর্চার খুব ভাল পরিবেশ নেই। ব্যাট-বল নেই, ভালো একটা টেবিল পর্যন্ত নেই। যেটা আছে তাতে খেলে ঢাকায় এসে দ্রুতগতির আরো ভালো মানের টেবিলে খেলাটা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যায়। জেলা প্রশাসনে, জেলা ক্রীড়া সংস্থায় এ নিয়ে আবেদনও করেছি আমরা, তারা প্রতিশ্রুতিই দেয় শুধু। যেখানে খেলি সেই মেঝেটাও টিটির উপযোগী নয়, বারবার পিছলে পড়তে হয়। উডেন ফ্লোরের জন্য সেই দুই বছর আগে থেকে বলে রেখেছি, কিছুই এখনো পর্যন্ত হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা