kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়টা এখন পাওনা

২৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়টা এখন পাওনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাহরাইনে বাংলাদেশের প্রথম দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের পর এবং শ্রীলঙ্কারও দুই ম্যাচ দেখে আজ লঙ্কানদের বিপক্ষে জয়টা পাওনাই মনে হচ্ছে কোচ জেমি ডের কাছে, ‘আমরা যেভাবে দুটি ম্যাচ খেলেছি, তাতে এই শেষ ম্যাচটা আমাদের জয় দিয়েই শেষ করা উচিত। খেলোয়াড়দের এটা প্রাপ্য।’

দুই ম্যাচেই বাংলাদেশ হেরেছে ন্যূনতম ব্যবধানে। কেমন প্রতিরোধ গড়তে হয়েছে স্বাগতিক বাহরাইন আর ফিলিস্তিনকে ব্যবধান বাড়াতে না দেওয়ার জন্য, তা লঙ্কানদের বিপক্ষে তাদের দুটি ম্যাচ দেখলেই স্পষ্ট। এই দুই ম্যাচে বাংলাদেশের দক্ষিণ এশীয় প্রতিবেশী হজম করেছে গুনে গুনে ১৮ গোল। দুই ম্যাচেই ৯টি করে। সুযোগ পেলে মধ্যপ্রাচ্যের এই আরবরা যে প্রতিপক্ষকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলে, তারই জলজ্যান্ত প্রমাণ। সেখানে বাংলাদেশ দল দুটিকে কাঁপিয়েছে। পরশুর ম্যাচ শেষে ফিলিস্তিন কোচ আয়মান সানদোকার মন্তব্য শুনুন, ‘বাংলাদেশ খুবই ভালো খেলেছে। প্রথমার্ধে নিচে নেমে রক্ষণাত্মক খেলার পাশাপাশি চেষ্টা করেছে আমাদের দ্রুত ক্লান্ত করার। তারা তাতে সফলও হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে ওরা আরো ভালো খেলে, আক্রমণে ওঠে। প্রচুর খেটে উজ্জীবিত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে ওরা, এই কন্ডিশনে যেটা আমরা পারিনি।’ এটাও একরকম জয়ই।

তাতেই এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাই থেকে ছিটকে গেলেও মাশুক, রবিউলরা প্রশংসা পাচ্ছেন। অনলাইনে খেলাটা অনুসরণ করা ফুটবলপ্রেমীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা প্রকাশ করতেও কার্পণ্য রাখছে না। ফেসবুকে সিনিয়র ফুটবলার আতিকুর রহমানই যেমন লিখেছেন, ‘এই দলটির খেলা সত্যি আনন্দ দিয়েছে।’ আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে এই আনন্দের পাশাপাশি নগদ প্রাপ্তিরও সুযোগ, একটা জয় নিয়ে অন্তত ফেরার সম্ভাবনা বাংলাদেশের। খাতা-কলমের হিসাবেই বাছাইয়ে এ পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সই এগিয়ে। এ গ্রুপে নেপাল ওমানের কাছে প্রথম ম্যাচে ১-০-তে হারলেও কাতারের বিপক্ষে হজম করেছে ৫ গোল। মালদ্বীপ সৌদি আরব ও আমিরাতের কাছে হেরেছে ৬-০ ও ৩-০-তে। ভারত উজবেকিস্তানের কাছে ৩-০ ও তাজিকিস্তানের কাছে হেরেছে ২-০-তে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা